এক ককরোচে রক্ষে নেই, সুপ্রিম কোর্ট ‘মাছি মারা’র কথা বলতেই আবার জন্মাল নতুন ‘পার্টি’!
Supreme Court Observation: সম্প্রতি আন্দোলনের আবহে দিল্লির একাধিক মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে দেয় দিল্লি পুলিশ। বিষয়টি শীর্ষ আদালতে পৌঁছলে কেন্দ্র ও প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয় যাতে গণপরিবহন পুরোপুরি বন্ধ না করে দেওয়া হয়। সুপ্রিম কোর্ট বলে, “মাছি মারতে হাতুড়ি আনতে পারেন না।"

নয়া দিল্লি: নিট কেলেঙ্কারির পর নির্বাচন কমিশন ইস্য়ুতেও আন্দোলনে নেমেছে ককরোচ জনতা পার্টি (Cockroach Janta Party)। বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন সেই সিজেপির একাধিক সদস্য। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি মন্তব্যের পর এই ককরোচ জনতা পার্টি তৈরি করেছিলেন অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাসরা। আর এবার ফের সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) একটি মন্তব্যের জেরে তৈরি হল আরও একটি পার্টি।
সম্প্রতি আন্দোলনের আবহে দিল্লির একাধিক মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে দেয় দিল্লি পুলিশ। বিষয়টি শীর্ষ আদালতে পৌঁছলে কেন্দ্র ও প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয় যাতে গণপরিবহন পুরোপুরি বন্ধ না করে দেওয়া হয়।
সুপ্রিম কোর্ট বলে, “মাছি মারতে হাতুড়ি আনতে পারেন না। প্রশাসন অবশ্যই নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা কার্যকর করতে পারে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, সবকিছু বন্ধ করে দিয়ে মানুষকে যাতায়াতের কোনও ব্যবস্থা ছাড়া অসহায় অবস্থায় ফেলে রাখা হবে।” এই মন্তব্যের জেরেই মাথাচাড়া দিচ্ছে অন্য একটি পার্টি। সোশ্যাল মিডিয়ায় তৈরি হয়েছে ‘মাখি জনতা পার্টি’।
৭২ ঘণ্টায় ৩ লক্ষ ৩০ হাজার ফলোয়ার ও ৪০ লক্ষ ভিউ হয়েছে বলে দাবি ‘মাখি জনতা পার্টি’র। ওই গ্রুপের দাবি, তারা ককরোচ জনতা পার্টির সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছে।

