AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Ancient Shivling : যেন অলৌকিক দৃশ্য! মন্দিরের ৬৫ ফুট গভীর অমৃতকুণ্ডের জল সরাতেই বেরিয়ে এল…স্তম্ভিত কর্মীরা

Ancient Shivling discovered in Nasik: পশ্চিমঘাটের ব্রহ্মগিরি পর্বতের পাদদেশে অবস্থিত ত্র্যম্বকেশ্বর মন্দির। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এখান থেকেই পবিত্র গোদাবরী নদীর উৎপত্তি হয়েছে। এই নদী দক্ষিণ গঙ্গা নামেও পরিচিত। ভারতের বারোটি জ্যোতির্লিঙ্গের অন্যতম ত্র্যম্বকেশ্বর মন্দির। এই জ্যোতির্লিঙ্গের বিশেষত্ব হল, এখানে শিবলিঙ্গটি ত্রিমুখী রূপে বিরাজমান। সেখানেই একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে।

Ancient Shivling : যেন অলৌকিক দৃশ্য! মন্দিরের ৬৫ ফুট গভীর অমৃতকুণ্ডের জল সরাতেই বেরিয়ে এল...স্তম্ভিত কর্মীরা
নাসিকের মন্দিরের অমৃতকুণ্ড
| Updated on: Jul 03, 2026 | 9:58 AM
Share

মুম্বই: কেউ বলছেন অলৌকিক ঘটনা, কেউ বলছেন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার। সম্প্রতি, নাসিকের ত্র্যম্বকেশ্বর মন্দিরে (Nasik Trimbakeshwar Temple) এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি, মন্দিরের অমৃতকুণ্ডে সংরক্ষণের কাজ চলছিল। ঠিক তখনই দেখা যায়, ঐতিহাসিক জলাধারের নীচ থেকে উঁকি দিচ্ছে একটি সুপ্রাচীন শিবলিঙ্গ (Shivlinga)। সম্প্রতি, এই ঐতিহাসিক নির্দশন আবিষ্কারের বিষয়ে জানিয়েছে ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ।

কীভাবে আবিষ্কার হল শিবলিঙ্গ?

নাসিকের ত্র্যম্বকেশ্বর মন্দির। হিন্দুদের অন্যতম পবিত্র তীর্থক্ষেত্র। ওই মন্দির চত্বরেই রয়েছে প্রাচীন অমৃতকুণ্ড। প্রায় ৬৫ ফুট গভীর। এর জল মন্দিরের নিত্যপূজা ও অভিষেকের কাজে ব্যবহৃত হয়। প্রতিদিনই জল ব্যবহার করা হয়। অথচ,কেউ জানেনই না যে ওই অমতৃকুণ্ডের নীচে একটি শিবলিঙ্গ রয়েছে। যা শতাব্দী প্রাচীন বলে অনুমান করা হচ্ছে। ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ শিবলিঙ্গটি উদ্ধার করেছে। ASI জানিয়েছে, সংরক্ষণের কাজে ৬৫ ফুট গভীর অমৃত কুণ্ডের জল নিষ্কাশন করা হয়। এরপর কুণ্ডের তলদেশে জমে থাকা পলি ও আবর্জনা সরানোর সময়ই শিবলিঙ্গটি চোখে পড়ে। জলের নীচে লুকিয়ে থাকা প্রাচীন নিদর্শন সামনে আসতেই ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

কী বলছে ভারতের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ?

সোশ্যাল মিডিয়ায় ASI-এর তরফে জানানো হয়েছে, নাসিকে শতাব্দীপ্রাচীন ইতিহাস আবার সামনে এসেছে। সংরক্ষণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজের জন্য অমৃত কুণ্ডের জল সরানোর পর কুণ্ডের তলদেশে থাকা প্রাচীন শিবলিঙ্গ পাওয়া গিয়েছে। পলি ও জমে থাকা ময়লা সরানোর সময় এটি উদ্ধার করা হয়েছে। এই আবিষ্কার আবারও প্রমাণ করল যে, সংরক্ষণমূলক উদ্যোগ শুধু ঐতিহাসিক স্থাপত্য রক্ষাই নয়, ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ও পবিত্র ঐতিহ্যের বহু অমূল্য নিদর্শনকে নতুন করে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।”

পশ্চিমঘাটের ব্রহ্মগিরি পর্বতের পাদদেশে অবস্থিত ত্র্যম্বকেশ্বর মন্দির। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এখান থেকেই পবিত্র গোদাবরী নদীর উৎপত্তি হয়েছে। এই নদী দক্ষিণ গঙ্গা নামেও পরিচিত। ভারতের বারোটি জ্যোতির্লিঙ্গের অন্যতম ত্র্যম্বকেশ্বর মন্দির। এই জ্যোতির্লিঙ্গের বিশেষত্ব হল, এখানে শিবলিঙ্গটি ত্রিমুখী রূপে বিরাজমান। যা ত্রিদেব অর্থাৎ ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বরের প্রতীক হিসেবে পূজিত হয়।

শিবলিঙ্গের বয়স কত, তা এখনও জানা যায়নি। প্রতি বর্ষায় অমৃতকুণ্ডে বালি ও কাদা জমে শিবলিঙ্গটিকে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে আড়াল করে রেখেছিল । অনেকের অনুমান ২৪০ বছরের পুরনো এই শিবলিঙ্গ। গবেষণা ও পরীক্ষা-নীরিক্ষার মাধ্যমেই শিবলিঙ্গটির বয়স জানা যাবে।

Follow Us