Ayodhya: ৫০ মিনিটে প্রাণ প্রতিষ্ঠা, আগে-পরে ঠাসা কর্মসূচি, সোমবার কখন কোথায় মোদী?
Ayodhya Ram Mandir: দুপুর ১২টা বেজে ৫ মিনিট থেকে ১২টা বেজে ৫৫ মিনিটের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে প্রাণ প্রতিষ্ঠার মূল আচার। তবে, তার আগে-পরে রয়েছে তাঁর ঠাসা কর্মসূচি। আসুন, দেখে নেওয়া যাক রাম মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন কখন কোথায় কোন কাজে ব্যস্ত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

অযোধ্যা: ৫৫০ বছরের অপেক্ষার অবসানের জন্য আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। তারপরই অযোধ্যার নির্মীয়মাণ রাম মন্দিরে রামলালার ‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা’ করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সারা বিশ্ব থেকে বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। তবে মধ্যমণি অবশ্যই প্রধানমন্ত্রী। তার আগে, ১১ দিনের এক বিশেষ আচার পালন করছেন তিনি। ১২ জানুয়ারি থেকে এই বিশেষ অনুষ্ঠান শুরু হয়েছিল এবং এই সময় প্রধানমন্ত্রী ‘যম নিয়ম’ মেনে চলেছেন। এই আচারের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী মোদী বর্তমানে মাটিতে শুচ্ছেন এবং শুধু ডাবের জল খেয়ে আছেন। সেই সঙ্গে রামায়ণ বা রামের সঙ্গে জড়িত, এমন ভারতীয় মন্দিরগুলিতে সফর করছেন তিনি। কিন্তু, ২২ জানুয়ারি তাঁর কাঁধে গুরু দায়িত্ব। দুপুর ১২টা বেজে ৫ মিনিট থেকে ১২টা বেজে ৫৫ মিনিটের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে প্রাণ প্রতিষ্ঠার মূল আচার। তবে, তার আগে-পরে রয়েছে তাঁর ঠাসা কর্মসূচি। আসুন, দেখে নেওয়া যাক রাম মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন কখন কোথায় কোন কাজে ব্যস্ত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী –
সকাল ১০টা ২৫: অযোধ্যার নব নির্মীত মহর্ষি বাল্মীকি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী
সকাল ১০টা ৪৫: বিমান বন্দর থেকে অযোধ্যা হেলিপ্যাডে আসবেন প্রধানমন্ত্রী
সকাল ১০টা ৫৫: রাম জন্মভূমিতে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী
দুপুর ১২টা ৫ থেকে ১২টা ৫৫: প্রাণ প্রতিষ্ঠার মূল অনুষ্ঠান, এটাই সবথেকে শুভ মুহূর্ত বলে চিহ্নিত করেছেন পণ্ডিতরা
দুপুর ১২টা ৫৫: প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানের সমাপ্তির পর, প্রদানমন্ত্রী মোদী জনসভাস্থলে যাওয়ার জন্য উপাসনাস্থল ছাড়বেন
দুপুর ১টা: এরপর তিনি প্রধানমন্ত্রী যাবেন জনসভাস্থলে, সেখানে তিনি ভক্তদের সঙ্গে আলাপচারিতা করবেন
দুপুর ১টা থেকে ২টো: এই এক ঘণ্টা জনসাধারণের সঙ্গে মিলিত হবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী
দুপুর ২টো ১০: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অযোধ্যার কুবের টিলা মন্দিরে পুজো করবেন
গত শতাব্দীর সাতের দশক থেকেই রাম জন্মভূমি আন্দোলনেসামিল হয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদী। সেই সময় তাঁর পরিচয় ছিল, শুধুই আরএসএস-এর এক স্বয়ংসেবক। এরপর, ১২৮৯-এ রামশিলা পূজন থেকে শুরু করে, নয়ের দশকে সোমনাথ মন্দির থেকে লালকৃষ্ণ আদবানির রথযাত্রারও অগ্রভাগে ছিলেন তিনি। তবে ১৯৯২ সালে একতা যাত্রার সময় তিনি শপথ নিয়েছিলেন, মন্দিরের নির্মাণকাজ শুরু হলে, তবেই ফের অযোধ্যায় ফিরবেন। সেই শপথ ধরে রেখে, ২০২০ সালের ৫ অগস্ট, তিন দশক পর অযোধ্যায় এসে রাম জন্মভূমি মন্দিরের ভূমিপূজা অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেছিলেন তিনি।
বর্তমানে তিনি যম নিয়ম পালন করার সঙ্গে সঙ্গে রামায়ণ এবং রামের সঙ্গে জড়িত মন্দিরগুলি পরিদর্শন করেছেন। রবিবার তিনি তামিলনাড়ুর ধানুশকোড়িতে শ্রী কোথান্দারামা স্বামী মন্দিরে পূজা দেন। তার আগের দিন, তিনি তামিলনাড়ুর শ্রী রঙ্গনাথস্বামী এবং রামানাথস্বামী মন্দিরে পুজো করেন। রামেশ্বরমে ‘আঙ্গি তীর্থ’ সমুদ্র সৈকতে ডুব দেন। এছাড়া, শ্রী রঙ্গমে গিয়ে তিনি কাম্বান রচিত রামায়ণ পাঠও শোনেন। সপ্তাহের শুরুতে তিনি অন্ধ্রপ্রদেশ এবং কেরলের বিভিন্ন রামায়ণের সঙ্গে জড়িত মন্দিরেও পুজো দিয়েছেন।
