Bengaluru Blast Update: যে টুপি গোপন করেছিল পরিচয়, সেই টুপিই NIA-র হাতে ধরিয়ে দিল আব্দুল-মুসাভিরকে!
Bengaluru Blast Update: বেঙ্গালুরুর রামেশ্বরম ক্যাফেতে আইইডি বিস্ফোরক ভর্তি ব্য়াগ রেখে এসেছিল মুসাভির হুসেন সাজিব। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, হামলার সময় থেকেই সে মাথায় একটি টুপি পরেছিল, যার জেরে মুখ দেখা যাচ্ছিল না। হামলার পর যে বাসে উঠেছিল, তার সিসিটিভিতেও সাজিবকে টুপি পরা অবস্থাতেই দেখা যায়।

নয়া দিল্লি: মুখ ঢাকতে টুপি পরেছিল বেঙ্গালুরুর রামেশ্বরম ক্যাফেতে বিস্ফোরণে জড়িত মুসাভির হুসেন সাজিব। কিন্তু তাঁর লিমিটেড এডিশন টুপিই ধরিয়ে দিল এনআইএ-র হাতে। শুক্রবারই দিঘার হোটেল থেকে এনআইএ মুসাভির হুসেন সাজিব এবং আব্দুল মতিন আহমেদ ত্বহা নামক দুই জঙ্গিকে গ্রেফতার করে। গত ১ মার্চ বেঙ্গালুরুর রামেশ্বরম ক্যাফে বিস্ফোরণের মূল চক্রী এরা। দুইজনই আইসিস জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। তাদের তিনদিনের ট্রানজিট রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।
কীভাবে সাজিদ ও আব্দুলের খোঁজ পেল এনআইএ?
জানা গিয়েছে. বেঙ্গালুরুর রামেশ্বরম ক্যাফেতে আইইডি বিস্ফোরক ভর্তি ব্য়াগ রেখে এসেছিল মুসাভির হুসেন সাজিব। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, হামলার সময় থেকেই সে মাথায় একটি টুপি পরেছিল, যার জেরে মুখ দেখা যাচ্ছিল না। হামলার পর যে বাসে উঠেছিল, তার সিসিটিভিতেও সাজিবকে টুপি পরা অবস্থাতেই দেখা যায়। ক্যাফে থেকে তিন কিলোমিটার দূরে একটি ধর্মীয় স্থানে ঢুকছিল সাজিব। বেরোনোর সময় তাড়হুড়োয় ওই টুপি ফেলে যায়।
সূত্রের খবর, ওই টুপি আর পাঁচটা টুপির মতো নয়। একটি ব্র্যান্ডের একটি সীমিত সংস্করণ বা লিমিটেড এডিশন ছিল। হামলার দিন অবধি মাত্র ৪০০ পিস টুপি বিক্রি হয়েছিল। এই ব্র্যান্ডটি শুধুমাত্র কয়েকটি খুচরা দোকান এবং দক্ষিণ ভারত জুড়ে অনলাইনে ব্যবসা করে। এছাড়া প্রতিটি টুপির উপরেই একটি ক্রমিক নম্বর রয়েছে, যা ক্রেতার কোনও সমস্যা হলে, রিফান্ডের জন্য দেওয়া হয়েছিল। ওই নম্বর ধরেই যে দোকান থেকে টুপি বিক্রি হয়েছিল, সেই দোকানের সন্ধান পায় পুলিশ। যেদিন এই টুপি বিক্রি হয়েছিল সেই দোকানের সিসিটিভি ফুটেজও উদ্ধার করা হয়।।
