EC vehicle Rrestriction Controversy: কমিশনের বাইক সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞাকে চ্যালেঞ্জ, হাইকোর্টে মামলা
Bike Ban Impact: নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী, নির্বাচনের আবহে বাইক চলাচলের উপর একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। প্রথম দফা ভোটের ঠিক দু দিন আগে বাইক নিয়ে বিশেষ নির্দেশিকা দেওয়া হল কমিশনের তরফে। এর আগে কখনও নির্বাচনে এভাবে বাইক চলাচল নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়নি। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনও বাইক র্যালি করা যাবে না।

কলকাতা: নির্বাচন কমিশনের বাইক সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞাকে চ্যালেঞ্জ। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও এজলাসে দৃষ্টি আকর্ষণ। মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে আদালত। মামলাকারীর বক্তব্য, বাইক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞায় সমস্যার সম্মুখীন হবে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে আইনজীবীরাও। কাজের জায়গা থেকে শুরু করে হঠাৎ করে আসা কোনও গুরুত্বপূর্ণ কাজে যেতেও সমস্যা হবে। আগামীকাল ২৩ এপ্রিল মামলার শুনানি।
কী রয়েছে নির্দেশিকায়?
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী, নির্বাচনের আবহে বাইক চলাচলের উপর একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। প্রথম দফা ভোটের ঠিক দু দিন আগে বাইক নিয়ে বিশেষ নির্দেশিকা দেওয়া হল কমিশনের তরফে। এর আগে কখনও নির্বাচনে এভাবে বাইক চলাচল নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়নি। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনও বাইক র্যালি করা যাবে না। সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরের দিন সকাল ৬টা পর্যন্ত বাইক নিয়ে রাস্তায় বেরনো যাবে না। শুধুমাত্র হাসপাতালে যাওয়ার প্রয়োজন, সন্তানকে স্কুল থেকে আনার প্রয়োজনে রাস্তায় বাইক নিয়ে বেরনো যাবে।
মামলাকারীর বক্তব্য
মামলাকারীর দাবি, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে আইনজীবীদের দৈনন্দিন জীবন ও কর্মক্ষেত্রে যাতায়াতে চরম সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। পেশাগত কাজের প্রয়োজনে বা জরুরি অবস্থায় চলাচলের ক্ষেত্রে এই নির্দেশিকা বড় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
মামলাকারীর বক্তব্য, বাইক ব্যবহারে এই নিষেধাজ্ঞা সাধারণ নাগরিকের স্বাধীন চলাচলের অধিকারে হস্তক্ষেপ করছে। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও মামলাটি শোনার পর আগামীকাল শুনানির দিন ধার্য করেছেন।
