AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

BSF drug seizure: সীমান্তে ড্রোনে মাদক পাচারের ছক ভেস্তে দিল BSF, উদ্ধার ৩০ কোটি টাকার হেরোইন

BSF drug seizure in Rajasthan: ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে ড্রোন ব্যবহার করে মাদক পাচারের আশঙ্কা নিরাপত্তা বাহিনীগুলির কাছে নতুন চ্যালেঞ্জ। সরাসরি মানুষ বা গাড়ি সীমান্ত পার না করেও ড্রোনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট এলাকায় মাদক পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে। রাওয়ালার এই অভিযান সেই প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ।

BSF drug seizure: সীমান্তে ড্রোনে মাদক পাচারের ছক ভেস্তে দিল BSF, উদ্ধার ৩০ কোটি টাকার হেরোইন
উদ্ধার হওয়া হেরোইন
| Edited By: | Updated on: Sep 13, 2026 | 9:54 PM
Share

জয়পুর: ভারত-পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সীমান্তে ড্রোনের মাধ্যমে মাদক পাচারের ছক ভেস্তে দিল সীমান্তরক্ষী বাহিনী। BSF-র গোয়েন্দা শাখার তথ্যের ভিত্তিতে রাজস্থানের শ্রীগঙ্গানগর জেলার রাওয়ালা সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখানেই একটি কৃষিজমি থেকে উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ মাদক।

BSF সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৫.৬ কেজি হেরোইন এবং ৫০০ গ্রাম আফিম উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া মাদকের আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য আনুমানিক ৩০ কোটি টাকা বলে জানা গিয়েছে। তল্লাশির সময় মাদকগুলি দড়ি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়। ফলে পাকিস্তানের দিক থেকে ড্রোনের মাধ্যমে সীমান্ত পেরিয়ে ওই মাদক ভারতে ফেলা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।

গোয়েন্দা তথ্যেই বড় সাফল্য-

এই অভিযানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল BSF-এর G Branch-র গোয়েন্দা তথ্য। সন্দেহভাজন মাদক পাচারের বিষয়ে তথ্য পাওয়ার পর স্থানীয় পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থাগুলিকে সতর্ক করা হয়। এরপর দ্রুত নির্দিষ্ট এলাকায় তল্লাশি শুরু হয়। অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় BSF-র ১৪০ ব্যাটেলিয়ন। স্থানীয় পুলিশও অভিযানে অংশ নেয়।

পাকিস্তান থেকে ড্রোনে মাদক?

দড়ি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় প্যাকেট উদ্ধারের ঘটনায় ড্রোনের মাধ্যমে মাদক ফেলার সম্ভাবনাই এখন তদন্তের অন্যতম বিষয়। সীমান্তের ওপার থেকে ড্রোন মাদক ঢুকেছিল কি না, কোথায় মাদক ফেলা হয়েছিল এবং ভারতে থাকা কোনও পাচারকারী সেই মাদক সংগ্রহের অপেক্ষায় ছিল কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীরা আরও দেখছেন, এটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নাকি পাকিস্তান থেকে নিয়ন্ত্রিত বৃহত্তর মাদক পাচার চক্রের অংশ।

উদ্ধার হওয়া মাদক কোথায় পাচারের লক্ষ্য ছিল?

প্রায় ৩০ কোটি টাকার মাদক উদ্ধারের পর এখন তদন্তের নজর সম্ভাব্য পাচারচক্রের দিকে। মাদক কোথা থেকে এসেছিল, কার কাছে পৌঁছনোর কথা ছিল এবং সীমান্তের ভারতীয় অংশে কোনও স্থানীয় হ্যান্ডলার সক্রিয় ছিল কি না—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি উদ্ধার হওয়া মাদকের ফরেন্সিক পরীক্ষা এবং অন্যান্য প্রমাণও তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

ড্রোন পাচার রুখতে গোয়েন্দা নজরদারি-

ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে ড্রোন ব্যবহার করে মাদক পাচারের আশঙ্কা নিরাপত্তা বাহিনীগুলির কাছে নতুন চ্যালেঞ্জ। সরাসরি মানুষ বা গাড়ি সীমান্ত পার না করেও ড্রোনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট এলাকায় মাদক পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে। রাওয়ালার এই অভিযান সেই প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, মাদক পাচারের সন্দেহভাজন ছক সফলভাবে কার্যকর হওয়ার আগেই গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। এখন প্রধান লক্ষ্য—এই মাদকের পিছনে থাকা গোটা পাচারচক্রকে চিহ্নিত করা।

Follow Us