Child-Trafficking: সদ্যোজাতের দর উঠত ৪-৫ লাখ! কালো বাজারের পণ্যের মতো কেনাবেচা হত শিশুদের, দিল্লিতে যেভাবে চলছিল পাচার চক্র
CBI: সিবিআই সূত্রে খবর, এই সদ্যোজাত শিশুদের কালো বাজারে পণ্য হিসেবে কেনা-বেচা করা হত। এই শিশু পাচার চক্রের জাল শুধু দিল্লিতেই নয়, তার বাইরেও ছড়িয়ে ছিল। তার মধ্য়ে শুধু রাজধানী দিল্লিতেই সাত-আটটি শিশু পাচারের অভিযোগ উঠেছে।

নয়া দিল্লি: রাজধানী দিল্লিতে শিশু পাচার চক্রের বড়সড় পর্দাফাঁস করল সিবিআই। কীভাবে চলত শিশু পাচারের এই চক্র? তদন্তে নেমে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে। শিশু পাচার সংক্রান্ত এক মামলার তদন্তে এদিন দিল্লির একাধিক জায়গায় হানা দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার অফিসাররা। সেই অভিযানে রাজধানীর কেশবপুরম এলাকায় একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে তিন সদ্যোজাত শিশুকে।
সিবিআই সূত্রে খবর, এই সদ্যোজাত শিশুদের কালো বাজারে পণ্য হিসেবে কেনা-বেচা করা হত। এই শিশু পাচার চক্রের জাল শুধু দিল্লিতেই নয়, তার বাইরেও ছড়িয়ে ছিল। তার মধ্য়ে শুধু রাজধানী দিল্লিতেই সাত-আটটি শিশু পাচারের অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগের তদন্তে ইতিমধ্যেই একাধিক মহিলাকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআইয়ের জালে ধরা হয়েছে এক হাসপাতালে ওয়ার্ড বয়ও। এখনও পর্যন্ত এই মামলায় মোট সাতজনকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সিবিআই সূত্রে খবর, শুধু গতমাসেই আনুমানিক দশটি শিশুকে বিক্রি করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা যাচ্ছে, প্রত্যেক সদ্যোজাত শিশুর কালো বাজারে বিক্রির দর উঠত চার থেকে পাঁচ লাখ টাকা। ইতিমধ্য়েই একাধিক রাজ্যজুড়ে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই এবং একাধিক বড় নামী হাসপাতাল বর্তমানে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের স্ক্যানারে রয়েছে।
