Ministry of Electronics and Information Technology: ‘গ্রোক’-এর অপব্যবহার রুখতে কঠোর পদক্ষেপ কেন্দ্রের, এলন মাস্কের সংস্থার কাছে গেল কড়া চিঠি

AI: গ্রোক আদপে এলন মাস্কের সংস্থা xAI-এর তৈরি একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন চ্যাটবট। এটি ব্যবহারকারীর নানা প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি মুহূর্তের মধ্যে ছবি তৈরি করে দিতে পারে। তৈরি করে দিতে পারে ভিডিয়ো। এবার এই অ্যাপের বিরুদ্ধেই উঠছে গুরুতর অভিযোগ। কঠোর পদক্ষেপের পথে কেন্দ্র।

Ministry of Electronics and Information Technology: গ্রোক-এর অপব্যবহার রুখতে কঠোর পদক্ষেপ কেন্দ্রের, এলন মাস্কের সংস্থার কাছে গেল কড়া চিঠি
প্রতীকী ছবি Image Credit source: TV 9 Network

Jan 02, 2026 | 7:59 PM

নয়াদিল্লি: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) প্রযুক্তির অপব্যবহার রুখতে এবার কঠোর পদক্ষেপের পথে কেন্দ্রীয় সরকার। এলন মাস্কের মালিকানাধীন এক্স এবং তাঁরই এআই সংস্থা ‘xAI’-এর তৈরি চ্যাটবট ‘গ্রোক’ (Grok)-এর মাধ্যমে অশালীন ও আপত্তিকর কন্টেন্ট ছড়ানো নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক। এই বিষয়ে সংস্থাটিকে কড়া চিঠি দিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ‘এক্স’-কে লেখা চিঠিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, গ্রোক বা এই ধরণের অন্য কোনও এআই পরিষেবাকে কাজে লাগিয়ে কোনওভাবেই যেন কোনও অশ্লীল, নগ্ন বা যৌন উত্তেজক বিষয়বস্তু তৈরি বা প্রকাশ না করা হয়।

সরকারের সাফ কথা, গ্রোক-এর মাধ্যমে তৈরি কোনও আপত্তিকর ছবি বা তথ্য যেন কোনোভাবেই হোস্ট, পাবলিশ বা শেয়ার করা না যায়। এই ধরনের বিষয়বস্তু আটকাতে সংস্থা কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে, তার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দিতে হবে। প্রচলিত আইন মেনে অবিলম্বে কঠোর সুরক্ষা কবচ তৈরি করতে হবে।

কী এই ‘গ্রোক’?

গ্রোক আদপে এলন মাস্কের সংস্থা xAI-এর তৈরি একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন চ্যাটবট। এটি ব্যবহারকারীর নানা প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি মুহূর্তের মধ্যে ছবি তৈরি করে দিতে পারে। তৈরি করে দিতে পারে ভিডিয়ো।

বিতর্কের সূত্রপাত কোথা থেকে? 

সাম্প্রতিক সময়ে গ্রোক-এর তৈরি বেশ কিছু ডিপফেক (Deepfake) ও অশালীন ছবি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগ ওঠে। নেটিজেনদের একাংশ দাবি করেন, গ্রোক ব্যবহার করে সহজেই সাধারণ মানুষের বিকৃত ছবি তৈরি করা যাচ্ছে, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক। এর পরেই বিভিন্ন মহল থেকে সরব হয়ে সরকারি হস্তক্ষেপের দাবি জানানো হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই প্রযুক্তির এমন অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার সাইবার নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার ক্ষেত্রে বড়সড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভারত সরকার এই চিঠির মাধ্যমে স্পষ্ট করে দিল যে, প্রযুক্তির উদ্ভাবন স্বাগত হলেও তার অপব্যবহার কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।