AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Women Career: কেরিয়ারে দ্বিতীয় ইনিংস, কর্মবিরতি নেওয়া মহিলাদের কাজে ফেরাতে নয়া রোডম্যাপ, দ্বিতীয় স্থানে পশ্চিমবঙ্গ

Women Career Break India: রিপোর্ট অনুযায়ী, বর্তমানে ভারতের প্রায় ৭০ লক্ষ (৭ মিলিয়ন) নারী কর্মবিরতির পর পুনরায় চাকরি খোঁজার লড়াই চালাচ্ছেন। এই বিশাল প্রতিভাকে পুনরায় মূল অর্থনীতির ধারায় যুক্ত করতে সিআইআই ইন্ডিয়ান উইমেন নেটওয়ার্ক (CII IWN)-এর বেঙ্গল চ্যাপ্টার একটি নির্দেশিকা বা 'রিটার্ন-টু-ওয়ার্ক প্লেবুক' প্রকাশ করেছে। তাতে উল্লেখযোগ্যভাবে জায়গা করে নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ।

Women Career: কেরিয়ারে দ্বিতীয় ইনিংস, কর্মবিরতি নেওয়া মহিলাদের কাজে ফেরাতে নয়া রোডম্যাপ, দ্বিতীয় স্থানে পশ্চিমবঙ্গ
ফাইল ছবিImage Credit: Credit: Mayur Kakade/E+/Getty Images
| Edited By: | Updated on: Sep 24, 2026 | 5:51 PM
Share

কলকাতা: বর্তমানে আধুনিক যুগের নারীরা স্বনির্ভর। তারপরও পারিবারিক বা অন্য কোনও কারণে কর্মজীবন থেকে বিরতি নিতে বাধ্য হন অনেকেই। ভারতে সেই সংখ্যা লক্ষাধিক। এবার কর্মজীবন থেকে বিরতি (Women Career Break India) নেওয়া সেইসব নারীদের পুনরায় কাজে ফেরাতে এক নজিরবিহীন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

কর্মবিরতিতে লক্ষাধিক নারী 

রিপোর্ট অনুযায়ী, বর্তমানে ভারতের প্রায় ৭০ লক্ষ (৭ মিলিয়ন) নারী কর্মবিরতির পর পুনরায় চাকরি খোঁজার লড়াই চালাচ্ছেন। এই বিশাল প্রতিভাকে পুনরায় মূল অর্থনীতির ধারায় যুক্ত করতে সিআইআই ইন্ডিয়ান উইমেন নেটওয়ার্ক (CII IWN)-এর বেঙ্গল চ্যাপ্টার একটি নির্দেশিকা বা ‘রিটার্ন-টু-ওয়ার্ক প্লেবুক’ প্রকাশ করেছে। তাতে উল্লেখযোগ্যভাবে জায়গা করে নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ।

মূলত, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ক্ষেত্রগুলির জন্যই এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। ওই শিল্পের ক্ষেত্রগুলির মালিকদের ধাপে ধাপে রূপরেখা দেবে ওই ‘প্লেবুক’। কর্মজীবন থেকে বিরতি নেওয়া নারীদের কীভাবে পুনরায় নিয়োগ করা যায়, অনবোর্ডিং এবং কর্মক্ষেত্রের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সাহায্য করা যায়, সেই বিষয়ে একটা রোডম্যাপ তৈরি করে দেবে।

বিপুল সম্ভাবনা ও লিঙ্গ বৈষম্যের পরিসংখ্যান

নারী পরিচালিত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের (MSME) নিরিখে দেশের মধ্যে উল্লেখযোগ্য স্থান ধরে রেখেছে পশ্চিমবঙ্গ। বর্তমানে রাজ্যে ২৮.৪৭ লক্ষ নারী-নেতৃত্বাধীন এমএসএমই রয়েছে, যা ভারতের সমস্ত রাজ্যগুলির মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

বিশ্ব ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যদি ভারতের নারী শ্রমশক্তির অংশগ্রহণের হার ২০২৫ সালের ৪০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করা সম্ভব হয়, তবে দেশের বার্ষিক জিডিপি বৃদ্ধির হার প্রায় ১ শতাংশ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেতে পারে।

প্লেবুকে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কোনও বিরতি না নেওয়া চাকরিপ্রার্থীদের সমান যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র কর্মজীবন থেকে ব্রেক বা বিরতি নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট নারীদের ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাক পাওয়ার সম্ভাবনা ২৪ শতাংশ পয়েন্ট কমে যায়।

শিল্পবান্ধব পরিবেশ ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর উদ্যোগ পশ্চিমবঙ্গে নারীদের কাজের সুযোগ বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক শিল্পোন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে রাজ্যের এই বিশাল ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (MSME) ক্ষেত্রটিকে চালিকাশক্তি হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। এই পরিস্থিতিতে সিআইআই-এর এই বিশেষ ‘প্লেবুক’ বা নির্দেশিকাটি বাংলার লক্ষাধিক প্রতিভাময়ী নারীকে ঘর থেকে পুনরায় কাজের জগতে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

Follow Us