AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

CJP Demands Gyanesh Kumar’s Resignation: জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার সময়সীমা বেঁধে দিল CJP

Cockroach Janta Party: সিজেপির আরও দাবি, বর্তমান এসআইআর বাতিল করে ২০২৫ সালের ভোটার তালিকাই যেন ফিরিয়ে আনা হয়। সুপ্রিম কোর্টের কমিটির কাছে এসআইআর সংক্রান্ত সমস্ত নথি জমা রাখতে হবে এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের আইন বাতিল করতে হবে। 

CJP Demands Gyanesh Kumar's Resignation: জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার সময়সীমা বেঁধে দিল CJP
জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবি ককরোচ জনতা পার্টির।Image Credit: PTI
| Updated on: Sep 24, 2026 | 4:58 PM
Share

নয়া দিল্লি: নির্বাচন কমিশনের বিতর্কে এবার ঢুকে পড়ল ককরোচরা। সরাসরি জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবি করলেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। আজ, বৃহস্পতিবার ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে বলেন যে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ইস্তফা দিতে হবে। যদি ইস্তফা না দেন, তাহলে দেশজুড়ে আন্দোলন শুরু হবে।

এ দিন নয়া দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দীপকে বলেন যে নির্বাচন কমিশনারদের মধ্য এসআইআর নিয়ে যে বিরোধের ঘটনা সামনে এসেছে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের তদন্তমূলক প্রতিবেদনের মাধ্যমে, তারপর জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ইস্তফা দিতেই হবে। পাশাপাশি যে সমস্ত রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে, তাও যেন ফ্রিজ করে দেওয়া হয়।

কী বললেন দীপকে?

অভিজিৎ দীপকে জানান যে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জ্ঞানেশ কুমার যদি ইস্তফা না দেন, তাহলে ককরোচ জনতা পার্টি দিল্লিতে ধর্ণায় বসবে। দেশজুড়েই আন্দোলন শুরু হবে। দীপকে বলেন, “আগে সরকার ফেলে দেওয়া হচ্ছিল। প্রথমে বিধায়কদের কিনে নেওয়া হল। গোয়ায় রাতারাতি সরকার বদলে দেওয়া হল। এরপর সাংসদদের কিনে নেওয়া হল। তাতেও যখন মন ভরল না, তখন আঞ্চলিক দলগুলিকে ভাঙানো শুরু হল। মহারাষ্ট্রের সবথেকে বড় আঞ্চলিক দলকে ভেঙে দেওয়া হল। শিবসেনা, এনসিপির সঙ্গে এটা হল। এখন পশ্চিমবঙ্গেও এক জিনিস হচ্ছে। এইসবের নেপথ্যে রয়েছে একজন, জ্ঞানেশ কুমার। উনি শুধু নির্বাচনকেই প্রভাবিত করেননি, নিশ্চিত করেছেন যে বিজেপি যেন ক্ষমতায় থাকে। জ্ঞানেশ কুমারের কোনও অধিকার নেই দেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদে থাকা। অবিলম্বে ইস্তফা দেওয়া উচিত।”

তিন দাবি সিজেপির-

সিজেপির সহ প্রতিষ্ঠাতা সৌরভ দাস তিনটি দাবি সামনে রাখেন। প্রথম, জাতীয় নির্বাচন কমিশনার পদ থেকে জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা। দ্বিতীয়, জ্ঞানেশ কুমার ও যারা তাঁকে নির্দেশ দিয়েছিল, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি মামলা এবং তৃতীয়, আসন্ন সমস্ত নির্বাচন আপাতত স্থগিত করে দেওয়া।

সিজেপির আরও দাবি, বর্তমান এসআইআর বাতিল করে ২০২৫ সালের ভোটার তালিকাই যেন ফিরিয়ে আনা হয়। সুপ্রিম কোর্টের কমিটির কাছে এসআইআর সংক্রান্ত সমস্ত নথি জমা রাখতে হবে এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের আইন বাতিল করতে হবে।

সিজেপির কো-কনভেনার আশুতোষ রাঙ্কা বলেন যে আবার রাস্তায় নামার প্রয়োজন রয়েছে। জেন জ়ি ও অন্যান্য সকলকে এই আন্দোলনে সামিল হতে আহ্বান জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, এর আগে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্ককে কেন্দ্র করে দিল্লির যন্তর মন্তরে ধর্নায় বসেছিল ককরোচ জনতা পার্টি। ৪৯ দিন ধরে চলা আন্দোলন ও সংসদ অভিযানের পর অবশেষে জুলাই মাসে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিতে বাধ্য হন ধর্মেন্দ্র প্রধান।

Follow Us