
তিরুবনন্তপুরম: গত মাসেই শেষ হয়েছে ভারত জোড়ো যাত্রা(Bharat Jodo Yatra)। দক্ষিণ ভারতের কন্যাকুমারী (Kanyakumari) থেকে উত্তরের কাশ্মীরে (Kashmir) এসে শেষ হয়েছে কংগ্রেসের (Congress) এই জনসংযোগ কর্মসূচি। দেশজুড়ে যে ব্যাপক সাড়া পেয়েছে ভারত জোড়ো যাত্রা, তাতে খুশি কংগ্রেস। এবার ভারত জোড়ো যাত্রা নিয়েই চাঞ্চল্যকর তথ্য় জানালেন কংগ্রেসের জেনারেল সেক্রেটারি কেসি বেণুগোপাল (KC Venugopal)। তিনি জানালেন, ভারত জোড়ো যাত্রা থেকে মাঝপথেই বিরতি নেবে বলে ভেবেছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। তাঁর হাঁটুতে সমস্যা দেখা দিয়েছিল। ব্যাথা এতটাই বেড়েছিল যে তাঁর বদলে অন্য কারোর কাঁধে ভারত জোড়ো যাত্রার দায়িত্ব দেওয়ার কথাও ভেবেছিলেন রাহুল গান্ধী। তবে শেষ অবধি মনের জোরেই তিনি ব্যাথাকে উপেক্ষা করে পদযাত্রা জারি রাখেন এবং কন্যাকুমারী থেকে কাশ্মীর অবধি হেঁটে ভারত জোড়ো যাত্রা শেষ করেন।
গান্ধী পরিবারের ঘনিষ্ঠ হিসাবেই পরিচিত কংগ্রেস নেতা কেসি বেণুগোপাল। শনিবার দলের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীর মনোবল ও দৃঢ় প্রতিজ্ঞার প্রশংসা করেন তিনি। সেখানেই জানান, ভারত জোড়ো যাত্রা শুরুতেই অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছিল রাহুল গান্ধী পায়ে ব্যাথার কারণে। কংগ্রেসের এই জনসংযোগ কর্মসূচির নেতৃত্বের দায়িত্বে ছিলেন রাহুল গান্ধী। কিন্তু যাত্রা শুরুর কিছুদিন পরই তাঁর হাঁটুতে প্রচন্ড ব্যাথা হয়। ব্যাথা এতটাই বাড়ে যে প্রিয়ঙ্কা গান্ধী তাঁকে জানান, ভাই রাহুল গান্ধী হয়তো ভারত জোড়ো যাত্রায় আর হাঁটতে পারবেন না। কংগ্রেসের অন্য কোনও শীর্ষনেতার হাতে ভারত জোড়ো যাত্রার নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব তুলে দেওয়া হতে পারে।
কেসি বেণুগোপাল বলেন, “কন্যাকুমারী থেকে কেরলে ভারত জোড়ো যাত্রা প্রবেশ করার পরে তৃতীয় দিন থেকেই রাহুলের হাঁটুতে ব্যাথা প্রচন্ড বাড়ে। এক রাতে ও (রাহুল গান্ধী) আমায় ফোন করে হাঁটুর ব্যাথার কথা জানায় এবং ওর বদলে অন্য কারোর কাঁধে ভারত জোড়ো যাত্রা পরিচালনের দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলে।”
শেষে একজন ফিজিওথেরাপিস্টকে আনানো হয়, তিনিই রাহুলের চিকিৎসা করেন। এরপরই রাহুলের ব্যাথা সামান্য কমে এবং তিনি যাত্রা জারি রাখেন। প্রসঙ্গত, মোট ১৪৫ দিন ধরে, ৪ হাজার কিলোমিটার হেঁটে এই যাত্রা কাশ্মীরে সম্পূর্ণ হয় গত ৩০ জানুয়ারি।