
নয়া দিল্লি: ডিএ মামলায় রাজ্য সরকারকে বকেয়া মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও রাজ্য সরকারের তরফে কিছুই জানানো হয়নি এখনও। এবার আদালত অবমাননার অভিযোগ তুলে ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ সরকারি কর্মীরা।
শুধু মামলাই নয়, ডিএ-র দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে অনশন করেছিলেন সরকারি কর্মীরা। অবশেষে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চ ডিএ মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। শীর্ষ আদালতের রায়ে বলা হয়েছিল, অবিলম্বে ২৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দিতে হবে। আর ৩১ মার্চের মধ্যে বাকি ৭৫ শতাংশ মেটানোর কথা বলা হয়। কিন্তু এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত সরকারের তরফে কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
গত ৫ই ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের জারি করা ডিএ মামলার নির্দেশকে ইচ্ছাকৃত এবং সজ্ঞানে লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এই অভিযোগে ইতিমধ্যেই মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে আদালত অবমাননার নোটিস দেওয়া হয়। সুপ্রিম-নির্দেশের এক সপ্তাহ পরও বকেয়া ডিএ না মেটানোর জন্য ফের আইনি পথ বেছে নেন মামলাকারীরা। আর এবার আদালত অবমাননার মামলা হল শীর্ষ আদালতে।
যৌথ মঞ্চের স্পষ্ট বক্তব্য, সময় পেরিয়ে গেলেও সরকার ডিএ দিচ্ছে না বা নির্দেশ পুনর্বিবেচনার কোনও আর্জি নিয়ে আদালতেও যায়নি। যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, “শীর্ষ আদালতের প্রতি সম্মান দেখানোর কোনও মানসিকতা নেই রাজ্য সরকারের। এমন একটা সরকারকে নির্বাচিত করা হয়েছে, যাদের এই দেশের সংবিধানের প্রতিও ন্যুনতম সম্মানবোধ নেই। প্রশাসনিক তৎপরতা নেই। বাধ্য হয়ে শরণাপন্ন হয়েছি। না জেনে করেছেন এমনটাও নয়।”