Russian Wife: মস্কোয় বেপাত্তা বাংলার রাশিয়ান বধূ, রেড কর্নার নোটিস জারি ইন্টারপোলের
Russian Wife Victoria: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল, ছেলে সপ্তাহে তিন দিন মা অর্থাৎ ভিক্টোরিয়ার কাস্টডিতে থাকবে আর বাবা সৈকতের কাছে থাকবে বাকি ৪ দিন। কিন্তু তার মধ্যেই গত বছর উধাও হয়ে যান ভিক্টোরিয়া। ভিক্টোরিয়াকে নিয়ে গুপ্তচরবৃত্তির সন্দেহও প্রকাশ করে সৈকত বসুর পরিবার।

নয়া দিল্লি: গত বছর সন্তানকে নিয়ে দিল্লি থেকে নেপাল হয়ে রাশিয়া চলে গিয়েছেন চন্দননগরের পুত্রবধূ। ভিক্টোরিয়া নামে সেই মহিলার নামে রেড কর্নার নোটিসও রয়েছে। এবার তাঁকে প্রত্যর্পণের আর্জি জানাল দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবার সাকেত কোর্টে পুলিশ জানিয়েছে, বিদেশ মন্ত্রক ও রাশিয়ার ভারতীয় দূতাবাসের মাধ্যমে ভিক্টোরিয়াকে প্রত্যর্পণের আর্জি জানানো হয়েছে।
গত বছর ভিক্টোরিয়ার স্বামী সৈকত বসুর অভিযোগের উপর ভিত্তি করে ডিফেন্স কলোনি থানায় একটি এফআইআর হয় ভিক্টোরিয়ার বিরুদ্ধে। অভিযোগ ছিল, চন্দননগরের বাসিন্দা সৈকতকে না জানিয়েই সন্তানকে নিয়ে বাড়ি ছেড়েছিলেন ভিক্টোরিয়া ও তাঁর মা। ছেলের কাস্টডি চেয়ে আদালতের দ্বারস্থও হয়েছিলেন তিনি। সকেত জেলা আদালতে সেই মামলা চলছে। সেই নিয়ে স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিয়েছে পুলিশ।
সৈকতের করা এফআইআরের ভিত্তিতে যে তদন্ত করা হচ্ছে, তার স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিয়ে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, ভিক্টোরিয়া বসুর খোঁজ পেতে প্রত্যর্পণের আর্জি জানানো হয়েছে। ইন্টারপোল রেড কর্নার নোটিসও জারি করা হয়েছে ভিক্টোরিয়ার বিরুদ্ধে।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল, ছেলে সপ্তাহে তিন দিন মা অর্থাৎ ভিক্টোরিয়ার কাস্টডিতে থাকবে আর বাবা সৈকতের কাছে থাকবে বাকি ৪ দিন। কিন্তু তার মধ্যেই গত বছর উধাও হয়ে যান ভিক্টোরিয়া। ভিক্টোরিয়াকে নিয়ে গুপ্তচরবৃত্তির সন্দেহও প্রকাশ করে সৈকত বসুর পরিবার। রাশিয়ান দূতাবাসের অফিসারদের যোগ থাকতে পারে বলেও প্রশ্ন তোলেন সৈকত। সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ ছিল, যেখান থেকে সম্ভব ভিক্টোরিয়াকে ফিরিয়ে আনতে হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, বিদেশ মন্ত্রক ও দিল্লির পুলিশ-প্রশাসনকে বিশেষ নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। পরে জানা যায়, দিল্লি থেকে বিহার হয়ে নেপালে যান ভিক্টোরিয়া। সেখান থেকে দুবাই ও তারপর মস্কো চলে গিয়েছেন তিনি। নিয়ে গিয়েছেন সন্তানকেও।
