Murder Case: দুই শিশু, দুই মহিলার দেহ পড়ে মাটিতে, গলা চুঁইয়ে বেরচ্ছে রক্ত, সিলিং-এ ঝুলছে আরও এক দেহ
Murder Case: বুধবার সকালে পরিচারিকা বাড়ির ভিতরে উঁকি মারলে দেখতে পান শ্রীনিবাসের ঝুলন্ত দেহ। এই দৃশ্য দেখে তিনি ভয় পেয়ে যান এবং চীৎকার করতে থাকেন। এরপর ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ কমিশনার সহ আধিকারিকরা।

অন্ধ্র প্রদেশ: বাড়িতে একে একে চারটি মৃতদেহ ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে। ছিল দুই শিশু এবং দুই মহিলা। তাদের সবাইকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। আর ওই ঘরেরই একদিকে ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছিল আরও একটি লাশ। বুধবার এই ছবি দেখা গিয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশের বিজয়ওয়াড়ার এক চিকিৎসকের পরিবারে।
তদন্তে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, চিকিৎসক প্রথমে তাঁর মা, স্ত্রী ও দুই সন্তানকে গলা কেটে হত্যা করেন এবং পরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। পাঁচজনের এই মৃত্যুর ঘটনায় কার্যত হতবাক গোটা এলাকা।
অন্ধ্র প্রদেশের বিজয়ওয়াড়ার গুরুনানক নগরের ঘটনা। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সমস্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। চিকিৎসকের লেখা একটি সুইসাইড নোটও পাওয়া গিয়েছে। সেই চিঠি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে ফরেনসিক টিম ও ডগ স্কোয়াড।
ডাঃ শ্রীনিবাস নামে গুরুনানক নগরের ওই চিকিৎসক একজন অর্থোপেডিক সার্জেন। তাঁর স্ত্রীর নাম ঊষা, দুই সন্তান শৈলজা ও শ্রীহান। এছাড়াও মৃত্যু হয়েছে চিকিৎসকের মা রামানাম্মার। জানা গিয়েছে, বুধবার সকালে পরিচারিকা বাড়ির ভিতরে উঁকি মারলে দেখতে পান শ্রীনিবাসের ঝুলন্ত দেহ। এই দৃশ্য দেখে তিনি ভয় পেয়ে যান এবং চীৎকার করতে থাকেন।
এরপর ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ কমিশনার সহ আধিকারিকরা। পুলিশ জানতে পেরেছে, হাসপাতাল চালুর এক বছর আগে তিনি শ্রীজা হাসপাতাল চালু করেছিলেন। তবে হাসপাতালের কারণে বেশ কিছুদিন ধরেই আর্থিক সমস্যায় ভুগছিলেন তাঁরা। হাসপাতাল ঠিক মতো না চলায় চিন্তায় ছিলেন শ্রীনিবাস।
