JIO IPO Listing: অভিষেকেই বাজিমাত! প্রথমদিন শেয়ার বাজারে কেমন পারফর্ম করল জিও?
JIO: জিও প্ল্যাটফর্মসের আইপিও-তে বিনিয়োগকারীরা আজ ব্যাপক আগ্রহী ছিলেন। আইপিওর মোট মূল্যসীমা ছিল ১০৬৫ টাকা থেকে ১১১৯ টাকার মধ্যে। মোট ২৭ কোটি নতুন শেয়ার ইস্যু করা হয়েছিল। সবথেকে অবাক করা বিষয়, আইপিওটি মোট ২২.১৯ গুণ সাবস্ক্রাইব হয়েছিল ও মোট ১ কোটি ৪০ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছিল।

কলকাতা: বুধবার শেয়ার বাজারের দুনিয়াতে পা রাখল জিও। আজ তালিকাভুক্ত হল জিও প্ল্যাটফর্মের শেয়ার। সূত্রের খবর, কোম্পানির আইপিও-তে যাঁরা শেয়ার কিনেছেন, তাঁরা প্রথম দিনেই ভাল লাভ করেছেন।
প্রতি লটে কত টাকা লাভ হয়েছে?
জিও প্ল্যাটফর্মসের আইপিওতে একটি শেয়ারের দাম ছিল ১১১৯ টাকা। কিন্তু বুধবার তালিকাভুক্ত হওয়ার পর শেয়ারটির দাম দাঁড়ায় ১৩৫৮ টাকা। অর্থাৎ প্রতি শেয়ারে লাভ হয়েছে ২৩৯ টাকা। একটি লটে মোট শেয়ার সংখ্যা হল ১২। প্রতি লটে মোট লাভ হল ২৮৬৮ টাকা। তালিকাভুক্তির প্রিমিয়াম হল ২১.৩৫%। অর্থাৎ যাঁরা একটি লটের শেয়ার পেয়েছেন, তাঁরা তালিকাভুক্তির দামে বিক্রি করে ২৮৬৮ টাকা লাভ করেছেন। তবে কর ও অন্যান্য খরচ ধরলে কিছুটা কম লাভের টাকা হাতে আস্তে পারে।
এয়ারটেলকে পিছনে ফেলল জিও-
শেয়ারবাজারে জিওর এই শক্তিশালী পদার্পনের ফলে কোম্পানিটি এখন ভারতের দ্বিতীয় সবচেয়ে মূল্যবান কোম্পানির জায়গা দখল করেছে। প্রথম স্থানে রয়েছে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ। জিও প্ল্যাটফর্মসের মূল্য ১২.৬১ লক্ষ কোটি ছাড়িয়ে যায়। অন্যদিকে, ভারতী এয়ারটেলের বাজারমূল্য ছিল ১২.৩৫ লক্ষ কোটি টাকা। ফলে এই মুহূর্তে এয়ারটেল তৃতীয় স্থানে নেমে গিয়েছে।
আইপিও-তে বিপুল সাড়া পাওয়া গেল-
জিও প্ল্যাটফর্মসের আইপিও-তে বিনিয়োগকারীরা আজ ব্যাপক আগ্রহী ছিলেন। আইপিওর মোট মূল্যসীমা ছিল ১০৬৫ টাকা থেকে ১১১৯ টাকার মধ্যে। মোট ২৭ কোটি নতুন শেয়ার ইস্যু করা হয়েছিল। সবথেকে অবাক করা বিষয়, আইপিওটি মোট ২২.১৯ গুণ সাবস্ক্রাইব হয়েছিল ও মোট ১ কোটি ৪০ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছিল। মোট বিডের পরিমাণ ছিল ৪.৯ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি।
এবার শেয়ার বিক্রি করবেন, নাকি রেখে দেবেন?
জিওর শেয়ার ১৩৫৮ টাকায় তালিকাভুক্ত হওয়ার পর অনেক বিনিয়োগকারীর মনে একটা প্রশ্ন আসছে – এই আলভের অঙ্ক তুলে নেওয়া উচিৎ নাকি ভবিষ্যতে দাম বাড়ার আশায় শেয়ার রেখে দেওয়া উচিৎ? নির্বান্তেস রিসার্চের প্রতিষ্ঠাতা বরুণ এন জোশির মতে, তালিকাভুক্তির দিনেই লাভ তুলে নেওয়া যেতে পারে। তাঁর ধারণা, বর্তমানে শেয়ারটির যা দাম, তা অল্প সময়ের মধ্যেই আরও বাড়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। ভবিষ্যতে যদি শেয়ারটির দাম ১২০০-১২৫০ হয়, তখন আবার কেনার কথা ভাবা যেতে পারে।
