BLO-র ডিউটি করেও রেহাই নেই, এবার কুকুর গুনতে বলা হল শিক্ষকদের!

Stray Dog Counting: এই নির্দেশ পাওয়ার পরই ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন শিক্ষকরা। তাদের অভিযোগ, এমনিতেই পড়াশেনার বাইরে একাধিক কাজ রয়েছে। এতদিন এসআইআর প্রক্রিয়ার জন্য বিএলও-র কাজ করতে হয়েছে। তার উপরে এখন পথকুকুরদেরও গণনা করতে হবে। 

BLO-র ডিউটি করেও রেহাই নেই, এবার  কুকুর গুনতে বলা হল শিক্ষকদের!
ফাইল চিত্রImage Credit source: PTI

|

Jan 07, 2026 | 12:51 PM

পটনা: জাতি ভিত্তিক জনসুমারি থেকে বুথ লেভেল অফিসার হিসাবে কাজ- শিক্ষকদের কাজের শেষ নেই। অন্যান্য কাজের চাপ এতটাই বেড়ে যাচ্ছে যে ক্লাসরুমে যাওয়ার সময় আর পাচ্ছেন না। এবার তাদের উপর এল আরও এক দায়িত্ব। পড়ানো বা পরীক্ষা নেওয়া নয়, এবার তাদের গুনতে হবে পথকুকুর।

বিহারের রোহতাস জেলায় সাসারাম পুরসভা থেকেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে জোর চর্চা চলছে। শিক্ষকরা প্রশ্ন তুলছেন, পড়াশোনা লাটে তুলে কি এবার এই সব কাজই করবেন তারা? এমনিতেই ছাত্র-ছাত্রীদের অনুপাতে শিক্ষকের সংখ্যা কম, তার উপরে আবার একের পর এক কাজে পড়ানোর সুযোগই পাচ্ছেন না।

সাসারাম পুরসভার তরফে ওই পুরসভায় থাকা সমস্ত স্কুলকে নোটিস পাঠিয়ে নির্দেশ দিয়েছে যে শিক্ষকদের মধ্যে থেকে নোডাল অফিসার নিয়োগ করতে হবে, যিনি পথকুকুর নিয়ে তথ্য সংগ্রহ ও সেই তথ্য শেয়ার করবেন।  স্কুল চত্বরে কত কুকুর রয়েছে, সেই তথ্য সংগ্রহ করবেন তিনি। তাদের অবস্থা কীরকম, পথকুকুর নিয়ন্ত্রণে কী কী পদক্ষেপ করা উচিত, তা নিয়ে যাবতীয় রিপোর্ট তৈরি করতে বলা হয়েছে। এই রিপোর্টের ভিত্তিতে পুরসভা ডগ পাউন্ড বা কুকুরদের থাকার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা তৈরি করবে।

এই নির্দেশ পাওয়ার পরই ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন শিক্ষকরা। তাদের অভিযোগ, এমনিতেই পড়াশেনার বাইরে একাধিক কাজ রয়েছে। এতদিন এসআইআর প্রক্রিয়ার জন্য বিএলও-র কাজ করতে হয়েছে। তার উপরে এখন পথকুকুরদেরও গণনা করতে হবে।

সাসারাম পুরসভার কমিশনার বিকাশ কুমার জানিয়েছেন, সরকারের গাইডলাইন অনুযায়ীই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে নোডাল অফিসারদের তথ্য দিতে বলা হয়েছে, যারা স্থানীয় স্তরে পথকুকুরদের নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে সাহায্য করবেন।