AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Maharashtra Shiv Sena: ‘একনাথ শিন্ডেরাই আসল শিবসেনা, সরানোর ক্ষমতা নেই উদ্ধব ঠাকরের’

Maharashtra Shiv Sena: বিধানসভায় দুই গোষ্ঠীই একে অপরের বিধায়কদের অযোঘ্য বলে ঘোষণা করার আবেদন করেছিল। কিন্তু, এদিন বিধানসভার অধ্যক্ষ রাহুল নারওয়েকর জানান, ১৯৯৯ সালের শিবসেনার সংবিধান অনুযায়ী, দলের প্রধান হিসেবে একনাথ শিন্ডে কেন, দলের কোনও নেতাকেই বরখাস্ত করার ক্ষমতা নেই উদ্ধব ঠাকরের।

Maharashtra Shiv Sena: 'একনাথ শিন্ডেরাই আসল শিবসেনা, সরানোর ক্ষমতা নেই উদ্ধব ঠাকরের'
আসল শিবসেনা উদ্ধব গোষ্ঠী নয়, একনাথ গোষ্ঠী, বললেন মহারাষ্ট্র বিধানসভার অধ্যক্ষImage Credit: TV9 Bangla
| Updated on: Jan 10, 2024 | 7:02 PM
Share

মুম্বই: বড় জয় একনাথ শিন্ডের। একনাথ গোষ্ঠীই আসল শিবসেনা বলে সাফ জানালেন মহারাষ্ট্র বিধানসভার অধ্যক্ষ রাহুল নারওয়েকর। কারণ তাঁর প্রতিই সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কদের সমর্থন রয়েছে। ২০২২-এর জুনে, মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে এবং ৪০ শিবসেনার বিধায়ক, উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন। বিধানসভায় দুই গোষ্ঠীই একে অপরের বিধায়কদের অযোগ্য বলে ঘোষণা করার আবেদন করেছিল। কিন্তু, এদিন বিধানসভার অধ্যক্ষ রাহুল নারওয়েকর জানান, ১৯৯৯ সালের শিবসেনার সংবিধান অনুযায়ী, দলের প্রধান হিসেবে একনাথ শিন্ডে কেন, দলের কোনও নেতাকেই বরখাস্ত করার ক্ষমতা নেই উদ্ধব ঠাকরের।

১৯৯৯ সালের ওই দলীয় সংবিধান ২০১৮ সালে সংশোধন করা হয়েছিল। তাতে দলের নেতাদের বরখাস্ত করার ক্ষমতা ফের দলীয় প্রধানের হাতে ফিরেছিল। কিন্তু, বিধানসভার অধ্যক্ষ রাহুল নারওয়েকর এদিন জানান, ১৯৯৯ সালের সংবিধানটিই বিবেচনা করা হবে। কারণ, ২০১৮ সালের সংশোধিত সংবিধানটি নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া হয়নি। ওই সংবিধানের ভিত্তিতে, পরিষদীয় দলনেতা একনাথ শিন্ডেকে সরানোর ক্ষমতা ছিল না শিবসেনা সভাপতির। ২০১৮ বা ২০১৩ সালে শিবসেনায় কোনও সাংগঠনিক নির্বাচনও হয়নি বলে জানান তিনি।

২০২২-তে একনাথ শিন্ডেদের সেই বিগ্রোহে মহা বিকাশ আগাড়ি সরকারের পতন ঘটেছিল। এরপর, একনাথ শিন্ডে শিবির বিজেপির সঙ্গে হাত মেলায়। বিজেপির সমর্থনে মুখ্যমন্ত্রী হন একনাথ। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা দেবেন্দ্র ফড়ণবীস হন উপমুখ্যমন্ত্রী। এর পরপরই, মহারাষ্ট্র বিধানসভার স্পিকারের কাছে দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় বিরোধী গোষ্ঠীর বিধায়কদের অযোগ্য ঘোষণা করার আবেদন করেছিল দুই শিবিরই। ২০২৩-এর মে মাসে সুপ্রিম কোর্ট এই আবেদনের দ্রুত বিচার করার নির্দেশ দিয়েছিল অধ্যক্ষ রাহুল নারওয়েকরকে। এদিন তারই রায় শোনালেন অধ্যক্ষ।

আগেই অবশ্য শিবসেনা দলের নাম এবং তাদের নির্বাচনী প্রতীক তীর-ধনুক ব্যবহারের অনুমতি শিন্ডে শিবিরকে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। আর উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠীকে প্রতীক হিসাবে জ্বলন্ত মশাল ব্যবহার করতে বলা হয়। তাঁর গোষ্ঠীর নাম হয় শিবসেনা (উদ্ভব ঠাকরে)। ২০২৪-এর দ্বিতীয়ার্ধেই মহারাষ্ট্রে বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে রয়েছে লোকসভা নির্বাচন। এই জোড়া নির্হবাচনের আগে, এদিনের রায় উদ্ধব গোষ্ঠীর জন্য অবশ্যই বড় ধাক্কা।

Follow Us