CPM-TMC: ‘মানুষ খোলস ছেড়ে বেরচ্ছেন’, ঝাঁকে-ঝাঁকে যোগদান CPM-এ
North 24 pargana: উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁ বিধানসভার সোনাপুকুর-শংকরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝুজুরগাছা এলাকা। সেখানে সিপিএম-এর তরফে একটি সভার আয়োজন করা হয়। সেই সভায় তৃণমূল ছেড়ে প্রায় শতাধিক কর্মী-সমর্থক যোগ দেন। তৃণমূল ত্যাগী কর্মী-সমর্থক এবং সিপিআইএম নেতৃত্বের দাবি,তৃণমূলের এতদিন ধরে দুর্নীতি করেছে।

মিনাখাঁ: তৃণমূল এখন দুই ভাগে বিভক্ত। এক, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির, দুই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের শিবির। দলের তাবড়-তাবড় মাথারা মমতাকে ছেড়ে গিয়েছেন। হাত ধরেছেন ঋতব্রতর। পড়ে থাকার মধ্যে রয়েছেন গুটি কয়েক। কিন্তু নিচুতলার কর্মীরা? তাঁরা কী করছেন? তাঁরা কোন শিবিরে? এই নিয়ে বিস্তর জল্পনার মধ্যে ফের ভাঙন ঘাসফুল শিবিরে। তৃণমূলের ঘর ভাঙলেও বাড়তি ‘অক্সিজেন’ ঢুকল সিপিএম-এর ঘরে। কারণ, সিপিআইএমের নীতি-আদর্শে আস্থা জানিয়ে শতাধিক তৃণমূল সমর্থক যোগ দিলেন সিপিএমে (CPIM)।
উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁ বিধানসভার সোনাপুকুর-শংকরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝুজুরগাছা এলাকা। সেখানে সিপিএম-এর তরফে একটি সভার আয়োজন করা হয়। সেই সভায় তৃণমূল ছেড়ে প্রায় শতাধিক কর্মী-সমর্থক যোগ দেন। তৃণমূল ত্যাগী কর্মী-সমর্থক এবং সিপিআইএম নেতৃত্বের দাবি,তৃণমূলের এতদিন ধরে দুর্নীতি করেছে। দলের প্রতি মানুষের ক্ষোভ রয়েছে। সিপিআইএমের নীতি আদর্শের প্রতি আস্থা রেখে এই যোগদান। তাঁদের মতে,এই ঘটনায় মিনাখাঁ এলাকায় সিপিআইএমের সাংগঠনিক ভিত্তি আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে।
সদ্য CPM-এ যোগদানকারী মণিরুল মোল্লা বলেন, “এখন এই দলে এসে ভাল লাগছে। এতটা সম্মান কোথাও পাইনি।” সিপিএম নেতা রাজু আহমেদ বলেন, “এই মানুষরা আমাদের সঙ্গেই ছিলেন। পরে তৃণমূলের অত্যাচার ভয়ের জন্য সেখানে গিয়েছিলেন। এখন তো তৃণমূল দলটা নেই। তাই এই মানুষগুলি রাস্তা খুঁজছেন। তাই এই সময়ে সব থেকে ভালো আশ্রয় আমাদের লাল পতাকা। এখন কোথাও মানুষ কৃষক সভা, কোথাও সিআইটিউ, কোথাও ছাত্র যুবতেও যোগদান চলেছে। এক কথায় লাল পতাকার তলে সামিল হয়েছে।”
