ED: ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত ইডির, যখন তখন কি আর জিজ্ঞাসাবাদের নোটিস নয়?
Enforcement Directorate: যে কোনও মামলায় স্থানীয় পুলিশের অসহযোগিতা, নিজেদের আধিকারিকের অভাব, পরিকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা ইডির দৈনন্দিন কাজে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সূত্রের খবর, গত কয়েকমাস আগেই ইডির একটি ডিপার্টমেন্টাল সার্কুলারে জানানো হয়েছিল, ইডির ডিরেক্টরের অনুমতি ছাড়া কোনও আইনজীবীকে তলব করা যাবে না।

গুয়াহাটি: এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে কেন্দ্র অপব্যবহার করে। এই অভিযোগ তুলে প্রায়ই সরব হয় বিরোধীরা। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইডির নোটিস পাঠানো নিয়েও আদালতে একের পর এক ধাক্কা খেতে হয়েছে। এই আবহে পাঁচ রাজ্যে ভোটের আগে বড়সড় সিদ্ধান্ত ইডির। অফিসারদের জানিয়ে দেওয়া হল, ভেবেচিন্তে, সবদিক খতিয়ে দেখে পাঠাতে হবে জিজ্ঞাসাবাদের নোটিস। তলবের নোটিস পাঠানো ঘিরে কোর্টে একের পর এক ধাক্কার প্রেক্ষিতেই সতর্ক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। গুয়াহাটিতে ইডির ত্রৈমাসিক সম্মেলনে সংস্থার আধকারিকদের উদ্দেশ্যে এই নির্দেশ জারি করেছেন ইডি প্রধান রাহুল নবীন।
যেকোনও মামলার তদন্তে ইডির দীর্ঘসূত্রিতা নিয়েও বিভিন্ন সময় প্রশ্ন উঠেছে। গুয়াহাটিতে ত্রৈমাসিক সম্মেলনে দীর্ঘদিন যাবৎ চলা তদন্ত দ্রুত শেষ করার নির্দেশও দিয়েছেন ইডি ডিরেক্টর। তাঁর স্পষ্ট নির্দেশ, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের মোট ৫০০টি তদন্তাধীন কেস সুনির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে শেষ করতে হবে। নতুন কেস এক থেকে দুই বছরের সময়সীমার টার্গেট নিয়ে শেষ করতে হবে।
ত্রৈমাসিক সম্মেলনে স্বীকার করা হয়েছে, ইডির তদন্তাধীন মামলা দীর্ঘদিন যাবৎ নিষ্পত্তি না হওয়া সংস্থার ইমেজের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। প্রসঙ্গত, এই ইস্যুকে কাজে লাগিয়ে একাধিক হেভিওয়েট নেতা জামিন পেয়ে গিয়েছেন। এ নিয়ে একাধিক কোর্টেও প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে ইডিকে।
এক্ষেত্রে যে কোনও মামলায় স্থানীয় পুলিশের অসহযোগিতা, নিজেদের আধিকারিকের অভাব, পরিকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা ইডির দৈনন্দিন কাজে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সূত্রের খবর, গত কয়েকমাস আগেই ইডির একটি ডিপার্টমেন্টাল সার্কুলারে জানানো হয়েছিল, ইডির ডিরেক্টরের অনুমতি ছাড়া কোনও আইনজীবীকে তলব করা যাবে না।
