Union Budget 2026: ‘উন্মুক্ত’ শেয়ার বাজার, বাজেটেই বড় ঘোষণা করে দিলেন অর্থমন্ত্রী
FM Nirmala Sitharaman: এদিন তিনি বলেন, 'ভারতের বাইরে বসবাসকারী ব্যক্তিদের পোর্টফোলিও বিনিয়োগ প্রকল্পের মাধ্যমে ইক্য়ুইটিতে বিনিয়োগ করার অনুমতি দেওয়া হবে।' এছাড়াও ব্যক্তিগত সীমা ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই ধরনের বিনিয়োগের জন্য সম্মিলিত সীমা ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

নয়াদিল্লি: ট্রাম্পের শুল্ক হুঁশিয়ারি, বিশ্ববাজারে অনিশ্চয়তার পাহাড় — সব মিলিয়ে বারংবার ব্য়াকফুট পড়তে হয়েছে ভারতের শেয়ার বাজারকে। বিদেশি বিনিয়োগ বা FDI টানতে হিমশিম খেতে হয়েছে শেয়ার বাজারকে। এই পরিস্থিতিতে বড় সিদ্ধান্ত গ্রহণ কেন্দ্রের। রবিবার বাজেট অধিবেশন থেকে বড় ঘোষণা করে দিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।
রবিবার ভারতীয় শেয়ার বাজার এবং তাতে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে মোট তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন –
- কর্পোরেট বন্ডের জন্য বাজার নির্মাণ-কাঠামো তৈরি
- বিদেশিদের ভারতীয় শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের পথ খুলে দেওয়া
- বাড়ল শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত সংস্থায় বিদেশিদের অংশীদারিত্ব গ্রহণের সীমা
১৯৯১ সালের জুলাই মাসের ভারতের তৎকালীন অর্থমন্ত্রী মনমোহন সিং বিশ্বের কাছে দেশের বাজার উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন। জুলাইয়ের অন্তর্বর্তী বাজেটের তাঁর নেওয়া সেই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত বদলে দিয়েছিল দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো। অবসান ঘটেছিল লাইসেন্স রাজের। ভারতে বিনিয়োগ বাড়িয়েছিল বিদেশি সংস্থাগুলি। এবার প্রায় সেই ঘটনারই পুনরাবৃত্তি। বিদেশিদের জন্য উন্মুক্ত হল ভারতের শেয়ার বাজার।
এদিন তিনি বলেন, ‘ভারতের বাইরে বসবাসকারী ব্যক্তিদের পোর্টফোলিও বিনিয়োগ প্রকল্পের মাধ্যমে ইক্য়ুইটিতে বিনিয়োগ করার অনুমতি দেওয়া হবে।’ এছাড়াও ব্যক্তিগত সীমা ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই ধরনের বিনিয়োগের জন্য সম্মিলিত সীমা ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই পরিবর্তনের ফলে ব্যক্তিগত বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ভারতীয় সংস্থাগুলিতে সরাসরি অংশীদারি হতে পারবেন।
তা হলে এতদিন কি বিদেশিরা ভারতীয় শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করতেন না? ঠিক তা নয়, বরং এই বিনিয়োগের পথটা ছিল বেশ কঠিন। FPI বা NRI রুট ব্যবহার করে ভারতীয় শেয়ার বাজার বিনিয়োগ ছিল একটা জটিল কাজ। যা সহজ করে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। ফলত, আগের তুলনায় দেশের শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ আগামীতে বাড়বে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
