Zomato-Swiggy-র কর্মীরাও এবার পাবেন হেলথ-লাইফ ইন্সুরেন্স, আর কী কী সুবিধা মিলবে?

Code on Social Security (Central) Rules, 2025: গিগ ওয়ার্কারদের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। অর্থাৎ তারা স্বাস্থ্য, জীবন ও অ্যাক্সিডেন্ট ইন্সুরেন্স পাবেন। এর জন্য গিগ ওয়ার্কারদের কোনও একটি এগ্রিগেটর অর্থাৎ অ্যাপের অধীনে অন্তত ৯০ দিন কাজ করতে হবে। 

Zomato-Swiggy-র কর্মীরাও এবার পাবেন হেলথ-লাইফ ইন্সুরেন্স, আর কী কী সুবিধা মিলবে?
ফাইল চিত্র।Image Credit source: Surjeet Yadav/MB Media/Getty Images

|

Jan 02, 2026 | 4:50 PM

নয়া দিল্লি: নতুন বছরের শুরুতেই ভাল খবর। অসংগঠিত ক্ষেত্রে যারা কাজ করেন অর্থাৎ জ্যোমাটো, সুইগি বা অন্য কোনও ডেলিভারি কিংবা অন্য ধরনের কাজ করেন, যার নির্দিষ্ট কোনও বেতন নেই, তাদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার বড় পদক্ষেপ করতে চলেছে।  কেন্দ্রীয় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রকের তরফে কোড অন সোশ্যাল সিকিউরিটি (সেন্ট্রাল) রুলস ২০২৫-র খসড়া নিয়ম প্রকাশ করা হল।

কাজের প্রচণ্ড চাপ, অস্বাভাবিক ডেডলাইন কমাতে এবং সামাজিক সুরক্ষার দাবিতে ২৫ ডিসেম্বর ও ৩১ ডিসেম্বর দেশজুড়ে স্ট্রাইক ডেকেছিল অনলাইন ডেলিভারি এজেন্ট ও গিগ ওয়ার্কাররা। তবে কেন্দ্র এদের সামাজিক সুরক্ষা দিতে আগেই উদ্যোগ নিয়েছিল। শীতকালীন অধিবেশনেই পাশ করা হয় কোড অন সোশ্যাল সিকিউরিটি (সেন্ট্রাল) রুলস ২০২৫। এর অধীনেই এবার গিগ ওয়ার্কারদের জন্য রেজিস্ট্রেশন ও সামাজিক সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হবে।

কী কী সুবিধার কথা বলা হয়েছে খসড়া প্রস্তাবে?

  • গিগ ওয়ার্কারদের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। অর্থাৎ তারা স্বাস্থ্য, জীবন ও অ্যাক্সিডেন্ট ইন্সুরেন্স পাবেন। এর জন্য গিগ ওয়ার্কারদের কোনও একটি এগ্রিগেটর অর্থাৎ অ্যাপের অধীনে অন্তত ৯০ দিন কাজ করতে হবে।
  • যারা একাধিক প্ল্যাটফর্মে কাজ করেন অর্থাৎ খাবার ডেলিভারি ও যাত্রী বহনের পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত, তাদের ক্ষেত্রে একটি অর্থবর্ষে অন্তত ১২০ দিন কাজ করতে হবে।
  • যেদিন থেকে গিগ ওয়ার্কাররা আয় শুরু করবেন, তা সে যত টাকাই হোক না কেন, সেদিন থেকেই তাঁকে ওই অ্যাপ বা এগ্রিগেটরের সঙ্গে যুক্ত বলে গণ্য করা হবে।
  • যদি কেউ একই দিনে একাধিক প্ল্যাটফর্মে কাজ শুরু করেন, তাহলে তা আলাদা দুটি দিন হিসাবে গণ্য করা হবে। অর্থাৎ কেউ যদি একদিনে সুইগি ও জ্যোমাটোতে কাজ শুরু করেন, তাহলে অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে দুইদিন হিসাবে গণ্য করা হবে।
  • ১৬ বছরের উর্ধ্বে সমস্ত গিগ ওয়ার্কারদের আধার নম্বর ও অন্যান্য নথি দিয়ে রেজিস্টার করতে হবে।
  • এগ্রিগেটর অর্থাৎ যে অ্যাপে কাজ করছেন, তারাই গিগ ওয়ার্কারদের তথ্য সেন্ট্রাল পোর্টালে আপলোড করবেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে ইউনিভার্সাল অ্যাকাউন্ট নম্বর তৈরি হবে।
  • প্রত্য়েক রেজিস্টার কর্মীদের আইডেনটিটি কার্ড দেওয়া হবে। ডিজিটাল ও ফিজিক্যাল- দুই ধরনের আইডি কার্ডই দেওয়া হবে, তাতে ছবি ও অন্যান্য ডিটেইল থাকবে। এই কার্ড সেন্ট্রাল পোর্টাল থেকে ডাউনলোড করা যাবে।
  • কেন্দ্রীয় সরকার একজন অফিসারকে নিয়োগ করবেন যিনি এগ্রিগেটরদের থেকে কন্ট্রিবিউশন সংগ্রহ করবেন। এই অর্থ সোশ্যাল সিকিউরিটি ফান্ড হিসাবে রাখা হবে, যা গিগ ওয়ার্কার বা প্ল্যাটফর্ম ওয়ার্কারদের জন্য বরাদ্দ করে রাখা হবে।
  • ৬০ বছর হলেই এই কর্মীরা সোশ্যাল সিকিউরিটি স্কিমের অধীনে সুবিধা পাবেন। এছাড়া যদি ৯০ দিনের বেশি যদি কোনও এগ্রিগেটরের সঙ্গে কাজ না করেন, কিংবা একাধিক অ্যাপে ১২০ দিনের বেশি সময় ধরে কাজ না করেন, তাহলে সেই স্কিমের অধীনে আর্থিক সহায়তা সহ যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
  • কেন্দ্রীয় সরকার গিগ ওয়ার্কার ও প্ল্যাটফর্ম ওয়ার্কারদের মধ্যে থেকে পাঁচ জন সদস্যকে মনোনীত করবে, তারা রোটেশন ভিত্তিতে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের কর্মীদের প্রতিনিধিত্ব করবে।