AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

FDI in Defence Sector: শত্রুদের ‘সবক’ শেখাতে প্রতিরক্ষা খাতে ঢুকবে আরও বিদেশি বিনিয়োগ? বড় সিদ্ধান্তের পথে সরকার

India's Defence Sector: সূত্রের খবর, ডিপার্টমেন্ট ফর প্রোমোশন অব ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড ইন্টারনাল ট্রেড (DPIIT)  শীঘ্রই  প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বর্তমানে যে সংস্থাগুলির কাছে লাইসেন্স রয়েছে, তাদের জন্য এফডিআই-র সীমা শিথিল করতে পারে। সরকারের এই প্রস্তাবিত পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে প্রতিরক্ষা শিল্পে বিদেশি বিনিয়োগ আরও বাড়বে।

FDI in Defence Sector: শত্রুদের 'সবক' শেখাতে প্রতিরক্ষা খাতে ঢুকবে আরও বিদেশি বিনিয়োগ? বড় সিদ্ধান্তের পথে সরকার
ফাইল চিত্রImage Credit: PTI
| Updated on: Jan 17, 2026 | 2:56 PM
Share

নয়া দিল্লি: চারিদিকে বাড়ছে শত্রু। এই পরিস্থিতিতে দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও মজবুত করা অত্যন্ত জরুরি। এবার প্রতিরক্ষা খাত মজবুত করতে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের। সূত্রের খবর, প্রতিরক্ষা খাতে বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ বা ফরেন ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট (FDI) নীতিতে আরও উদারতা আনার পথে হাঁটতে চলেছে কেন্দ্র সরকার।

CNBC-TV18- এর সূত্র অনুযায়ী, ডিপার্টমেন্ট ফর প্রোমোশন অব ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড ইন্টারনাল ট্রেড (DPIIT)  শীঘ্রই  প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বর্তমানে যে সংস্থাগুলির কাছে লাইসেন্স রয়েছে, তাদের জন্য এফডিআই-র সীমা শিথিল করতে পারে।

সূত্রের খবর, বর্তমানে যেসব প্রতিরক্ষা সংস্থার লাইসেন্স আগে থেকেই রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এফডিআই-র সীমা ৪৯ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭৪ শতাংশ করার বিষয়টি বিবেচনা করছে সরকার। এই পদক্ষেপ কার্যকর হলে নতুন ও পুরনো- উভয় ধরনের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এফডিআই নীতিতে সমতা আসবে।

উল্লেখ্য, এর আগে সরকার নতুন লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলোর জন্য এফডিআই নীতি উদার করেছিল। সেই নীতির আওতায় ৭৪ শতাংশ পর্যন্ত এফডিআই অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পুরনো লাইসেন্সধারী সংস্থাগুলোর ক্ষেত্রে এই সুবিধা তখন উপলব্ধ ছিল না।

প্রতিরক্ষা খাতে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করার লক্ষ্যেই ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এফডিআই নীতিতে বড়সড় সংস্কার করা হয়। সেই সময় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে ৭৪ শতাংশ পর্যন্ত এফডিআই স্বাভাবিক রুটে এবং তার বেশি হলে সরকারি অনুমোদনের মাধ্যমে বিনিয়োগ করা যাবে।

সরকারের এই প্রস্তাবিত পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে প্রতিরক্ষা শিল্পে বিদেশি বিনিয়োগ আরও বাড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এর ফলে দেশীয় উৎপাদন, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়তে পারে।