Hormuz Crisis Strains LPG Crisis: আমেরিকা-রাশিয়া পাঠাবে রান্নার গ্যাস? পথ খুঁজছে ভারত! জোর দিচ্ছে বিকল্প জ্বালানিতে

LPG Crisis in India: বলে রাখা প্রয়োজন, হরমুজ প্রণালী বন্ধের পর বাণিজ্যিক স্তরে এলপিজি সংকট শুরু হয়েছিল এই মুম্বই থেকেই। কয়েকদিনের মাথায় বন্ধ হয়ে যায় বাণিজ্য শহরের ২০ শতাংশ হোটেল-রেস্তরাঁ। কিন্তু আচমকা এই পিএনজি-তে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়ার কারণ কী?

Hormuz Crisis Strains LPG Crisis: আমেরিকা-রাশিয়া পাঠাবে রান্নার গ্যাস? পথ খুঁজছে ভারত! জোর দিচ্ছে বিকল্প জ্বালানিতে
প্রতীকী ছবিImage Credit source: Getty Image

| Edited By: Avra Chattopadhyay

Mar 17, 2026 | 11:05 AM

নয়াদিল্লি: তৈরি হয়েছে বিকল্প পথ। কিন্তু হরমুজ-সংকট থেকে রেহাই পেতে এটাই একমাত্র পন্থা নয়। তাই সেই বিষয়টি মাথায় রেখে এবার পিএনজি বা পাইপ দ্বারা সরবরাহ প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহারে জোর দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। দেশের অন্দরে জ্বালানির জোগান স্বাভাবিক রাখতেই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক।

এদিন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের যৌথ সচিব সুজাতা শর্মা জানান, “বেশ কয়েকদিন ধরেই এই বিষয়ে মন্ত্রকের অন্যান্য আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা চলছিল। দেশের যে সকল এলাকায় পাইপের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের ব্যবস্থা রয়েছে, আমরা সেই সকল এলাকার বাসিন্দাদের কাছে আবেদন জানাব এলপিজির পরিবর্তে পিএনজি ব্যবহার করুন।”

ইতিমধ্য়েই প্রথমবার পিএনজি ব্যবহারকারীদের জন্য ভর্তুকির ঘোষণা করেছে সরবরাহকারী সংস্থাগুলি। যৌথ সচিবের কথায়, “ইন্দ্রপ্রস্থ গ্যাস লিমিটেড ঘোষণা করেছে, কেউ যদি তাঁদের থেকে ৩১ মার্চের আগে এই প্রাকৃতিক গ্যাসের কানেকশন করান, তা হলে তাদের প্রথমেই ৫০০ টাকার গ্যাস বিনামূল্যে দেওয়া হবে।” তবে শুধুই ইন্দ্রপ্রস্থ নয়, GAIL এবং Bharat Petroleum Corporation Limited-এর মতো সংস্থাগুলি এরকম একাধিক ছাড়ের ঘোষণা করেছে। এমনকি, মুম্বইয়ে যাঁরা বাণিজ্যিক পিএনজি নেবেন, তাঁদের কোনও ‘সিকিউরিটি ডিপোজ়িট’ দিতে হবে না বলে ঘোষণা করেছে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি।

বলে রাখা প্রয়োজন, হরমুজ প্রণালী বন্ধের পর বাণিজ্যিক স্তরে এলপিজি সংকট শুরু হয়েছিল এই মুম্বই থেকেই। কয়েকদিনের মাথায় বন্ধ হয়ে যায় বাণিজ্য শহরের ২০ শতাংশ হোটেল-রেস্তরাঁ। কিন্তু আচমকা এই পিএনজি-তে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়ার কারণ কী? গত কয়েকদিন কেন্দ্র সরকার নানা তথ্য তুলে ধরে দেশে এলপিজি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার দাবি করেছে। দাবি করেছে, পেট্রোপণ্য পূর্ণ জাহাজ আসার। দাবি করেছে, গত ১৫ দিনে এলপিজি উৎপাদন ৩৬ শতাংশ বৃদ্ধির। তা হলে তারপরেও কেন পিএনজি-তে বাড়তি জোর?

সরকারের তরফে চূড়ান্ত কোন তথ্য দেওয়া না হলেও সূত্রের খবর, টান পড়ছে ভারতের এলপিজি রিজার্ভে। ভারতের মোট এলপিজি চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশ আমদানির ওপর নির্ভরশীল। যার আবার বেশির ভাগটাই আসে এই হরমুজ প্রণালী হয়ে। সুতরাং, এলপিজি নিয়ে উদ্বেগ যে নেই, তা নয়। অবশ্য নয়াদিল্লি সূত্রে খবর, হরমুজ বন্ধ থাকার ফলে ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি বিকল্প রুট তৈরি করে ফেলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। পাশাপাশি, আমেরিকা, নরওয়ে, কানাডা এবং রাশিয়ার থেকেও চলছে এলপিজি আমদানির চেষ্টা।

Follow Us