AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

CPIM Win: কোন জাদুবলে সিপিএম সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে জিতল মরুভূমিতে?

CPIM: নোখা নগরপালিকায় সিপিএম জয়ী হলেও, রাজস্থানের পুরভোটে ভালো ফল করেছে বিজেপি। মোট ৪,১৭৯ আসনে জিতেছে বিজেপি। জয়পুর, কোটা, ভিলওয়ারা ও উদয়পুরের মতো বড় পুরসভাতেও জয় হয়েছে বিজেপির। আগের থেকে আসন সংখ্যাও বাড়িয়েছে তারা।

CPIM Win: কোন জাদুবলে সিপিএম সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে জিতল মরুভূমিতে?
| Updated on: Sep 16, 2026 | 6:33 PM
Share

রাজস্থান: রাজ্যে সাংসদের সংখ্যা মাত্র এক, নেই কোনও বিধায়ক। তারপরও রাজস্থানে ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে সিপিএম (CPIM)। নোখা নগরপালিকার ৪৫টি আসনের মধ্যে ২৯টি ওয়ার্ডে জিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে সিপিএম। বিজেপির প্রাপ্তি ১৩। বিকানের জেলার ওই নগরপালিকা বা পুরসভায়স বিরোধীদের জমি আগেই পোক্ত হয়েছিল। তবে এই প্রথমবার রাজস্থানের মাটিতে কোনও কমিউনিস্ট পার্টি পুরসভা দখল করল। কীভাবে হল এই উত্থান?

৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে মুন্নী দেবী, ৩ নম্বর ওয়ার্ডে মঞ্জু দেবী, ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডে ওমপ্রকাশ, ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে নরেশ, ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডে সুনীল কুমার, ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে মুন্নী লাল, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে জেঠারাম, ৪২ নম্বর ওয়ার্ডে বজরঙলালের মতো সিপিএম প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।

২০২১-এ যখন এই নগরপালিকা বা পুরসভায় ভোট হয়, তাতে ৪৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে বিজেপি জিতেছিল মাত্র ১৫টিতে, বাকি ২৮টি ওয়ার্ডে বিকাশ মঞ্চের  সঙ্গে হাত মিলিয়ে জয়ী হয়েছিল এনসিপি। আর এই আঞ্চলিক মঞ্চ ‘বিকাশ মঞ্চ’-এর নেতা কানহাইয়া লাল ঝাঁওয়ারের প্রভাব এলাকায় সর্বজনবিদিত।

নোখার রাজনীতিতে এবার সেই ঝাঁওয়ারের হাত ধরেই বড় জয় পেল সিপিএম। ‘বিকাশ মঞ্চ’-এর সঙ্গে হাত মিলিয়েই মূলত স্থানীয় রাজনীতিতে ভিত্তি শক্ত করে সিপিএম।

নোখা বিধানসভার বিধায়ক ছিলেন এই কানহাইয়া লাল ঝাঁওয়ার। নির্দল প্রার্থী হিসেবে ২০০৮ সালে জয়ী হয়ে বিধায়ক হয়েছিলেন তিনি। পরে ২০২৩-এর নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন। তারও আগে ১৯৭৪ সালে প্রথমবার কানহাইয়া লাল ঝাঁওয়ার পুরসভার চেয়ারম্যান হয়েছিলেন। ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত তিনি সেই পদে ছিলেন। ১৯৯০ থেকে ১৯৯৪ সালের মধ্যে কানহাইয়া লাল ঝাঁওয়ার দু’বার পুরপ্রধান হন। কিন্তু কানহাইয়া লালের প্রভাব এলাকায় কমেনি। তাঁরই ছেলে নারায়ণ ঝাঁওয়ার নোখা নগরপালিকার চেয়ারম্যান ছিলেন এতদিন।

এদিকে, আবার ওই পরিবারের সদস্য তথা কানহাইয়া লাল ঝাঁওয়ারের আত্মীয়  শ্রীনিবাস ঝাঁওয়ার বিজেপি থেকে লড়েন। একসময় তিনিও এই পুরসভার পুরপ্রধান ছিলেন। এবারও বিজেপির টিকিটে ভোটে লড়েছিলেন তিনি। তবে জিততে পারেননি। অন্যদিকে, বিকাশ মঞ্চ থেকে নারায়ণ ঝাঁওয়ার ফের জিতেছেন। ফলে সিপিএমের বোর্ড তৈরি হলে আবারও পুরপ্রধান হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে নারায়ণের।

তবে সিপিএমের এই জয়ে প্রশ্ন উঠেছে, কংগ্রেস কি তবে কোনও প্রভাবই ফেলতে পারছে না? প্রচারে খামতি থেকে যাওয়াতেই সিপিএমের এই জয়জয়কার বলে মনে করছেন অনেকে।

তবে নোখা নগরপালিকায় সিপিএম জয়ী হলেও, রাজস্থানের পুরভোটে ভালো ফল করেছে বিজেপি। মোট ৪,১৭৯ আসনে জিতেছে বিজেপি। জয়পুর, কোটা, ভিলওয়ারা ও উদয়পুরের মতো বড় পুরসভাতেও জয় হয়েছে বিজেপির। আগের থেকে আসন সংখ্যাও বাড়িয়েছে তারা।

Follow Us