
ইজরায়েলের তৈরি নয়া ক্রুজ মিসাইল পাচ্ছে নৌসেনা। ৩০০ কিলোমিটার পাল্লার ‘আইস ব্রেকার’। শত্রুর এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম একে আটকাতে পারবে না। রোমিও হেলিকপ্টার এখন হয়ে উঠবে কিলার মেশিন। তছনছ হয়ে যাবে শত্রু ঘাঁটি, জঙ্গি ডেরা।
নৌসেনার ‘রোমিও’ দ্রুতই ‘কিলার মেশিন’ হতে চলেছে। সৌজন্যে ইজরায়েলি সংস্থা রাফালের তৈরি ‘আইস ব্রেকার’ মিসাইল। প্রায় শব্দের সমান গতিতে হামলা চালাতে পারে এই ‘লং রেঞ্জ প্রিসিশন গাইডেড’ মিসাইল। বায়ুসেনার পর এবার নৌসেনাও এই মিসাইল পেতে চায়। সূত্রের খবর, নৌসেনার MH-60R রোমিও Sea Hawk helicopter-এ জুড়বে নয়া মিসাইল। জলপথে নজরদারির সময় কোনও বেচাল দেখলেই নিমেষে টার্গেট করা যাবে শত্রুর জাহাজকে। তাও আবার ৩০০ কিলোমিটার দূর থেকেই। AI নির্ভর অটোমেটিক টার্গেট রেকগনিশন থাকায়, এই মিসাইল নিখুঁত হামলা চালাতে পারে। জিপিএস-এর কোনও দরকার নেই। ফলে শত্রুর এয়ার ডিফেন্স নেটওয়ার্ক-এ ঢুকে গেলেও ‘জ্যামিং’- এর আশঙ্কা নেই। ‘আইস ব্রেকার’ মুহূর্তে শত্রুর ঘাঁটি বা জাহাজকে ধ্বংস করে দেবে। এমনি এমনি এই মিসাইলকে সমুদ্রের ‘সাউন্ড কিলার’ বলে না!
কী কী বৈশিষ্ট্য এই মিসাইলের?
নৌসেনার রোমিও সি হক হেলিকপ্টারে ‘হেলফায়ার’ মিসাইল ও ‘টরপেডো’ থাকলেও দূরপাল্লার মিসাইলের অভাব ছিল। DRDO-র মিডিয়াম রেঞ্জের Anti-Ship Missile থাকলেও তার ওজন প্রায় ৬০০ কিলো। তাই এমন কোনও মিসাইল খোঁজা হচ্ছিল যা হালকা ও দূরপাল্লায় হামলা করতে পারে। যাতে নৌসেনার হেলিকপ্টারের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া যায়। ঠিক এই কারণেই ফিফ্থ জেনারেশনের ‘আইস ব্রেকার’ চায় নৌসেনা। এতে ‘ফ্লাইট পারফরম্যান্স’-এও প্রভাব পড়বে না। আবার বহু দূর থেকে শত্রুর উপরে হামলা করা যাবে। একবার এই মিসাইল জুড়ে গেলে ‘রোমিও’ হেলিকপ্টার হয়ে উঠবে ‘শিপ কিলার’। সূত্রের খবর, রাফালের সঙ্গে ভারতীয় সংস্থা ‘ভারত ডায়নামিক্স লিমিটেড’-এর চুক্তি সই হয়ে গেছে। চলতি বছরের মাঝামাঝি সময় থেকে উৎপাদন শুরু হয়ে যাবে। রোমিও সি-হক ছাড়াও ‘তেজস’-এর মতো লাইট কমব্যাট এয়ারক্রাফটেও দিশি ‘আইস ব্রেকার’ জুড়তে পারে।