Akshardham Temple: অক্ষরধাম মন্দিরে ধুমধাম করে পালিত স্বাধীনতা দিবস, যুব প্রজন্মকে বিশেষ বার্তা
Akshardham Temple Independence Day Celebration: গুরুহরি মহন্ত স্বামী মহারাজ সকলকে ঐক্য, সম্প্রীতি ও রাষ্ট্রসেবার ভাবনা নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার আশীর্বাদ দেন। তিনি ভারতের ধারাবাহিক অগ্রগতি, শান্তি, সমৃদ্ধি ও বিশ্বকল্যাণের জন্য প্রার্থনা করেন। দেশের স্বাধীনতার জন্য নিজেদের প্রাণ উৎসর্গ করা বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁদের আত্মত্যাগকে সর্বদা স্মরণ রাখার বার্তাও দেন।

নয়াদিল্লি: দেশের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস। আর সেই স্বাধীনতা দিবস ধুমধাম করে পালিত হল নয়াদিল্লির অক্ষরধাম মন্দিরে। এই উপলক্ষে মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে দেশের স্বাধীনতার জন্য আত্মবলিদান দেওয়া শহিদদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। পাশাপাশি দেশের অখণ্ডতা, ঐক্য ও উন্নতির জন্য প্রার্থনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সারংপুর মন্দিরের প্রধান দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং BAPS প্রতিষ্ঠানের প্রবীণ সন্ত জ্ঞানেশ্বর স্বামীজি স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতি যোগীজি মহারাজের অনুভূতির কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, দান্ডি অভিযানের সময় মহাত্মা গান্ধীজি যখন শাস্ত্রীজি মহারাজের কাছে দেশের পূর্ণ স্বাধীনতার সংকল্পের কথা প্রকাশ করেছিলেন, তখন শাস্ত্রীজি মহারাজের আজ্ঞায় যোগীজি মহারাজ ভারতের স্বাধীনতার জন্য প্রতিদিন ২৫ মালা জপ করে টানা ১৮ বছর প্রার্থনা করেছিলেন। এই ঘটনা প্রমাণ করে, দেশের স্বাধীনতা ও কল্যাণের জন্য আধ্যাত্মিক সাধনা এবং দেশপ্রেমের অনুভূতি কতটা গভীর হতে পারে।
তিনি বলেন, দেশের প্রকৃত শক্তি তার ঐক্যের মধ্যেই নিহিত। স্বাধীনতার অমৃতকালে দেশকে আরও শক্তিশালী, সমৃদ্ধ ও উন্নত করে তুলতে প্রত্যেক নাগরিককে নিষ্ঠার সঙ্গে নিজের কর্তব্য পালন করতে হবে এবং জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। বিশেষ করে যুব প্রজন্মকে দেশের ঐক্য, অখণ্ডতা ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান তিনি।
এই উপলক্ষে গুরুহরি মহন্ত স্বামী মহারাজ সকলকে ঐক্য, সম্প্রীতি ও রাষ্ট্রসেবার ভাবনা নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার আশীর্বাদ দেন। তিনি ভারতের ধারাবাহিক অগ্রগতি, শান্তি, সমৃদ্ধি ও বিশ্বকল্যাণের জন্য প্রার্থনা করেন। দেশের স্বাধীনতার জন্য নিজেদের প্রাণ উৎসর্গ করা বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁদের আত্মত্যাগকে সর্বদা স্মরণ রাখার বার্তাও দেন। স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ভক্ত ও সন্তরা দেশের প্রতি সমর্পণ, ঐক্য ও সেবার সংকল্প নেন। অনুষ্ঠানের পরিবেশ দেশপ্রেম, আধ্যাত্মিকতা এবং রাষ্ট্রকল্যাণের ভাবনায় পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে।
