
নয়া দিল্লি: সংসদেও উঠল হেমন্ত সোরেনের (Hemant Soren) গ্রেফতারি ইস্যু। কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি তথা রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গে (Mallikarjun Kharge) এ দিন ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্য়মন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের গ্রেফতারি নিয়ে সংসদে সরব হন। প্রশ্ন তোলেন রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়েও। ইন্ডিয়া জোটের (INDIA Alliance) সাংসদরা ওয়াক আউট করেন সংসদ থেকে।
এ দিন বাজেট অধিবেশন শুরু হতেই রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গে ঝাড়খণ্ডের সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের গ্রেফতারি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি দাবি করেন, হেমন্ত সোরেনের গ্রেফতারি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। নতুন মুখ্যমন্ত্রী চম্পাই সোরেনের শপথ নেওয়ার ক্ষেত্রে কেন টাল-বাহানা করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মল্লিকার্জুন খাড়্গে। তিনি বলেন, “ঝাড়খণ্ডে যা ঘটছে, তা সম্পূর্ণ সংবিধান বিরোধী।”
সংসদের বাইরে তৃণমূলের সাংসদ সৌগত রায়ও বলেন, “ইডি যেকোনও অজুহাতে বিরোধী নেতাদের গ্রেফতার করছে। এখনও অবধি ইডি একটাও অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি। এটা ভাল যে ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল চম্পাই সোরেনকে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন। বিজেপি শাসক জোট ভাঙানোর চেষ্টা করছে। এটা বিরোধীদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা।”
শিবসেনা (ইউবিটি)-র সাংসদ প্রিয়ঙ্কা চতুর্বেদীও বলেন, “হেমন্ত সোরেনের গ্রেফতারি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিত।”
অন্যদিকে, রাজ্যসভার সাংসদ পীযূষ গয়াল অভিযোগ করেন, বিপুল আর্থিক দুর্নীতি করা সত্ত্বেও হেমন্ত সোরেনকে সমর্থন করছে কংগ্রেস।
সংসদে এই নিয়ে হই-হল্লা শুরু হতেই হেমন্ত সোরেন ইস্যুতে কংগ্রেস-সহ ইন্ডিয়া জোটের সদস্য বিরোধী দলের সাংসদরা রাজ্যসভা থেকে ওয়াক-আউট করেন।