
নয়াদিল্লি: বিশ্বে বাড়ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-র প্রভাব। আর প্রযুক্তি ও AI ক্ষেত্রে বিশ্বকে নেতৃত্ব দেওয়ার জায়গায় পৌঁছে যাচ্ছে ভারত। এটা সম্ভব হয়েছে প্রগতিশীল নীতি ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্বের ফলে। মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে এআই ভারতশক্তি অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘দূরদৃষ্টিসম্পন্ন’ নীতির উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন তিনি।
২০২৬ সালে ইন্ডিয়া এআই সামিটের প্রস্তুতি সম্মেলনই হল এআই ভারতশক্তি ইভেন্ট। এদিন এই অনুষ্ঠানে নির্মলা বলেন, সরকারের নীতি নির্ধারণ আগের থেকে অনেক দ্রুত হচ্ছে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর কথায়, “অনেক জিনিস খাতাকলমে রয়ে যায়। কিন্তু, দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্বের অধীনে যখন তার বাস্তবায়ন হয়, তখনই প্রকৃত পরিবর্তন হয়।”
এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যেতে মোদী একাধিক নীতি নিয়েছেন বলে নির্মলা মন্তব্য করেন। তারই ফলে ভারত এখন এআই ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক হাব হয়ে উঠেছে।
দিল্লিতে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অন্ধ্র প্রদেশের মুখ্য়মন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু ও সেই রাজ্যের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী নারা লোকেশ। হায়দরাবাদকে আইটি হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চন্দ্রবাবু নাইডু যে ভূমিকা নিয়েছিলেন, তার প্রশংসা করেন নির্মলা। অন্ধ্র প্রদেশে ভারতের প্রথম AI হাব গড়ে ওঠার জন্য আদর্শ জায়গা বলে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী মন্তব্য করেন।
২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে উন্নত দেশে উন্নীত করাই কেন্দ্রের লক্ষ্যে। কেন্দ্রীয় সরকারের সক্রিয়তায় সেই লক্ষ্য় পূরণে দেশ এগিয়ে চলেছে বলে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “সক্রিয় নীতি ও দৃরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্ব ছাড়া ২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারতের স্বপ্ন আমরা পূরণ করতে পারব না। তবে এখন আমাদের যা লক্ষ্য রয়েছে, তাতে সঠিক পথেই এগিয়ে চলেছি আমরা।”
এদিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিকস ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। নির্মলা, চন্দ্রবাবু, নারা লোকেশের সঙ্গে এদিন তাঁকে সেলফিও তুলতে দেখা যায়। সেই ছবি এক্স হ্যান্ডলে শেয়ার করেন নির্মলা।