AI in India: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাতেও ভারত হবে ‘আত্মনির্ভর’, বিশ্ব মঞ্চে ‘মডেল’ তৈরি করলেন অশ্বিনী

Ashwini Vaishnaw on AI Development in India: সংশ্লিষ্ট সম্মেলনে আইএমএফ বা আন্তর্জাতিক অর্থ ভান্ডারের দেওয়া র‌্যাঙ্কিংয়ের প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, 'ভারত আর কোনও দ্বিতীয় শ্রেণির গোষ্ঠীতে নেই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কাজের নিরিখে বিশ্বের প্রথমসারির দেশগুলির একটি আমাদের দেশ।'

| Edited By: Avra Chattopadhyay

Jan 21, 2026 | 6:54 PM

নয়াদিল্লি: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে পুরোদমে কাজ করছে ভারত। আগামী দিনে বিশ্বের প্রযুক্তি মানচিত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পরিসরে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে ভারত তৈরি করেছে সুদূর প্রসারী পরিকল্পনা। সুইৎজ়ারল্যান্ডের দাভোসে আয়োজিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে সেই পরিকল্পনার খসড়া তুলে ধরেছেন কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। এমনকি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার একটি পঞ্চ স্তরীয় ভাবনাকেও তুলে ধরেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট সম্মেলনে আইএমএফ বা আন্তর্জাতিক অর্থ ভান্ডারের দেওয়া র‌্যাঙ্কিংয়ের প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ‘ভারত আর কোনও দ্বিতীয় শ্রেণির গোষ্ঠীতে নেই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কাজের নিরিখে বিশ্বের প্রথমসারির দেশগুলির একটি আমাদের দেশ।’ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কাজের নিরিখে ভারতের এগিয়ে থাকা প্রসঙ্গে একটি যুক্তি তুলে ধরেন তিনি। অশ্বিনী বৈষ্ণবের দাবি, ভারত বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নয়নে মোট পাঁচটি স্তরে কাজ করছে।

কী সেই পঞ্চস্তর?

অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার অর্থাৎ প্রয়োগ, মডেল লেয়ার, চিপ বা কম্পিউট লেয়ার, ডেটা সেন্টার লেয়ার এবং এনার্জি লেয়ার। এই পাঁচটি স্তরের ভাবনা ভারতের নিজের। আন্তর্জাতিক মঞ্চে দাঁড়িয়ে সেই বিষয়টাও স্পষ্ট করেছেন কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী। তাঁর কথায়, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রসঙ্গে ভারতে পরনির্ভর নয়! বরং স্বাধীন এবং আত্মনির্ভর। অন্য কোনও দেশকে অনুসরণ না করে, আমরা নিজেদের স্বাধীন পথ তৈরিতেই মন দিয়েছি।’

কিন্তু এই পাঁচটি স্তর কীভাবে ভারতের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উন্নয়নে কাজ করবে? কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পেশ করা ভাবনা অনুযায়ী, প্রথম স্তর অর্থাৎ অ্যাপ্লিকেশন লেয়ারে একেবারে তৃণমূল স্তর থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে ব্যবহার করা হবে। কৃষি, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং শিক্ষার মতো জনমুখী ক্ষেত্রগুলিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ করবে কেন্দ্র।

মডেল লেয়ার অর্থাৎ দ্বিতীয় স্তরে তৈরি করা হবে আত্মনির্ভরতা। অর্থাৎ বিদেশি বা অন্য কোনও দেশের এআই মডেলকে ভুলে তৈরি হবে নিজেদের এআই মডেল।

চিপ বা কম্পিউট স্তরে এআই প্রশিক্ষণের জন্য অত্যন্ত ব্যয়বহুল গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট বা জিপিইউ (GPU)-এর প্রয়োজন। তাতেই ভর্তুকির ব্যবস্থা করবে কেন্দ্র।

চতূর্থ স্তর বা ডেটা সেন্টার লেয়ারে, দেশের অভ্য়ন্তরীণ তথ্যকে দেশের মধ্য়েই আবদ্ধ রাখা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হবে।

পঞ্চম স্তরে এআই পরিকাঠামোর জন্য বিদ্যুতের জোগান তৈরি করবে ভারত। এক্ষেত্রে ‘শান্তি’ আইনের মাধ্যমে স্মল মডুলার রিঅ্যাক্টর এবং বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করে এআই ব্যবস্থার জন্য ২৪ ঘণ্টা নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্য়বস্থা করবে কেন্দ্র।

নয়াদিল্লি: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে পুরোদমে কাজ করছে ভারত। আগামী দিনে বিশ্বের প্রযুক্তি মানচিত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পরিসরে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে ভারত তৈরি করেছে সুদূর প্রসারী পরিকল্পনা। সুইৎজ়ারল্যান্ডের দাভোসে আয়োজিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে সেই পরিকল্পনার খসড়া তুলে ধরেছেন কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। এমনকি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার একটি পঞ্চ স্তরীয় ভাবনাকেও তুলে ধরেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট সম্মেলনে আইএমএফ বা আন্তর্জাতিক অর্থ ভান্ডারের দেওয়া র‌্যাঙ্কিংয়ের প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ‘ভারত আর কোনও দ্বিতীয় শ্রেণির গোষ্ঠীতে নেই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কাজের নিরিখে বিশ্বের প্রথমসারির দেশগুলির একটি আমাদের দেশ।’ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কাজের নিরিখে ভারতের এগিয়ে থাকা প্রসঙ্গে একটি যুক্তি তুলে ধরেন তিনি। অশ্বিনী বৈষ্ণবের দাবি, ভারত বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নয়নে মোট পাঁচটি স্তরে কাজ করছে।

কী সেই পঞ্চস্তর?

অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার অর্থাৎ প্রয়োগ, মডেল লেয়ার, চিপ বা কম্পিউট লেয়ার, ডেটা সেন্টার লেয়ার এবং এনার্জি লেয়ার। এই পাঁচটি স্তরের ভাবনা ভারতের নিজের। আন্তর্জাতিক মঞ্চে দাঁড়িয়ে সেই বিষয়টাও স্পষ্ট করেছেন কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী। তাঁর কথায়, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রসঙ্গে ভারতে পরনির্ভর নয়! বরং স্বাধীন এবং আত্মনির্ভর। অন্য কোনও দেশকে অনুসরণ না করে, আমরা নিজেদের স্বাধীন পথ তৈরিতেই মন দিয়েছি।’

কিন্তু এই পাঁচটি স্তর কীভাবে ভারতের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উন্নয়নে কাজ করবে? কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পেশ করা ভাবনা অনুযায়ী, প্রথম স্তর অর্থাৎ অ্যাপ্লিকেশন লেয়ারে একেবারে তৃণমূল স্তর থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে ব্যবহার করা হবে। কৃষি, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং শিক্ষার মতো জনমুখী ক্ষেত্রগুলিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ করবে কেন্দ্র।

মডেল লেয়ার অর্থাৎ দ্বিতীয় স্তরে তৈরি করা হবে আত্মনির্ভরতা। অর্থাৎ বিদেশি বা অন্য কোনও দেশের এআই মডেলকে ভুলে তৈরি হবে নিজেদের এআই মডেল।

চিপ বা কম্পিউট স্তরে এআই প্রশিক্ষণের জন্য অত্যন্ত ব্যয়বহুল গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট বা জিপিইউ (GPU)-এর প্রয়োজন। তাতেই ভর্তুকির ব্যবস্থা করবে কেন্দ্র।

চতূর্থ স্তর বা ডেটা সেন্টার লেয়ারে, দেশের অভ্য়ন্তরীণ তথ্যকে দেশের মধ্য়েই আবদ্ধ রাখা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হবে।

পঞ্চম স্তরে এআই পরিকাঠামোর জন্য বিদ্যুতের জোগান তৈরি করবে ভারত। এক্ষেত্রে ‘শান্তি’ আইনের মাধ্যমে স্মল মডুলার রিঅ্যাক্টর এবং বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করে এআই ব্যবস্থার জন্য ২৪ ঘণ্টা নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্য়বস্থা করবে কেন্দ্র।