
নয়াদিল্লি : ভারতের জন্য সুখবর। অবশেষে আটকে থাকা ভারতীয় জাহাজের চলাচল শুরু হল হরমুজ সংলগ্ন এলাকায়। বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, হরমুজ় প্রণালীর পূর্বে আটকে থাকা একটি ভারতীয় জাহাজ ওমানের সোহার বন্দরে পৌঁছচ্ছে। অপর একটি জাহাজ সংযুক্ত আরব আমির শাহীর দিকে রওনা দিয়েছে। অন্যদিকে, ইরানি হামলায় আক্রান্ত জাহাজ সেফ সি বিষ্ণু ১৫ জন নাবিককে নিয়ে ইরাক থেকে ভারতের দিকে রওনা দিয়েছে।
বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ২১ মার্চ ভারতে পৌঁছবে রাশিয়ান তেল ট্যাঙ্কার অ্যাকোয়া টাইটান। ব্যাঙ্গালোর বন্দরে পৌঁছবে জাহাজটি। প্রাথমিকভাবে চিনে যাওয়ার কথা ছিল জাহাজটির। দেশের মোট অপরিশোধিত তেলের চাহিদার প্রায় ৭০ শতাংশ এখন অন্য এলাকা অর্থাৎ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া থেকে আসছে। আমেরিকা থেকেও এলপিজি আমদানি শুরু করেছে ভারত।
বিদেশমন্ত্রকের দাবি, এলপিজির সংকট থাকলেও এই মুহূর্তে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তার মধ্যেও বারবার কালোবাজারির অভিযোগ উঠেছে। তবে, মন্ত্রকের দাবি, এলপিজি মজুতদারি রুখতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬০০০ জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়েছে।
ইতিমধ্যেই এলপিজি নিয়ে ভারতে ঢুকেছে শিবালিক ও নন্দাদেবী। দু’টি ট্যাঙ্কারে ৯০ হাজার মেট্রিক টনের বেশি গ্যাস ভারতে এসে পৌঁছেছে। নন্দা দেবী ট্যাঙ্কার ৪৭ হাজার মেট্রিক টনের বেশি এলপিজি রয়েছে। এদিকে, শিবালিকে এলপিজির পরিমাণ ৪৬ হাজার মেট্রিক টনের বেশি। শেষপর্যন্ত দু’টি ট্যাঙ্কার আসায় আদৌ কি ভারতের কোনও উপকার হবে? উদ্বেগ কি কাটবে? শিপিং কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার মালিকানাধীন জাহাজটিতে প্রায় ৩৩ লাখের বেশি ১৪.২ কেজি সিলিন্ডার রয়েছে। অর্থাৎ ওই জাহাজে যত এলপিজি এসেছে, তাতে প্রায় ৩৩ লাখের বেশি ঘরোয়া সিলিন্ডার ভরানো যায়। অন্যদিকে, শিবালিকে ঘরোয়া সিলিন্ডার রয়েছে ৩২ লক্ষ ৪০ হাজার। সেক্ষেত্রে ৩২ লাখের বেশি ঘরোয়া সিলিন্ডার ভরানো যায়।
এদিকে,পিএনজি ব্যবহারের উপর জোর দিয়েছে কেন্দ্র। পিএনজি ব্যবহারকারীদের জন্য ভর্তুকির ঘোষণা করেছে সরবরাহকারী সংস্থাগুলি। যৌথ সচিবের কথায়, “ইন্দ্রপ্রস্থ গ্যাস লিমিটেড ঘোষণা করেছে, কেউ যদি তাঁদের থেকে ৩১ মার্চের আগে এই প্রাকৃতিক গ্যাসের কানেকশন করান, তা হলে তাদের প্রথমেই ৫০০ টাকার গ্যাস বিনামূল্যে দেওয়া হবে।”