
চার রাজ্যের মধ্যে কেরলেরও ভাগ্যপরীক্ষা আজ। এলডিএফ ও ইউডিএফের মধ্যে প্রধান লড়াই হলেও মেট্রোম্যান ই শ্রীধরনকে সামনে রেখে এ বার নতুন প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে উঠে এসেছে বিজেপিও। এক দফাতেই ১৪০টি আসনে ভোট গ্রহণ পর্ব সাড়া হয়েছে। এ বার অপেক্ষা ফলাফলের। মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন, কংগ্রেস নেতা ওম্মেন চণ্ডী, কে সুরেন্দ্রন সহ মোট ৯৫৭ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হবে আজ। নির্বাচনী ফলের যাবতীয় আপডেট দেখে নিন এক নজরে-
কেরলে অক্ষতই রইল লাল দুর্গ। ৯৪টি আসনে এগিয়ে রয়েছে শাসক দল এলডিএপ, অন্যদিকে ৩৯টি আসন নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে কংগ্রেস। বিজেপির দখলে রয়েছে মাত্র চারটি আসন।
মাট্টানুর বিধানসভা আসন থেকে জয়ী হলেন কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা এলডিএফ নেত্রী কেকে শৈলজা। ফলাপ ঘোষণার পরই তিনি বলেন, “কেরলে বিধানসভা নির্বাচনে এলডিএফ বিপুল সংখ্যায় জয়লাভ করছে। এরজন্য আমরা কেরলবাসীর কাছে কৃতজ্ঞ। “
২০১৬ সালের নির্বাচনে কেরলে বিধানসভা নির্বাচনে একটিমাত্র আসন পেয়েছিল বিজেপি। এ বারে তাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১০০। তবে আপাতত মাত্র চারটি আসনে এগিয়ে রয়েছেন তারা। অন্যদিকে বাম দুর্গ যে অক্ষতই থাকবে, তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে গণনাফল। কেরলে মোট ৮৬টি আসনে এগিয়ে রয়েছে এলডিএফ, কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ৪৫টি আসনে।
কেরলে এলডিএফের এগিয়ে থাকায় যারপরনাই খুশি বাম নেতা-সমর্থকরা। এই বিষয়ে সিপিআই(ওম) নেতা প্রকাশ কারাট বলেন, “এটি অত্যন্ত উলি্লেখযোগ্য জয়। বিগত ৪০ বছরে কোনও সরকার পরপর দুইবারের জন্য নির্বাচিত হয়নি। এতেই বোঝা যাচ্ছে যে কেরলের মানুষ পিনারাই বিজয়নের সরকারের কাজকে সাধুবাদ দিয়েছেন। যেভাবে তারা বন্যা, করোনা মোকাবিলা করেছেনএবমং সাধারণ মানুষের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করেছেন, তারই ফল মিলছে। “
নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ১১৬টি আসনের মধ্যে সিপিআই(এম) ৪৬টি আসনে এবং কংগ্রেস ২০টি আসনে এগিয়ে রয়েছে।
কোন আসনে এগিয়ে রয়েছে কোন দল?
ভোট গণনা শুরুর দুই ঘণ্টা কাটতেই ধীরে ধীরে স্পষ্ট হচ্ছে ভোটের ফলাফল। জানা গিয়েছে, গণনার প্রথম পর্বে এগিয়ে রয়েছেন মুখ্য়মন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী কেকে শৈলজা। এছাড়াও কংগ্রেস নেতা ওম্মান রেড্ডিও নিজের আসনে এগিয়ে রয়েছেন।
পিনারাই বিজয়নের নেতৃত্বে এলডিএফ-ই পুনরায় কেরলের ক্ষমতায় আসতে চলেছে, এমনই ইঙ্গিত মিলছে ভোট গণনার এক ঘণ্টার মধ্যেই। আপাতত ১৪০টি আসনের মধ্যে ৮০ টি আসনেই এগিয়ে রয়েছে এলডিএফ।
কেরলে গণনার শুরুতেই মেট্রোম্যান ই শ্রীধরন এগিয়ে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। পোস্ট্যাল ব্যালটের গণনা অনুযায়ী প্রায় ১৪০০ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী ই শ্রীধরন। তিনিই বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী। কেরলে আপাতত ৮১টি আসনে এলএলডিএফ, ৫৫টি আসনে ইউডিএফ এগিয়ে রয়েছে।
ভোট গণনার শুরুতেই এগিয়ে রয়েছে এলডিএফ। পোস্ট্যাল ব্যালটের গণনা শুরু হতেই জানা গিয়েছে, আপাতত ২০টি আসনে এগিয়ে রয়েছে এলডিএফ, ১৪টি আসনে এগোচ্ছে কংগ্রেস। বিজেপি এখনও ছাপ রাখতে পারেনি নির্বাচনের ফলে।
সকাল আটটা বাজতেই চার রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু হল। ইদিক্কিতে ইতিমধ্যেই পোস্টাল ব্যালট গণনা শুরু হয়ে গিয়েছে।
কেরলে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা হবে আজ। তারই আগে সকাল সকাল ঈশ্বরের আশির্বাদ নিতে পুথুপাল্লি চার্চে গেলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওম্মেন চান্ডী। তিনি এই আসন থেকেই এ বার বিধানসভা নির্বাচনে লড়েছেন।
কেরলের তিরুবনন্তপুরমে ভোটগণনা শুরুর আগে একে একে বিভিন্ন স্ট্রং রুম, যেখানে ব্যালট বক্সগুলি সংরক্ষিত হয়েছে, তা খোলা হল।
দেশের একমাত্র অবশিষ্ট বাম দূর্গ কেরল। মূলত বামেদের সঙ্গে কংগ্রেসের লড়াই এই রাজ্যে। TV9 বাংলা এবং পোলস্ট্র্যাটের করা বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, ১৪০ বিধানসভা আসনের মধ্যে ৭০ থেকে ৮০ টি আসন পিনারাই বিজয়নের ঝুলিতে যেতে পারে। কংগ্রেস সেখানে পেতে পারে ৫৯ থেকে ৬৯ টি আসন। বিজেপি পেতে পারে বড়জোড় ২ টি আসন।