
মুম্বই: মুম্বই থেকে বারামতি যাচ্ছিলেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার। বিমান অবতরণের সময় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় পাইলটের সঙ্গে এটিসির। তারপরই এই দুর্ঘটনা। মহারাষ্ট্র পুলিশ প্রশাসনের তরফে প্রাথমিকভাবে এই তথ্যই জানানো হয়। বারামতিতে ব্যক্তিগত এবং প্রশাসনিক কাজ ছিল অজিত পাওয়ারের। ছিল সভা। বারামতিতেই ৪টি জনসভা করার কথা ছিল তাঁর। এদিন বিকেলেই ফের ফিরতেন মুম্বই। খবর তাঁর দলের সূত্রে। জেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রচারের জন্যই বারামতিতে যাচ্ছিলেন তিনি।
শুরুতে খবর মিলছিল গুরুতর জখম হয়েছেন তিনি। এখন সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, মৃত্যু হয়েছে তাঁর। তিনি সহ মোট পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। কিছু সময়ের মধ্যে ডিজিসিএ-র তরফ থেকে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীস বলেন, “এই ধরনের জননেতাকে হারানো, আমাদের সকলের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। ব্যক্তিগতভাবে উনি আমার কাছে একজন দক্ষ নেতা ও বন্ধুও। আমরা দুজনে একসঙ্গে খারাপ পরিস্থিতিতেও কাজ করেছি।”
চাটার্ড বিমানে জনসভায় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন তিনি। সকাল ৮ টা ৪৫ মিনিট নাগাদ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বিমানটি। সূত্রের খবর, দৃশ্যমানতা খুবই কম ছিল। তার জেরেই এ ঘটনা কিনা তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। কোনও যান্ত্রিক ক্রুটি ছিল কিনা, সমস্ত প্রোটোকল মানা হয়েছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিমান অবতরণের সঙ্গে পাইলটের সঙ্গে এটিসি-র যোগাযোগও সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। আর ঠিক তখনই বারামতির মাঠে বিকট শব্দ করে ভেঙে পড়ে বিমানটি। ভেঙে পড়ার সময় জ্বালানি ট্যাঙ্কেও বিস্ফোরণ হয়। ইতিমধ্যেই বারামতির পথে রওনা হয়েছেন অজিত পওয়ারের পরিবারের সদস্যরা। যাচ্ছেন শরদ-কন্যা সুপ্রিয়া শোলে। শোকের ছায়া গোটা পরিবারে। শোকের ছায়া শরদ পওয়ারের সতীর্থদের মধ্যেও।