Satabdi Roy on Kalyan Banerjee: ‘কল্যাণদা মহিলাদের গালাগালি করেন, সাহসটা দিন দিন এত বেড়ে গিয়েছে…’, বিস্ফোরক শতাব্দী
Kalyan Banerjee Suspended from Lok Sabha: কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাসপেনশন নিয়ে শতাব্দী রায় বলেন, "কল্যাণদা এটা সবসময় করেন। সবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। মহিলাদের গালাগালি দেন। একদম নিচু স্তরের লোকেরা যে গালাগালি করে থাকেন, সেই গালাগালি করেন। সেটা ভাবা যায় না যে কোনও ভদ্রলোকের মুখ থেকে বেরয়।"

নয়া দিল্লি: সংসদের লোকসভা থেকে সাসপেন্ড কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee Suspended)। গোটা বাদল অধিবেশনেই অংশ নিতে পারবেন না তিনি। মহিলাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে তৃণমূলের শ্রীরামপুরের সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়। এবার কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আচরণ নিয়ে মুখ খুললেন এনসিপিআই সাংসদ শতাব্দী রায় (Satabdi Roy)।
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাসপেনশন নিয়ে শতাব্দী রায় বলেন, “কল্যাণদা এটা সবসময় করেন। সবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। মহিলাদের গালাগালি দেন। গালাগালি মানে গালাগালিই। একদম নিচু স্তরের লোকেরা যে গালাগালি করে থাকেন, সেই গালাগালি করেন। সেটা ভাবা যায় না যে কোনও ভদ্রলোকের মুখ থেকে বেরয়।”
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও অভিযোগ জানিয়ে কোনও লাভ হয়নি বলেই জানান শতাব্দী। প্রাক্তন সতীর্থকে নিয়ে শতাব্দী রায় বলেন, “এই নিয়ে আগে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হয়েছিল দিদিকে। তিনি বারবার ছেড়ে দাও, আর হবে না বলতেন। ওঁর সাহস বেড়ে গিয়েছে দিনে দিনে। উনি ভাবছেন, সবাই ওঁর চাকর-বাকর। অন্য কোনও দলের মহিলারাও ওঁকে সমর্থন করেন না। আমরা স্পিকারের কাছে অভিযোগ করেছি। স্পিকারকে ধন্যবাদ। এটাই ওঁর যোগ্যতা, এটাই পাওয়ার কথা।”
আজ কী হয়েছিল?
এনসিপিআই সাংসদ আজকের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, “কল্য়াণ বন্দ্যোপাধ্যায় সবসময়ই অসভ্যতা করেন। ওঁর নামের সঙ্গে অসভ্য নামটা জড়িত। এত খারাপ ব্যবহার করেন সবার সঙ্গে। গালাগালি করেন সবাইকে। এটা তো সবাই শুনতে অভ্যস্ত নন বা শোনার কথাও নয়। বাড়ির লোকের সঙ্গে কী করেন, জানি না। কিন্তু ওঁর সহকর্মী হিসাবে দেখেছি, সবাইকে গালিগালাজ করেন। একসঙ্গে থাকলেও তাই করত। কংগ্রেস, বিজেপি- প্রত্যেকটা সাংসদ তিতিবিরক্ত। আজকেও মিতালীর সঙ্গে খুব খারাপ ব্যবহার করছিল। দেখছিল যে আমরা কতক্ষণ চুপ থাকি। তারপরে সবাই প্রতিবাদ করেন। তখন উনি স্বভাবসিদ্ধভাবে চেঁচাতে শুরু করেন।”
শতাব্দী বলেন, “এমনও হয়েছিল যে সেন্ট্রাল হলে একবার উনি কাকলিদিকে এমন গালিগালাজ করেছিলেন, দিদিকে কমপ্লেন করার পর দিদি আমাদের সেন্ট্রাল হলে বসা বন্ধ করে দিয়েছিলেন যে তোমরা বসো না, দলের মধ্যে ঝগড়া করছো, লোকে দেখছে। আগেও হয়েছে। এক দলে থাকতেও খারাপ কথা বলেছেন। এমন নয় যে এখন আলাদা বলে অভিযোগ করা হয়েছে। সবাই এসে অভিযোগ করেছেন। অনেকে রেকর্ডিং করেছেন ওঁর দুর্ব্যবহারের। যারা ভাষা বোঝেন না, তারাও এসে জিজ্ঞাসা করছিলেন।”
