NEET Paper Leak Case: নিট প্রশ্নফাঁসকাণ্ডে সঞ্জীবকে কেন ‘ক্লিনচিট’? এবার জানাল সিবিআই
NEET Paper Leak: তদন্ত চলাকালীন সঞ্জীব মুখিয়া দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। পরবর্তীতে অন্যান্য মামলার সূত্রে বিহার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। সঞ্জীবকে নিজেদের হেফাজতে নেয় সিবিআই। তবে তদন্ত শেষে সিবিআই-এর দাবি এই ঘটনায় সঞ্জীব মুখিয়ার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনও ধরণের যোগের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে সিবিআই এই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে কোনও চার্জশিট জমা দেয়নি।

নয়া দিল্লি: নিট প্রশ্ন ফাঁসে উত্তাল গোটা দেশ। দিল্লির আন্দোলনের ঢেউ আছড়ে পড়েছে সর্বত্র। সামাজিক মাধ্যমে জোর চর্চা। এই ঘটনায় সিবিআই তদন্তে চাঞ্চল্যকর মোড়। ইতিমধ্যেই প্রধান চক্রী হিসাবে ধৃত সঞ্জীব কুমার ওরফে সঞ্জীব মুখিয়াকে ক্লিনচিট দিয়েছে সিবিআই। তবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে যে, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত মূল চক্রের প্রতিটি সদস্য এবং যেসব পরীক্ষার্থী বেআইনিভাবে এই চুরি হওয়া প্রশ্নপত্র ব্যবহার করে সুবিধা নিয়েছিল, তাদের সবাইকে শনাক্ত করা হয়েছে। তদন্ত শেষে পাটনা আদালতে সংস্থাটি ৪৫ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক চার্জশিট জমা দিয়েছে সিবিআই।
২০২৪ সালে বিহার পুলিশ প্রথম নিট (UG) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র চুরির ঘটনাটি ধরে ফেলে এবং এ বিষয়ে একটি এফআইআর (FIR) দায়ের করে। অন্যান্য একাধিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় নাম থাকায় প্রাথমিক সন্দেহে সঞ্জীব কুমার ওরফে সঞ্জীব মুখিয়াকেও বিহার পুলিশ গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে মামলার গুরুত্ব বিবেচনা করে তদন্তের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয় সিবিআই-এর হাতে।
তদন্ত চলাকালীন সঞ্জীব মুখিয়া দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। পরবর্তীতে অন্যান্য মামলার সূত্রে বিহার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। সঞ্জীবকে নিজেদের হেফাজতে নেয় সিবিআই। তবে তদন্ত শেষে সিবিআই-এর দাবি এই ঘটনায় সঞ্জীব মুখিয়ার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনও ধরণের যোগের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে সিবিআই এই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে কোনও চার্জশিট জমা দেয়নি। চার্জশিটে নাম না থাকায় তিনি এই নির্দিষ্ট মামলায় আদালতের মাধ্যমে জামিন পান। অবশ্য বিহার পুলিশের অধীনে থাকা অন্যান্য মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার কারণে জামিন পাওয়ার পরেও তাঁকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতেই রাখা হয়।
তবে সঞ্জীবকে সিবিআই-এর ক্লিনচিট দেওয়া নিয়েও একাধিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ধরনের তথ্য বা বিভ্রান্তিকর প্রচারণা সম্পূর্ণ ভুল ও ভিত্তিহীন। আসল অপরাধীদের শনাক্ত করা হয়েছে। যথাযথ আইনি পদক্ষেপ করা হচ্ছে।
