New Delhi Stampede: প্রতি ঘণ্টায় ১৫০০ জেনারেল টিকিট বিক্রি! কোন ট্রেনে এত যাত্রী উঠতে পারত? প্রশ্নের মুখে রেল
Stampede: সূত্রের খবর, দুর্ঘটনার সময় আরপিএফ উপস্থিত ছিল না। ভিড়ের মধ্যে প্রথমে ৪ জন মহিলা অজ্ঞান হয়ে যান। ভিড়ের মধ্যেই গুজব ছড়ায় যে দুটি ট্রেন বাতিল হয়ে গিয়েছে। এর জেরে সমস্ত যাত্রীদের ভিড় ১৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মেই হয়। এদিকে ১৫ ও ১৬ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ট্রেন ঘোষণা হতেই ফের ছোটাছুটি শুরু হয়।

নয়া দিল্লি: ফের পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু। প্রয়াগরাজের মহাকুম্ভের পর এবার নয়া দিল্লি রেল স্টেশনে। অতিরিক্ত ভিড়ের চাপে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। তাতেই চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ১৮ জনের। আহত হয়েছেন আরও ১০ জন। যাত্রীরা অভিযোগের আঙুল তুলেছে রেলওয়ের দিকেই। অভিযোগ, রেলের ঘোষণাতেই বিভ্রান্তি ছড়ায়। তার জেরেই পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনা ঘটে। এর মধ্য়েই রেলওয়ে পুলিশের ডেপুটি কমিশনারও চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছেন।
শনিবার রাত ৯টা নাগাদ নয়া দিল্লি রেলওয়ে স্টেশনের ১৪ ও ১৫ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ট্রেন আসতেই হুড়োহুড়ি শুরু হয়। বিশৃঙ্খলার কারণে ওভারব্রিজ ও ১৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মের এসকেলেটর বা চলন্ত সিড়ির কাছে বহু যাত্রী ধাক্কা খেয়ে পড়ে যান। এরপরই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার পর প্রথমে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর কথা স্বীকার না করা হলেও, পরে এলএনজেপি হাসপাতালের তরফে জানানো হয়, পদপিষ্ট হয়ে কমপক্ষে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। পরে মৃতের সংখ্য়া বেড়ে ১৮-এ পৌঁছয়। সূত্রের খবর, দুর্ঘটনার সময় আরপিএফ উপস্থিত ছিল না। ভিড়ের মধ্যে প্রথমে ৪ জন মহিলা অজ্ঞান হয়ে যান। ভিড়ের মধ্যেই গুজব ছড়ায় যে দুটি ট্রেন বাতিল হয়ে গিয়েছে। এর জেরে সমস্ত যাত্রীদের ভিড় ১৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মেই হয়। এদিকে ১৫ ও ১৬ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ট্রেন ঘোষণা হতেই ফের ছোটাছুটি শুরু হয়।
দুর্ঘটনার কারণ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সংবাদসংস্থা এএনআই-কে রেলওয়ে পুলিশের ডেপুটি কমিশনার কেপিএস মালহোত্রা বলেন, “১৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মে প্রয়াগরাজ এক্সপ্রেস দাঁড়িয়েছিল, প্রচুর মানুষের ভিড় ছিল প্ল্যাটফর্মে। স্বতন্ত্র সেনানী এক্সপ্রেস ও ভুবনেশ্বর রাজধানী এক্সপ্রেস দেরিতে চলছিল। এই দুই ট্রেনে যাত্রীরাও ১২, ১৩ ও ১৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মে অপেক্ষা করছিলেন।”
তিনি আরও বলেন, “তথ্য অনুযায়ী, প্রতি ঘণ্টায় কুম্ভগামী ট্রেনে ১৫০০ জেনারেল টিকিট বিক্রি হয়েছিল। এত ভিড় হয়ে যাওয়াতেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। ১৪ নম্বর প্ল্যাটফর্ম ও ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মের এসকেলেটরের কাছে পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনা ঘটে।”
ইতিমধ্যেই রেলের তরফে উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

