Ramlala’s Aarti: অযোধ্যা থেকে প্রতিদিন সরাসরি দেখুন রামলালার আরতি, ঘরে বসেই!
Ramlala's Aarti from Ayodhya: দিনে তিনবার আরতি হয় রামলালার। সকাল সাড়ে ছটায় হয় জাগরণ বা শৃঙ্গার আরতি, দুপুর বারোটায় হয় ভোগ আরতি আর সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় হয় সান্ধ্য আরতি। প্রতিদিন ভোর চারটেয় জাগ্রত করা হয় রামলালাকে। এবার ঘরে বসে টিভিতেই দেখা যাবে এই আরতি।

অযোধ্যা: ২২ জানুয়ারি, অযোধ্যার রাম মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন প্রধানমন্দ্রী নরেন্দ্র মোদী। ২৩ জানুয়ারি থেকে সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হয় মন্দিরের দরজা। তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৭৫ লক্ষ ভক্ত রামলালার দর্শন করতে এসেছেন। সপ্তাহান্তের দিনগুলিতে তো, একেকদিনে দুই লক্ষের বেশি ভক্তের ভিড় হয় বলে জানিয়েছেন রাম মন্দির ট্রাস্টের এক কর্তা। ভক্তদের ভিড় সামলাতে সম্প্রতি মন্দির ট্রাস্টের পক্ষ থেকে ‘দর্শনের’ সময় বাড়ানো হয়েছে। সকাল ছটা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত রামলালা দর্শন করার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে ভক্তদের। ‘দেবতাকে বিশ্রাম’ দিতে প্রতিদিন বিকেলে এক ঘণ্টা করে বন্ধ থাকে রাম মন্দির। তবে, সকলের পক্ষে তো অযোধ্যায় গিয়ে রামলালার দর্শন সম্ভব নয়। তারা এখন বাড়িতে বসে টেলিভিশনের পর্দাতেই অযোধ্যা থেকে সরাসরি রামলালার আরতি দেখতে পারবেন।
দিনে তিনবার আরতি হয় রামলালার। সকাল সাড়ে ছটায় হয় জাগরণ বা শৃঙ্গার আরতি, দুপুর বারোটায় হয় ভোগ আরতি আর সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় হয় সান্ধ্য আরতি। প্রতিদিন ভোর চারটেয় জাগ্রত করা হয় রামলালাকে। ভক্তদের ‘দর্শন’ করার অনুমতি দেওয়ার আগে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলে বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠান। তারপর হয় শৃঙ্গার আরতি। এখন থেকে প্রতিদিন সকাল সাড়ে ছটায় অযোধ্যার রাম মন্দির থেকে সেই আরতির সরাসরি সম্প্রচার করবে দূরদর্শন ন্যাশনাল চ্যানেল। কাজেই, সকাল সাড়ে ছটায় দুরদর্শন চ্যানেল খুললেই রামলালার আরতি দেখতে পাবেন ভক্তরা।
মন্দিরের কাজ সম্পূর্ণ না হওয়ার আগেই মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা নিয়ে বিতর্ক হয়েছিল। শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট জানিয়েছে, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই রাম মন্দির কমপ্লেক্সের নির্মাণ কাজ শেষ হবে। ট্রাস্টের সদস্য অনিল মিশ্র জানিয়েছেন, তিনতলা মন্দির ভবনের অবশিষ্ট দুটি তলা নির্মাণের কাজে গতি আনতে শিগগিরই ৩,৫০০-এরও বেশি অতিরিক্ত কর্মী মোতায়েন করা হবে। তিনি আরও জানিয়েছেন, মন্দিরের মোট পাঁচটি চূড়া থাকবে। এর মধ্যে তিনটি প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানের আগেই তৈরি করা হয়েছিল। মূল চূড়াটি থাকবে সোনার আস্তরণে মোড়া। সেটি ১৬১ ফুট উঁচুতে তৈরি করা হচ্ছে। রাম মন্দির কমপ্লেক্সে আরও ছয় দেব-দেবীর মন্দির তৈরি করা হবে। এর পাশাপাশি, রাম জন্মভূমির পশ্চিম প্রান্তে, তেধি বাজার থেকে আশরাফি ভবন এবং বিভীষণ কুণ্ড হয়ে যে রাস্তাটি পোস্ট অফিস পর্যন্ত গিয়েছে, সেই রাস্তাটিকে ১৫ মিটার প্রশস্ত করা হবে।
