Physical Assault: যুবতীকে ‘ধর্ষণ’ প্রেমিকের, সাহায্যের নামে অচেনা ব্যক্তিও মেটাল নিজের লালসা! তারপর আরও ভয়ঙ্কর কাণ্ড

Odisha Crime: নির্যাতিতা যখন বাসস্ট্যান্ডে বসেছিলেন, তখন পথচলতি এক ব্যক্তি তাঁকে দেখতে পায়। ওই ব্যক্তি যুবতীর পোশাক ও শারীরিক অবস্থা দেখে তাঁকে সাহায্যের কথা বলে। জানায় যে সে সামনেই থাকে। যুবতীকে বাইকে করে পারাদ্বীপে একটি ভাড়া বাড়িতে নিয়ে যায়।

Physical Assault: যুবতীকে ধর্ষণ প্রেমিকের, সাহায্যের নামে অচেনা ব্যক্তিও মেটাল নিজের লালসা! তারপর আরও ভয়ঙ্কর কাণ্ড
প্রতীকী চিত্র।

|

Feb 28, 2026 | 10:14 AM

ভুবনেশ্বর: নৃশংসতার সীমা পার, চরম অমানবিকতার সাক্ষী থাকল জগন্নাথের ভূমি। একই দিনে দুইবার ধর্ষণের শিকার হলেন এক যুবতী। প্রথমে তাঁর প্রেমিক ধর্ষণ করে। তারপরে এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি ওই যুবতীকে সাহায্যের নাম করে ফের ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর নির্যাতিতাকে চারতলা বিল্ডিং থেকে ফেলে দেয় অভিযুক্ত। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় যুবতীর।

ঘটনাটি ঘটেছে ওড়িশার জগৎসিংপুরে। বছর তেইশের যুবতীকে একইদিনে দুইবার ধর্ষণ করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২২ ফেব্রুয়ারি এই ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত যুবক, যার সঙ্গে যুবতীর সম্পর্ক ছিল, সে তাঁকে ফোন করে বলে যে তাঁর সঙ্গে পালিয়ে যেতে। মন্দিরে বিয়ে করবে তারা। যুবতীও সেই কথা মতো কাজ করে। কিন্তু অভিযুক্ত যুবক মন্দিরের বদলে একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে যুবতীকে ধর্ষণ করে এবং এরপরে বাসস্ট্যান্ডে রেখে পালিয়ে যায়।

নির্যাতিতা যখন বাসস্ট্যান্ডে বসেছিলেন, তখন পথচলতি এক ব্যক্তি তাঁকে দেখতে পায়। ওই ব্যক্তি যুবতীর পোশাক ও শারীরিক অবস্থা দেখে তাঁকে সাহায্যের কথা বলে। জানায় যে সে সামনেই থাকে। যুবতীকে বাইকে করে পারাদ্বীপে একটি ভাড়া বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে ছাদে নিয়ে গিয়ে যুবতীকে ধর্ষণ করে দ্বিতীয় অভিযুক্ত। তাঁর ছাদ থেকেই যুবতীকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। পরের দিন সকালে ওই যুবতীর দেহ উদ্ধার হয়। তখন অস্বাভাবিক মৃত্যুর কেস রেজিস্টার করা হয়েছিল।

নির্যাতিতার দাদা গত ২৫ ফেব্রুয়ারি পারাদ্বীপ পুলিশ স্টেশনে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ দায়ের করেন। তিনিই ২২ ফেব্রুয়ারির বিকেলে নিখোঁজ ডায়েরি করেছিলেন বোন বাড়ি না ফেরায়। পুলিশ তদন্তে নেমে দুই অভিযুক্তকেই গ্রেফতার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যয় সংহিতায় অপহরণ, ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগের চার্জ গঠন করা হয়েছে।

ওড়িশার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেডি সুপ্রিমো নবীন পট্টনায়ক এই ঘটনার কড়া নিন্দা করে, সম্প্রতি ঘটে যাওয়া রাজ্যের একাধিক ধর্ষণ কাণ্ডের সুবিচার দাবি করেছেন। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে তিনি লেখেন, “আর কত নির্দোষ প্রাণ হারাবে? নাবালিকা থেকে বিশেষভাবে সক্ষম, কেউ সুরক্ষিত নয়। রাজ্যে কি আইন-কানুন নেই? আঙ্গুল, পারাদ্বীপ, সম্বলপুর থেকে যে ঘৃণ্য অপরাধের খবর এসেছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। রাজ্য সরকার মহিলাদের সুরক্ষা ও আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে লম্বা বক্তৃতা দিলেও বাস্তবের চিত্র অত্যন্ত উদ্বেগজনক। দিনেরবেলাতেও ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বারবার একই ধরনের ঘটনা ঘটার পরও সরকার কোনও পদক্ষেপ করেনি।”