
ইসলামাবাদ: পহেলগাঁওয়ের ঘটনার পর বিষিয়েছে ভারত-পাকিস্তানের আবহাওয়া। মঙ্গলবার কাশ্মীরের বৈসরন এলাকায় সন্ত্রাসী হামলায় প্রাণ গিয়েছে ২৬ পর্যটকের। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৭ জন। তারপরই পড়শি দেশের বিরুদ্ধে সীমান্তবর্তী-সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ তুলে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করে দেয় ভারত। স্থগিতাদেশ পড়ে যায় বছর পুরনো সিন্ধু জল চুক্তি। বন্ধ হয় সীমানা। দেশে ফিরে যেতে বলা হয় পাকিস্তানিদের।
বুধবার থেকেই কূটনৈতিক চাপ বাড়ছে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে। কাশ্মীরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে দুই দেশের মধ্যে। আর তার মাঝেই করাচি উপকূলে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করতে চলেছে পাকিস্তান, এমনটাই খবর সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ANI সূত্রে। এই প্রসঙ্গে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে তারা জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার নৌসেনা মহড়ার মাঝেই হবে এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা। যা নিয়ে কিছুটা চাপে ভারত।
তবে পাক-সেনার এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় কিন্তু ‘ভয় পায়নি’ ভারত। উল্টে আগেভাগেই পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে দিয়েছে তারা। বৃহস্পতিবার, করাচিতে যখন এই মহড়া চলেছে, সেই সময় পাল্টা নৌসেনা মহড়া চালিয়েছে ভারতও। আরব সাগরের উপর ক্ষমতা জাহির করতে যে মহড়া শুরু করেছিল পাকিস্তান, তার পাল্টা মোক্ষম জবাব দিয়েছে নয়াদিল্লি। আইএনএস সুরাত থেকে তারা ছুড়ে দিয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র।