
আজ থেকে শুরু সংসদের বিশেষ অধিবেশন। এই অধিবেশনে শপথ নেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী সহ নির্বাচিত সাংসদরা। পাশাপাশি স্পিকার পদে কে বসবেন, তাও নির্বাচন করা হবে। এদিকে নিট বিতর্কে উত্তাল দেশ। সেই বিতর্কের রেশ এবারের সংসদ অধিবেশনেও পড়তে পারে। ইতিমধ্যেই নিট-নেট পরীক্ষা, প্রোটেম স্পিকার নির্বাচন নিয়ে সুর চড়াবে বিরোধী ইন্ডিয়া জোট, এমনটাই জানিয়েছে তারা। আজ সংসদের অধিবেশনে কী কী হচ্ছে, দেখে নিন যাবতীয় আপডেট-
তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ কীর্তি আজাদ সংসদে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে যে অন্যায়-অবিচার হয়েছে, তা শেষ হওয়া দরকার। আমাদের অধিকার ছিনিয়ে নিতে হবে। ১,৬৪ হাজার কোটি টাকা কেন্দ্রের কাছ থেকে বকেয়া রয়েছে রাজ্যের।”
হাম সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতন রাম মাঝি শপথ নিলেন।
সংসদে এলেন রাহুল গান্ধী।
তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “সংবিধান লঙ্ঘন করে প্রো-টেম স্পিকার নিয়োগ করা হয়েছে। তার প্রতিবাদ করছি আমরা। মোদী সরকার সংবিধান লঙ্ঘন করেছে। শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা দেওয়া উচিত।”
সংবিধান হাতে নিয়ে বিক্ষোভ বিরোধী নেতাদের।
শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান শপথ নিলেন সংসদে। তাঁর শপথ গ্রহণের সময় নিট পরীক্ষায় দুর্নীতি নিয়ে স্লোগান দেন বিরোধীরা।
সাংসদ হিসাবে ও লোকসভার নেতা হিসাবে শপথ গ্রহণ করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
অধিবেশনের শুরুতেই হট্টগোল বিরোধীদের। বিক্ষোভে উত্তাল সংসদ।
ওয়ানাডের সাংসদ পদ ছাড়লেন রাহুল গান্ধী। এ দিন সংসদে তার ইস্তফাপত্র গৃহীত হল।
সংবিধান হাতে নিয়ে সংসদের বাইরে বিক্ষোভ বিরোধী সাংসদদের।
সংসদের প্রথম দিনে নব নির্বাচিত সাংসদরা।
সংসদে প্রধানমন্ত্রী প্রবেশ করতেই উঠল জয় জগন্নাথ স্লোগান।
বিকশিত ভারতের সংকল্প পূরণের জন্য আমাদের সকলর দায়িত্ব রয়েছে। আমরা পরিশ্রমে কোনও খামতি রাখব না।
সাংসদদের কাছ থেকে দেশবাসীর অনেক প্রত্যাশা। আমি অনুরোধ করব, আপনারা জনগণের সেবায়, জনহিতে পদক্ষেপ করবেন। দেশের জনগণ বিরোধীদর থেক ভাল প্রত্যাশা রাখে। এতদিন নিরাশ হতে হয়েছে তাদের,আশা করি এবার বিরোধীরা দেশের নাগরিকদের হয়ে কাজ করবে, গণতন্ত্রের গরিমা বজায় রাখবে। আলোচনায় অংশ নেবে। জনগণ নাটক চায়না। তারা স্লোগান নয়, কাজ চান। দেশের দায়িত্ববান সাংসদের প্রয়োজন।
তৃতীয়বার ক্ষমতায় এসেছি আমরা। আমাদের দায়িত্বও তিনগুণ বেড়েছে। আমি দেশবাসীকে আশ্বাস দিচ্ছি, তৃতীয় কার্যকলে তিনগুণ বেশিপরিশ্রম করব। তিনগুণ বেশি ফল আনব।
আগামিকাল, ২৫ জুন। যারা সংবিধানের গরিমা বোঝেন, সংসদকে সম্মান করেন, তাদের জন্য কালকের দিনটি ভোলার নয়। ২৫ জুন সংবিধানে যে কালিমা লেগেছিল, তার ৫০ বছর পূরণ হবে আগমিকাল। গোটা দেশকে জেল বানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, গণতন্ত্রে কালি লাগানো হয়েছিল। আমরা গৌরবের সঙ্গে সংবিধানকে রক্ষা করতে পেরেছি। দেশবাসী সংকল্প নেবে যে ভবিষ্যত কেউ আর এই সাহস দেখাতে পারবে না। আমরা সংকল্প নেব, জনগণের স্বপ্ন পূরণের।
আমরা সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলতে চাই। ১৮ তম লোকসভায় যুব সাংসদদের সংখ্যা ভাল রয়েছে। ১৮-র গুরুত্ব অনেক। গীতারও ১৮টা অধ্যায় রয়েছে। পুরাণ-উপপুরাণের সংখ্যাও ১৮। ১৮ বছর বয়সে আমরা সাবালক হই, মতদানের অধিকার মেলে। ১৮ তম লোকসভা শুভ সঙ্কেত।
স্বাধীনতার পর দ্বিতীয়বার কোনও দলকে তৃতীয়বার সরকার পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। এটা আমাদের কাছে গর্বের। জনগণ আমাদের উদ্দেশ্য, নীতিতেসিলমোহর দিয়েছেন। এরজন্য সকলকে ধন্যবাদ। বিগত ১০ বছরে যে পরম্পরাকে প্রতিষ্ঠিত করেছি। আমরা মানি, সরকার গঠনের জন্য বহুমতের প্রয়োজন, আর দেশ চালানোর জন্য সহমতের। আমরা চেষ্টা করব সকলকে সঙ্গে নিয়ে মা ভারতীর সেবা করার, ১৪০ কোটি দেশবাসীর আশা-আকাক্ষ্মা পূরণ করার।
লোকসভা নির্বাচন খুব ভালভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এটা ১৪০ কোটি দেশবাসীর কাছে গর্বের। ৬৫ কোটিরও বেশি জনগণ মতদান করেছেন।
আমি সকল নবনির্বাচিত সাংসদদের স্বাগত জানাই, সকলকে অভিনন্দন জানাই, শুভকামনা জানাই। সংসদে নতুন উদ্যোগ নতুন গতি অর্জন করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত এটা। শ্রেষ্ঠ ভারত নির্মাণ, বিকশিত ভারত তৈরির স্বপ্ন নিয়ে আজ ১৮ তম লোকসভার সূচনা হচ্ছে।
এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসদীয় গণতন্ত্রে আজকের দিনটি গৌরবের, বৈভবের। স্বাধীনতা পর প্রথমবার নতুন সংসদে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হচ্ছে। এতদিন পুরনো সংসদ ভবনে শপথ গ্রহণ হত।
সংসদের অধিবেশনে যোগ দিতে এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আজ তিনি সংসদে শপথ নেবেন।
সংসদে এলেন কংগ্রেসের সভাপতি তথা রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গে।
বিশেষ অধিবেশনের প্রথমদিনেই সংসদে এলেন কংগ্রেস সাংসদ জয়রাম রমেশ।
বিজেপি সাংসদ ভর্তৃহারি মহতাব শপথ নিলেন প্রোটেম স্পিকার হিসাবে। তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু।