
নয়াদিল্লি: শুক্রবার ঠিকানা বদল নয়াদিল্লির ঐতিহাসিক সাউথ ব্লকের। ৭৯ বছরের পুরনো ‘প্রাইম মিনিস্টার অফিস’ বা পিএমও অফিসের এখন নয়া ঠিকানা রাইসিনা হিলসের কাছে সেন্ট্রাল ভিস্তার এক্সিকিউটিভ এনক্লেভ। ভবনের নাম ‘সেবাতীর্থ’। এদিন সেই ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শুধুই পিএমও অফিস নয়, জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের সচিবালয়, মন্ত্রিসভার সচিবালয় — প্রতিটি দফতরের নয়া ঠিকানা এই ‘সেবাতীর্থ’।
ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দেশজুড়ে প্রশাসনিক স্তরে নানা বদল ঘটিয়েছে মোদী সরকার। সাউথ ব্লকের ‘সেবাতীর্থ’তে পরিণত হওয়ার এই যাত্রাও সেই বদলেরই অংশ। শুধুই সাউথ ব্লক নয়, কেন্দ্রীয় সচিবালয় হয়েছে কর্তব্য ভবন। রাজপথ হয়েছে কর্তব্যপথ। রেস কোর্স রোড হয়েছে লোককল্য়াণ মার্গ। রাজভবন হয়েছে লোকভবন।
এই দফতর বদল নিয়ে বৃহস্পতিবারেই একটি বিবৃতি জারি করেছিল পিএমও। তাতে বলা হয়েছিল, শুক্রবার দুপুরে সেবাতীর্থের পাশাপাশি কর্তব্যভবন ১ ও কর্তব্যভবন ২-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন তিনি। তারপর সন্ধ্যায় ৬টায় সেবাতীর্থ থেকে জাতির উদ্দেশে বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী। মোদীর হাত ধরে উদ্বোধন হওয়া এই ‘সেবাতীর্থ’ ভবনের পাশেই আরও দু’টি ভবন রয়েছে। যথাক্রমে সেবাতীর্থ-২ এবং সেবাতীর্থ-৩। সেখানেই হবে ক্যাবিনেট সচিবালয় এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের দফতর।
এছাড়াও কর্তব্যভবন ১ ও ২-তে কেন্দ্রীয় অর্থ, প্রতিরক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, কর্পোরেট, শিক্ষা, সংস্কৃতি, আইন ও বিচার, তথ্য ও সম্প্রচার, কৃষি ও কৃষক কল্যাণের মতো বেশ কিছু গুরুতপূর্ণ দফতর স্থানান্তরিত হচ্ছে বলেই খবর। উল্লেখ্য, আগেই নর্থ ব্ল থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক, অর্থ মন্ত্রকের অধিকাংশ দফতর সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের আওতায় তৈরি কর্তব্যভবনে সরে গিয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য সচিবালয়ের জন্য কর্তব্যভবন নামে দশটি বহুতল তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনটি কর্তব্যভবন তৈরি হয়ে গিয়েছে। বাকি পরে সাতটি। এগুলি তৈরি হয়ে গেলে সমস্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রক সেখানে সরে যাবে।