AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Narendra Modi: ‘পরিত্যক্ত উত্তর পূর্ব থেকে প্রাচুর্যের উত্তর পূর্ব’, নয়া ভারতের সর্ববৃহৎ সাফল্যের কাহিনি শোনালেন মোদী

Narendra Modi: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কথায়, পরিত্যক্ত এক অঞ্চল থেকে এখন উত্তর পূর্ব ভারত হয়ে উঠেছে প্রাচুর্যে ভরা এক অঞ্চলে। অসম ট্রিবিউনকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে উত্তর পূর্বের সার্বিক বিকাশের ক্ষেত্রে সেখানকার যুব সমাজের প্রতিভার উপরেও নিজের ভরসা ও আত্মবিশ্বাসের কথা তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী।

Narendra Modi: 'পরিত্যক্ত উত্তর পূর্ব থেকে প্রাচুর্যের উত্তর পূর্ব', নয়া ভারতের সর্ববৃহৎ সাফল্যের কাহিনি শোনালেন মোদী
নরেন্দ্র মোদী।Image Credit: Facebook
| Updated on: Apr 08, 2024 | 5:20 PM
Share

নয়া দিল্লি: স্বাধীনতার পর থেকে বহু বছর ধরে একপ্রকার উপেক্ষিত থেকে গিয়েছিল উত্তর পূর্ব ভারত। কিন্তু মোদী জমানায় গত দশ বছরে উত্তর পূর্ব ভারতের বিকাশের দিকে বাড়তি নজর দেওয়া হয়েছে। ভোল পাল্টেছে উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলির। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কথায়, পরিত্যক্ত এক অঞ্চল থেকে এখন উত্তর পূর্ব ভারত হয়ে উঠেছে প্রাচুর্যে ভরা এক অঞ্চলে। অসম ট্রিবিউনকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে উত্তর পূর্বের সার্বিক বিকাশের ক্ষেত্রে সেখানকার যুব সমাজের প্রতিভার উপরেও নিজের ভরসা ও আত্মবিশ্বাসের কথা তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী।

উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলি অতীতে একটা দীর্ঘ সময় ধরে অবহেলিত থেকে গিয়েছিল। ফলে বেশ কিছু সমস্যাও তৈরি হয়েছিল এই এলাকায়। গত দশ বছরে কী কী পরিবর্তন এসেছে মোদীর আমলে? কী কী সমস্যা দূর করা সম্ভব হয়েছে? অসম ট্রিবিউনের ওই সাক্ষাৎকারে সেই বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীকে। এই প্রশ্ন শুরুতেই কংগ্রেস জমানায় কীভাবে উত্তর পূর্বকে অবহেলা করা হত, সেই কথা তুলে ধরেছেন মোদী। তাঁর কথায়, স্বাধীনতার পর দশকের পর দশক ধরে উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলিকে এক কোনায় ফেলে রাখা হয়েছিল। কংগ্রেস সরকার ধারাবাহিকভাবে উত্তর পূর্বের আম জনতার সঙ্গে ‘সৎ-মায়ের মতো’ আচরণ করে গিয়েছে। কারণ, তাদের কাছে এই এলাকা থেকে নির্বাচনী ফায়দার সম্ভাবনা ছিল খুবই কম। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, উত্তর পূর্বকে অতীতের কংগ্রেস সরকার এমনভাবে ফেলে রেখেছিল, যেন এটা খুব দূরে এবং এখানে উন্নয়নের কাজ করা যেন খুব কঠিন।

কিন্তু দশ বছরে মোদী জমানায় যে উত্তর পূর্বের ভোল পাল্টে দেওয়া হয়েছে, সে কথাও তুলে ধরেন তিনি। সরকার গঠনের পর থেকেই মোদীর দৃঢ় সংকল্প ছিল উত্তর পূর্ব নিয়ে কেন্দ্রের ভাবনায় বদল আনা। সেই মতো নীতি নিয়ে আসেন তিনি। অবহেলা ও একা ফেলে রাখার বদলে উত্তর পূর্বকে একসঙ্গে নিয়ে চলার নীতি গ্রহণ করে মোদীর সরকার। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘উত্তর পূর্বকে একা ফেলে রাখার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে কীভাবে সেটাকে ভারতের পূর্বের গেটওয়ের রূপ দেওয়া হয়েছে, তা আজ সকলের চোখের সামনে স্পষ্ট। আমি প্রায় ৭০ বার উত্তর পূর্বে গিয়েছি, যা সম্ভবত আমার পূর্বসূরী সব প্রধানমন্ত্রীর সম্মেলিত উত্তর পূর্ব সফরের থেকেও বেশি। ২০১৫ সাল থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা ৬৮০ বারেরও বেশি সময় উত্তর পূর্ব সফরে গিয়েছেন। আমরা উত্তর পূর্বের মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দিয়েছি, যা উত্তর পূর্ব নিয়ে অতীতের ভাবনাকে পুরো বদলে দিয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী মোদীর কথায়, উত্তর পূর্ব এখন দিল্লির থেকে দূরেও নয়, মনের থেকেও দূরে নয়। তিনি বলেন, ‘আজকের দিনে নয়া ভারতের সর্ববৃহৎ সাফল্যের গাঁথা হিসেবে উঠে এসেছে উত্তর পূর্ব। যা দেখিয়ে দিয়েছে, ‘যখন লক্ষ্য সঠিক হয়, তখন তার ফলও সঠিক হয়।’ গত পাঁচ বছরে উত্তর পূর্ব ভারতের বিকাশের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার কী কী পদক্ষেপ করেছে, সে কথাও তুলে ধরেন মোদী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অতীতে কংগ্রেস সরকার বা যে কোনও সরকার উত্তর পূর্বের জন্য যত টাকা বরাদ্দ করেছিল, গত পাঁচ বছরে তার থেকে প্রায় চার গুণ বেশি বিনিয়োগ করা করা হয়েছে উত্তর পূর্বের উন্নয়নের জন্য। গত এক দশকে এই এলাকায় যা পরিকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে, তা উত্তর পূর্বকে দেশের বাকি অংশের সঙ্গে তথা গোটা বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত করেছে… যা আগে কখনও হয়নি।’ উত্তর পূর্বের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের কথা প্রসঙ্গে বগিবিল সেতু, ভূপেন হাজারিকা সেতুর মতো বহু প্রতীক্ষিত প্রকল্পগুলির কথা তুলে ধরেন তিনি। এই সেতুগুলির মাধ্যমে উত্তর পূর্বের মানুষের জীবনযাত্রার মানে আমূল বদল এসেছে। উঠে আসে, ১৩ হাজার ফুট উঁচুতে মোদীর হাতে উদ্বোধন হওয়া সেলা টানেলের প্রসঙ্গও, যা বছরের যে কোনও মরশুমে সীমান্ত এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখবে। ২০১৯ সালে মোদী সরকারের আমলেই যে এই প্রকল্পের শিলান্যাস হয়েছিল, সে কথাও মনে করিয়ে দেন তিনি।

অসম ট্রিবিউনকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে মোদী বলেন, ‘উত্তর-পূর্বের যুব সমাজের প্রতিভা, দক্ষতা এবং তাদের শক্তির উপর আমার সম্পূর্ণ ভরসা আছে। আমরা তাদের জন্য শিক্ষা, খেলাধুলা, অন্ত্রেপ্রিনিয়রশিপ এবং আরও বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্যের দরজা খুলে দিয়েছি।’ প্রধানমন্ত্রী মোদী জানালেন, ২০১৪ সাল থেকে শুরু করে এখনও পর্যন্ত উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলিতে উচ্চ শিক্ষার প্রসারের জন্য ১৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি ব্যয় করা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে, মণিপুরে তৈরি হওয়া দেশের প্রথম ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয়। মোদী বলেন, ‘আমরা আটটি রাজ্যে ২০০টিরও বেশি খেলো ইন্ডিয়ার ক্যাম্প তৈরি করেছি। গত এক দশক ধরে উত্তর পূর্বে ৪ হাজারেরও বেশি স্টার্টআপ তৈরি করা হয়েছে। কৃষি ব্যবস্থা ফুলে ফেঁপে উঠছে। ফল রফতানি হচ্ছে, জৈব চাষ হচ্ছে। মিশন অয়েল পামও ব্যাপক সাফল্য এনেছে এই অঞ্চলে। উত্তর পূর্ব আজ সর্বক্ষেত্রেই এগিয়ে রয়েছে।’

উল্লেখ্য, উত্তর পূর্ব ভারতের অন্য একটি বড় সমস্যা ছিল বিক্ষুব্ধ বিভিন্ন সংগঠনগুলির হিংসাত্মক অভ্যুত্থান। কিন্তু মোদী জমানায় সেই ছবিতেও বদল এসেছে। অসম-সহ উত্তর পূর্বের একাধিক রাজ্যে এই বিক্ষুব্ধ সংগঠনগুলির সিংহভাগই অস্ত্র সমর্পণ করেছে। উত্তর পূর্বে এই অশান্তি সৃষ্টিকারী সংগঠনগুলিকে ঠেকাতে কী পদক্ষেপ করেছে মোদী সরকার? সেই নিয়েও প্রশ্ন করা হয়েছিল। মোদীর বক্তব্য, ‘আমরা এই হিংসাত্মক আন্দোলন বন্ধ করার জন্য কড়া পদক্ষেপ করেছি, কিন্তু একইসঙ্গে এটাও নিশ্চিত করেছি যাতে সাধারণ মানুষের প্রতি যাতে যত্নশীল হওয়া যায়। আর এটারই সুফল হল, হিংসাত্মক আন্দোলনে উল্লেখযোগ্যভাবে নিয়ন্ত্রণ আনা গিয়েছে এবং শান্তি ফেরানো গিয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী মোদী আরও বলেন, ‘গত ১০ বছরে মোট ১১টি শান্তি চুক্তি হয়েছে, যা অতীতের যে কোনও সরকারের আমলের তুলনায় এক অভূতপূর্ব পদক্ষেপ। ২০১৪ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত বিভিন্ন বিক্ষুব্ধ সংগঠনগুলির অন্তত সাড়ে ৯ হাজারেও বেশি সদস্য আত্মসমর্পণ করে সমাজের মূল স্রোতে ফিরে এসেছে।’ কেন্দ্রীয় সরকারের অবিরাম চেষ্টার ফলেই, গত এক দশকে গোটা উত্তর পূর্ব ভারতে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আমূল বদল এসেছে। সেই সাফল্যের কথা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মোদী জানান, ২০১৪ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে অশান্তির ঘটনা প্রায় ৭১ শতাংশ কমে গিয়েছে। একইসঙ্গে, নিরাপত্তা বাহিনীর হতাহতের সংখ্যা প্রায় ৬০ শতাংশ ও সাধারণ মানুষের মৃত্যু প্রায় ৮২ শতাংশ কমিয়ে আনা গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতি হওয়ার কারণেই উত্তর পূর্বের বেশিরভাগ এলাকা থেকে আফস্পা (AFSPA) তুলে নেওয়া হয়েছে। অসম ও অরুণাচল প্রদেশের মধ্যে সীমানা সমস্যাও যে তাঁর সরকারের আমলে নিষ্পত্তি হয়েছে, সে কথাও তুলে ধরেন মোদী। এর মাধ্যমে অসম-অরুণাচল সীমানায় থাকা প্রায় ১২৩টি গ্রামের সুরাহা হয়েছে। অসম-মেঘালয়ের মধ্যেও প্রায় ৫০ বছর ধরে চলে আসা সমস্যার সমাধান করেছে মোদীর সরকার। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বোড়ো চুক্তি ও ব্রু-রিয়াং চুক্তির মতো শান্তি চুক্তিগুলির মাধ্যমে বহু বিক্ষুব্ধ সংগঠনের জঙ্গি সদস্যরা অস্ত্র সমর্পণ করেছে এবং সমাজের মূলধারায় ফিরে এসেছে।’ এদের পুনর্বাসনের জন্য নির্দিষ্ট পরিকল্পনা, আর্তিক সাহায্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

উত্তর পূর্বের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য মোদী সরকার কী পদক্ষেপ করেছে, সে কথাও উঠে আসে ওই একান্ত সাক্ষাৎকারে। উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলির ক্ষেত্রে যোগাযোগ ব্যবস্থা যে একটি সমস্যা ছিল, সে কথা মানছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে এও জানান, তাঁর সরকারের লক্ষ্য ছিল, এর সমাধান খুঁজে বের করা। আর তারই ফল দেখা যাচ্ছে আজকের দিনে। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, ‘সড়ক পথ হোক বা রেল কিংবা আকাশ পথ বা জলপথ, সব ক্ষেত্রেই উত্তর পূর্ব আজ এক পরিকাঠামোগত উন্নত যোগাযোগের সাক্ষী থাকছে। এমনকী প্রতিটি কোনায় কোনায় ৫জি কানেকশনও পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। সীমান্তবর্তী গ্রামগুলি আজকের দিনে ভাইব্র্যান্ট ভিলেজ প্রোগ্রামের অঙ্গ। এর থেকেই বোঝা যায়, কীভাবে দীর্ঘদিন ধরে পরিষেবা না পাওয়া অঞ্চলে আমরা পরিষেবা পৌঁছে দিচ্ছি। গত ১০ বছরে কেন্দ্রের বিভিন্ন মন্ত্রক থেক ৫ লাখ কোটি টাকারও বেশি খরচ করা হয়েছে উত্তর পূর্বকে একটি পরিত্যক্ত অঞ্চল থেকে প্রাচর্যে পূর্ণ অঞ্চলে রূপ দিতে।’

গত দশ বছরে অনেক কিছুই প্রথমবারের জন্য সাক্ষী থেকে উত্তর পূর্ব ভারত। সেই কাহিনিও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জানালেন, উত্তর-পূর্বের অনেকগুলি জায়গায় প্রথমবারের মতো রেল পরিষেবা পৌঁছানো হয়েছে। স্বাধীনতার ৬৭ বছর পেরিয়ে রেল পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মেঘালয়। প্রায় ১০০ বছর পর নাগাল্যান্ড দ্বিতীয় রেল স্টেশন পেয়েছে। উত্তর পূর্ব এবার প্রথম সেমি হাইস্পিড ট্রেন পেয়েছে। সিকিম পেয়েছে তাদের প্রথম বিমানবন্দর। এই সব সাফল্যের কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, ‘একবার কল্পনা করে দেখুন, অতীতের সরকারের সময়ে এখানে কতটা অভাব ছিল এবং কতটা অবহেলায় ফেলে রাখা হত। উড়ান প্রকল্পের আওতায় এখন বিমানবন্দরের সংখ্যা ৯ থেকে বাড়িয়ে ১৭ করা হয়েছে এবং ৭৪টি রুট চালু করা হয়েছে। ২০১৪ সালের আগে উত্তর পূর্বে একটি মাত্র জাতীয় জলপথ ছিল, এখন তা বেড়ে ৫টি হয়েছে। মোবাইল যোগাযোগ উন্নত করতে গ্রামে গ্রামে শ’য়ে শ’য়ে টাওয়ার বসানো হয়েছে। আগরতলায় এখন একটি ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে রয়েছে। মুম্বই ও চেন্নাইয়ের পর এটি হল তৃতীয় কোনও জায়গা, যেটি একটি প্রবেশদ্বার হয়ে উঠেছে।’ উত্তর পূর্ব ভারতের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের ‘অ্যাক্ট ইস্ট নীতি’-র কথাও তুলে ধরেন মোদী।

Follow Us
চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে হাইকোর্টে জাল নথি জমা অভিষেকের?
চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে হাইকোর্টে জাল নথি জমা অভিষেকের?
কেন পাওয়া যাচ্ছে না ওষুধ? সাংসদ বললেন...
কেন পাওয়া যাচ্ছে না ওষুধ? সাংসদ বললেন...
মাছ নয়, তৃণমূল নেতার পুকুরে পাওয়া গেল...
মাছ নয়, তৃণমূল নেতার পুকুরে পাওয়া গেল...
হঠাৎ কল্যাণকে কেন চা-সিঙাড়া খাওয়াতে চাইলেন ঋতব্রত? বাড়ল জল্পনা
হঠাৎ কল্যাণকে কেন চা-সিঙাড়া খাওয়াতে চাইলেন ঋতব্রত? বাড়ল জল্পনা
ধর্মতলায় সাংবাদিক নিগ্রহে গ্রেফতারির সংখ্যা বেড়ে ১৬
ধর্মতলায় সাংবাদিক নিগ্রহে গ্রেফতারির সংখ্যা বেড়ে ১৬
মঙ্গলবার এনডিএ সংসদীয় দলের বৈঠক, কোন স্ট্র্যাটেজি ঠিক করবেন মোদী?
মঙ্গলবার এনডিএ সংসদীয় দলের বৈঠক, কোন স্ট্র্যাটেজি ঠিক করবেন মোদী?
'কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি' স্লোগান দিলে কী হবে? জানিয়ে দিলেন শমীক
'কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি' স্লোগান দিলে কী হবে? জানিয়ে দিলেন শমীক
হঠাৎ একের পর এক দোকানে হানা দিলেন কৃষিমন্ত্রী দুধকুমার, কেন?
হঠাৎ একের পর এক দোকানে হানা দিলেন কৃষিমন্ত্রী দুধকুমার, কেন?
'সেবাশ্রয় কোনও ছোটখাটো দুর্নীতি নয়', ব্যাখ্যা দিলেন ঋতব্রত
'সেবাশ্রয় কোনও ছোটখাটো দুর্নীতি নয়', ব্যাখ্যা দিলেন ঋতব্রত
দায়িত্বে নেই ধর্মেন্দ্র, শিক্ষামন্ত্রকের আপাতত 'প্রধান' প্রহ্লাদ জোশী
দায়িত্বে নেই ধর্মেন্দ্র, শিক্ষামন্ত্রকের আপাতত 'প্রধান' প্রহ্লাদ জোশী