PM Modi: ‘ভারত রিনিউয়েবল এনার্জি সামিট’-এ জ্বালানি নিয়ে সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদীর
Narendra Modi on Energy Security: প্রধানমন্ত্রী জানান, বিগত বছরগুলিতে ভারতের নেওয়া বিভিন্ন পরিচ্ছন্ন শক্তি বিষয়ক পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নানা প্রতিকূলতা এবং বৈশ্বিক বিঘ্ন থেকে দেশের অর্থনীতিকে সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করেছে। ভারতের রাজনৈতিক ও নীতিগত স্থিতিশীলতা আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

নয়াদিল্লি: নয়াদিল্লিতে ‘ভারত রিনিউয়েবল এনার্জি সামিট অ্যান্ড এক্সপো’ (Bharat Renewable Energy Summit & Expo)-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে শক্তির সুরক্ষা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার ওপর বিশেষ জোর দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি স্পষ্টভাবে সতর্ক করে জানিয়েছেন যে, জ্বালানির উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা বিশ্ব অর্থনীতিকে বারবার ব্যাহত করতে পারে।
প্রধান হাইলাইটসমূহ:
-
শক্তির নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সুরক্ষা: প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের শক্তি নিরাপত্তা সরাসরি তার অর্থনৈতিক নিরাপত্তার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। বর্তমান বৈশ্বিক সংকটময় পরিস্থিতিতে পরিচ্ছন্ন শক্তির (Clean Energy) গুরুত্ব অপরিসীম।
-
৫০০ গিগাওয়াট (GW) পরিচ্ছন্ন শক্তির লক্ষ্যমাত্রা: আগামী ১০ থেকে ১১ বছরের মধ্যে দেশে অতিরিক্ত ৫০০ গিগাওয়াট অ-জীবাশ্ম জ্বালানি (Non-fossil fuel) ভিত্তিক শক্তি উৎপাদনের ক্ষমতা অর্জনের উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
-
বিপুল বিনিয়োগের জোয়ার: বিগত এক দশকে ভারতে পরিচ্ছন্ন শক্তি খাতে ১৫ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগ হয়েছে। শুধু ২০২৪ সালের ‘রি-ইনভেস্ট’ (RE-INVEST) সামিটের পর থেকেই ৬ লক্ষ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ এসেছে। দশকের শেষ নাগাদ এই খাতে বিনিয়োগের সুযোগ ২০ লক্ষ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
-
‘ক্লিন কুকিং মুভমেন্ট’ বা পরিচ্ছন্ন রন্ধন আন্দোলন: আমদানিকৃত রান্নার গ্যাসের উপর ঘরের অন্দরের নির্ভরতা কমাতে এবং সৌর শক্তির ব্যবহার উৎসাহিত করতে দেশজুড়ে একটি ‘ক্লিন কুকিং মুভমেন্ট’ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও নীতিগত সহায়তা
প্রধানমন্ত্রী জানান, বিগত বছরগুলিতে ভারতের নেওয়া বিভিন্ন পরিচ্ছন্ন শক্তি বিষয়ক পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নানা প্রতিকূলতা এবং বৈশ্বিক বিঘ্ন থেকে দেশের অর্থনীতিকে সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করেছে। ভারতের রাজনৈতিক ও নীতিগত স্থিতিশীলতা আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা বাড়াতে এই রিনিউয়েবল এনার্জি উদ্যোগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
