
নয়াদিল্লি: তিরুবনন্তপুরমের নব নির্বাচিত মেয়র ভিভি রাজেশকে চিঠি লিখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কেরলের মতো বামমনস্ক রাজ্য়ে বিজেপির হয়ে দ্বারোদ্ঘাটনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। তুলে ধরেছেন গেরুয়া শিবিরের জয়গাঁথাও।
গতবছরের ডিসেম্বরের গোড়ার দিকে কেরলের রাজধানী তিরুবনন্তপুরমের পুরনিগমে বামেদের ৪৫ বছরের দূর্গ ভেঙে দিয়েছে গেরুয়া শিবির। ১০১টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৫০টিতে জিতে সংখ্য়াগরিষ্ঠতায় দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছিল বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ। বলে রাখা প্রয়োজন, এই তিরুবনন্তপুরম আবার কংগ্রেস সাংসদ শশী তারুরের লোকসভা কেন্দ্র। সাম্প্রতিককালে তাঁর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দলের সখ্য নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। এবার সেই আবহেই তারুরের কেন্দ্রে বিজেপির জয়।
জয়ের কয়েক সপ্তাহ কাটতেই তিরুবনন্তপুরমের নবনির্বচিত বিজেপির মেয়রকে চিঠি পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী। তাতে ভিভি রাজেশকে উদ্দেশ্যে করে তিনি লিখলেন, ‘২০২৬ সালের সূচনাপর্বে তিরুবনন্তপুরমের মতো একটি মহানগরে ইতিহাস তৈরি করে আপনি মেয়র পদের জন্য শপথগ্রহণ করেছেন। এটা সত্যিই ঐতিহাসিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত। যা এই শহরের প্রতিটি মানুষের জন্য একটা গর্বের বিষয়।’
This recognition is the New Year’s gift given to Kerala by the Honorable Prime Minister. The political change in Thiruvananthapuram is the result of decades of hard work by BJP workers in Kerala. This recognition is the New Year’s gift given to Kerala by Modiji pic.twitter.com/IetOr9WPbH
— VV RAJESH (@VVRAJESH_BJP) January 1, 2026
নিজের চিঠিতে তিরুবনন্তপুরম ‘সচেতন নাগরিকদের সমাজ’ বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর কথায়, ‘এই শহরটি চিন্তাশীল নেতা, সমাজসংস্কারক, শিল্পী, সঙ্গীতজ্ঞ, কবি, এবং সাধুসন্তদের তৈরি করেছে। বিজেপি এমন একটা শহরকে পরিষেবা প্রদান করতে পারার সুযোগ পেয়ে অত্যন্ত খুশি। এই শহরের প্রতিটি মানুষকেও অনেক ধন্যবাদ জানাই।’ পাশাপাশি, তিনি ধন্য়বাদ জানিয়েছেন কেরল বিজেপি সকল নেতা-কর্মীদের। যাদের হাত ধরে এই ‘অসাধ্য সাধন’ হয়েছে।
উল্লেখ্য, এদিন প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো এই চিঠি নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে তিরুবনন্তপুরমের মেয়র ভিভি রাজেশ লিখেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই স্বীকৃতি কেরলের মানুষকে দেওয়া তাঁর নববর্ষের প্রথম উপহার। পাশাপাশি কেরলের বিজেপি নেতা-কর্মীদেরও কয়েক দশক ধরে চলা পরিশ্রমের ফল।’