New Education Minister: ধর্মেন্দ্রর ইস্তফার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নয়া শিক্ষামন্ত্রী ঠিক করে ফেলল মোদী সরকার
Central Goverment: ইস্তফা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। আপাতত প্রহ্লাদ জোশীকে শিক্ষামন্ত্রকের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় খাদ্য ও ক্রেতাসুরক্ষা মন্ত্রী ছিলেন তিনি। এবার তাঁর উপরই আপাতত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের।

নয়া দিল্লি: ইস্তফা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। শনিবার দুপুরে ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। আর তাঁর ইস্তফার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নতুন শিক্ষামন্ত্রী ঠিক করে ফেলল মোদী সরকার। আপাতত প্রহ্লাদ জোশীকে শিক্ষামন্ত্রকের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় খাদ্য ও ক্রেতাসুরক্ষা মন্ত্রী ছিলেন তিনি। এবার তাঁর উপরই আপাতত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের।
এ দিন রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে একটি বিবৃতি জারি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিবৃতিতে বলা আছে, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে, ভারতের রাষ্ট্রপতি, ভারতের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদের (২) ধারা অনুসারে,ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন। এবার তাঁর জায়গায় আপাতত ক্যাবিনেট মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী। তিনি নিজের বর্তমান দফতরের পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রকও চালাবেন। প্রহ্লাদ জোশী কর্ণাটকের ধরোয়ারের সাংসদ। বর্তমানে তিনি কেন্দ্রীয় খাদ্য ও ক্রেতাসুরক্ষা মন্ত্রী ছিলেন। তারও আগে তিনি কয়লা,খনি সংসদীয় বিষয় মন্ত্রী ছিলেন।
এখানে উল্লেখ্য, এ দিন, দুপুর নাগাদ খবর মেলে ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দিয়েছেন। কেন্দ্রের সঙ্গে সিজেপির তৃতীয় দফার বৈঠকের আগেই ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে সেই ইস্তফার কথা জানিয়েছিলেন। বস্তুত,বারবার নিট প্রশ্ন ফাঁসকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠেছিল দেশ। দিল্লির যন্তর-মন্তরের সামনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন যুবরা। দিল্লি থেকে চেন্নাই, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ- সব জায়গায় বিক্ষোভ চলছিল ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে। শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবিতে ২৬ দিন ধরে অনশনে বসেছিলেন পরিবেশ ও সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকও। তিনি পরে অনশন ভাঙলেও, ককরোচ জনতা পার্টির শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবিতে অনড় ছিল।
