Pregnant Women: অন্তঃসত্ত্বা বলে চাকরিতে ‘না’? গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল হাইকোর্ট
Pregnant Women: স্বাস্থ্য দফতরের ডিজি-র কাছ থেকে নিয়োগপত্রও পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু হাসপাতালের তরফে 'টেম্পোরারিলি আনফিট' বলে উল্লেখ করা হয় ওই মহিলাকে। এরপরই তিনি আদালতের দ্বারস্থ হন। বিচারপতি পঙ্কজ পুরোহিতের এজলাসে ওঠে মামলা।

দেরাদুন: নিয়োগপত্র দেওয়া হয়ে গিয়েছে। শুধুমাত্র অন্তঃসত্ত্বা বলে চাকরিতে যোগ দিতে দেওয়া হচ্ছে না। এমন অভিযোগ নিয়েই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক মহিলা। সেই মামলায় গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল উত্তরাখণ্ড হাইকোর্ট। অন্তঃসত্ত্বা বলে সরকারি চাকরি থেকে বঞ্চিত করা যাবে না, কোনওভাবেই শারীরিকভাবে অনুপযুক্ত বলেও চিহ্নিত করা যাবে না। বিচারপতি বলেন, ‘মাতৃত্ব তো আশীর্বাদ।’ অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় মিশা উপাধ্যায় নামে এক মহিলাকে চাকরিতে যোগ দিতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে। আর কোনও শারীরিক সমস্যা না থাকলেও তাঁকে সাময়িক অক্ষম বলে সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। তাতেই আপত্তি জানায় হাইকোর্ট।
নৈনিতালের বি ডি পান্ডে হাসপাতালে নার্সিং অফিসার হিসেবে যোগ দেওয়ার কথা ছিল মিশা নামে ওই মহিলার। স্বাস্থ্য দফতরের ডিজি-র কাছ থেকে নিয়োগপত্রও পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু হাসপাতালের তরফে ‘টেম্পোরারিলি আনফিট’ বলে উল্লেখ করা হয় ওই মহিলাকে। এরপরই তিনি আদালতের দ্বারস্থ হন। বিচারপতি পঙ্কজ পুরোহিতের এজলাসে ওঠে মামলা। ওই মহিলা ১৩ সপ্তাহের গর্ভবতী বলে জানা গিয়েছে।
বিচারপতি নির্দেশ দেন, অবিলম্বে ওই মহিলাকে কাজে যোগ দেওয়ার অনুমতি দিতে হবে। একইসঙ্গে অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের ক্ষেত্রে যে নিয়ম আছে, তা নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেন বিচারপতি। ১২ সপ্তাহের বেশি গর্ভবতী হলে সেই মহিলাকে ‘টেম্পোরারিলি আনফিট’ বলে চিহ্নিত করা হয়। এই প্রসঙ্গে বিচারপতি বলেন, ‘মাতৃত্ব তো আশীর্বাদ।’ হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, উত্তরাখণ্ডের এই নিয়ম মহিলাদের প্রতি অসম্মানজনক। এ ক্ষেত্রে ১৪, ১৬ ও ২১ নম্বর অনুচ্ছেদকে অমান্য করা হয় বলেও উল্লেখ করেছেন বিচারপতি।
এই প্রসঙ্গে আইনজীবী সোমিকা অধিকারী বলেন, এই রায় অন্যান্য রাজ্যের মহিলাদেরও আত্মবিশ্বাসী করবে। তারা যে কোনও বঞ্চনার শিকার নয়, সেটা অনুভব করবে। বিশেষত অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার কারণে যাঁরা কর্মক্ষেত্রে সমস্যায় পড়েন, তাঁদের আত্মবিশ্বাস জোগাবে এই রায়।
