India Oil-LNG Crisis: ৫ বছরের জন্য তেল সরবরাহ করতে পারবে না কাতার! ভারতে এবার এই জ্বালানিও পাওয়া যাবে না?

US-Iran War: ক্ষতি এতটাই ব্যাপক হয়েছে যে তা মেরামত করে ফের আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন কন্ট্রাক্ট নিতে পাঁচ বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। কাতার এনার্জির সিইও তথা শক্তি প্রতি মন্ত্রী সাদ আল-কাবি জানিয়েছেন, কাতারের লিকুইফাইড ন্যাচরাল গ্যাসের রফতানি ক্ষমতার ১৭ শতাংশ নষ্ট হয়ে গিয়েছে।

India Oil-LNG Crisis: ৫ বছরের জন্য তেল সরবরাহ করতে পারবে না কাতার! ভারতে এবার এই জ্বালানিও পাওয়া যাবে না?
তেল সঙ্কটের মুখে ভারত।Image Credit source: PTI

| Edited By: ঈপ্সা চ্যাটার্জী

Mar 20, 2026 | 11:31 AM

নয়া দিল্লি: বিশ্ববাজারে চরম জ্বালানি সঙ্কট। জরুরি পরিস্থিতির সামনে পড়তে চলেছে ভারতও? কাতার, কুয়েত, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, ইজরায়েল- সর্বত্র তেল এবং গ্যাস ফিল্ডে ইরান ব্যাপক হামলা চালাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বিশ্বের বৃহত্তম এলএনজি (LNG) প্রস্তুতকারক ফিল্ড রাস লাফান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিল কাতার (Qatar)।

সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ক্ষতি এতটাই ব্যাপক হয়েছে যে তা মেরামত করে ফের আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন কন্ট্রাক্ট নিতে পাঁচ বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। কাতার এনার্জির সিইও তথা শক্তি প্রতি মন্ত্রী সাদ আল-কাবি জানিয়েছেন, কাতারের লিকুইফাইড ন্যাচরাল গ্যাসের রফতানি ক্ষমতার ১৭ শতাংশ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। বার্ষিক আয়ের থেকে ২০ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়েছে। এই সংস্কার করতে তিন থেকে পাঁচ বছর সময় লাগবে। এর ফলে ইউরোপিয়ান ও এশিয়ান দেশগুলিতে তেলের সরবরাহ ভয়ঙ্কর ক্ষতির মুখে পড়বে। ভারত, চিন সহ একাধিক দেশে তেলের ভাঁড়ারে টান পড়বে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে আমেরিকা থেকে এলপিজি আনাচ্ছে ভারত। কাতারের পরিবর্তে আমেরিকা এবং অস্ট্রেলিয়া থেকে এলএনজি আনাবার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তবে এর বিপুল পরিবহন খরচ আগামিদিনে নিশ্চিতভাবেই তেলের দাম বাড়াবে, সেই ইঙ্গিত মিলছে।

সরকারি সূত্রের দাবি, হরমুজ প্রণালীকে এড়িয়ে ৭০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল আমদানি চেষ্টা চালাচ্ছে ভারত।

এদিকে ভারতের গ্যাস এবং তেল সংস্থাগুলিকে প্রত্যেকদিন কত মজুত তেল আছে, কত পরিমাণ তেল কীভাবে ব্যবহার হচ্ছে, কত তেল রিফাইন করা হচ্ছে- তার যাবতীয় তথ্য পরিসংখ্যান সরকারকে নিয়মিত জানাতে হবে।

ইউরোপিয়ান ব্রেন্ট ক্রুড জানাচ্ছে, আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যারেল প্রতি অপরিশোধিত তেলের দাম ১১৯ ডলার।

সৌদি আরবের হুঁশিয়ারি, যুদ্ধ চলতে থাকলে ব্যারেল প্রতি তেলের দাম ১৮০ ডলারে পৌঁছবে। বিশ্ববাজারে প্রতি মেট্রিক মিলিয়ন এলএনজির দাম পৌছলো ২০ ডলারে। যুদ্ধের আগে এই দাম ছিল ১০ থেকে ১২ ডলার।

Follow Us