
নয়াদিল্লি: রাজধানীতে স্থিতু বাংলাদেশের হাই কমিশনে গিয়ে সেদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্য়ুর শোকজ্ঞাপন করলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। নিজের এক্স হ্য়ান্ডেলে সেই ছবি পোস্ট করেছেন ভারতে বাংলাদেশের দূত রিয়াজ় হামিদুল্লাহ। লিখেছেন, ‘কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে পেয়ে সম্মানিত অনুভব করছি।’
হাই কমিশনের সেই মুহূর্তের ছবি নিজের এক্স হ্যান্ডেলেও পোস্ট করেছেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী। তাতে দেখা গিয়েছে, বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর ছবির সামনে বসে রয়েছেন রাজনাথ সিং। পিছনে দাঁড়িয়ে রাষ্ট্রদূত রিয়াজ় হামিদুল্লাহ। সেই সময় একটি সমবেদনা জানানোর খাতায় স্বাক্ষর করছেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী। এদিন এই পোস্টের সঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী লিখেছেন, ‘আজ নয়াদিল্লিতে স্থিতু বাংলাদেশের হাই কমিশনে গিয়েছিলাম। বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা বিএনপির চেয়ারপার্সনের প্রয়াণের ঘটনায় ওনার পরিবার-পরিজন এবং বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষকে সমবেদনা জানাই।’
Went to the High Commission of Bangladesh in New Delhi. Signed the Condolence Book expressing our profound sorrow at the passing of former Prime Minister and BNP Chairperson Begum Khaleda Zia. Our thoughts are with her family and the people of Bangladesh. @bdhc_delhi pic.twitter.com/AscV4ZdIUe
— Rajnath Singh (@rajnathsingh) January 1, 2026
গত ৩০ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার সকাল ৬টার সময় শেষ নিঃশ্বাস ত্য়াগ করেছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরেই ভুগছিলেন তিনি। ভর্তি ছিলেন ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে। সেখানেই একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে চিকিৎসা চলছিল তাঁর। কিন্তু সঙ্কটজনক পরিস্থিতি থেকে তাঁকে বের করে নিয়ে আসা যায়নি। ইতিমধ্যেই খালেদার জিয়ার প্রয়াণের ঘটনায় বাংলাদেশে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোকের ঘোষণা করেছেন মুহাম্মদ ইউনূস।
Honoured to welcome HE @rajnathsingh, Hon 🇮🇳Defense Minister at @bdhc_delhi as he conveyed condolences of #India and paid homage to former 🇧🇩 Prime Minister | @bdbnp78 Chairperson (late) #BegumKhaledaZia, in Delhi.@MEAIndia @BDMOFA @BJP4India #Bangladesh pic.twitter.com/UaykG224TT
— Riaz Hamidullah (@hamidullah_riaz) January 1, 2026
বুধবার দুপুরে ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবন সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে দুপুর ৩টে ৩মিনিটে খালেদা জিয়ার ‘জানাজা’ শুরু হয়। শেষ হয় ৩টে বেজে ৭ মিনিটে। এরপর নিরাপত্তার ঘেরাটোপে খালেদার মরদেহ সংসদ ভবন থেকে নিয়ে যাওয়া হয় মিয়া অ্যাভিনিউতে স্থিতু জিয়া উদ্যানে। সেখানে বিকাল সাড়ে ৪টে নাগাদ স্বামী তথা বাংলাদেশের প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং রাষ্ট্রপতির সমাধির পাশে সমাধিস্থ করা হয় খালেদা জিয়ারকে।