Tantra Ritual: ‘বলি দে, তবেই শান্তি পাবি…’, বলেছিল সেই তান্ত্রিক, দুই ভাগ্নেকে মেরে ফেলতেও হাত কাঁপল না!
Death Mystery: চিঠি দেখেই পুলিশের সন্দেহ হয়, যে কিছু একটা হয়েছে। শুরু হয় তদন্ত। এর আগে গত ২৪ এপ্রিল একটি বাড়ির ভিতর থেকে ওই মৃত শিশুর পাঁচ বছরের ভাইয়ের দেহও উদ্ধার করা হয়েছিল। সেই শিশুর শেষকৃত্যও সম্পন্ন হয়েছে।

উত্তর প্রদেশ: তান্ত্রিকের পরামর্শে নিজের ভাগ্নেকেই খুন করে ফেললেন মহিলা! কুসংস্কারের বিশ্বাস এমনই যে সন্তানসম দুজনকে মেরে ফেলতেও দ্বিধাবোধ করেননি মহিলা। তাঁকে নাকি বলা হয়েছিল ‘বলি দিতে হবে’, তবেই নাকি রাক্ষসের হাত থেকে মুক্তি পাবেন তিনি। এই পরামর্শ পাওয়ার পর এক মাসের মধ্যেই নিজের দুই ভাগ্নেকে ওই মহিলা বলি দিয়েছেন বলে অভিযোগ। তান্ত্রিককে কোথাও খুঁজে পায়নি পুলিশ, তল্লাশি চলছে।
ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর প্রদেশের খাতৌলি এলাকার কৈলাভাদা গ্রামে। গত ১৭ মে ওই এলাকার একটি বাড়ির ভিতর থেকে সাত বছরের এক শিশুর দেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। পুলিশ মৃতদেহের পাশ থেকে কিছু তান্ত্রিক আচারের সরঞ্জাম এবং একটি চিঠিও উদ্ধার করেছে, যাতে লেখা ছিল – ‘এখন আমি শান্তি পেয়েছি… আত্মা শান্তিতে থাকুক।’
সেই চিঠি দেখেই পুলিশের সন্দেহ হয়, যে কিছু একটা হয়েছে। শুরু হয় তদন্ত। এর আগে গত ২৪ এপ্রিল একটি বাড়ির ভিতর থেকে ওই মৃত শিশুর পাঁচ বছরের ভাইয়ের দেহও উদ্ধার করা হয়েছিল। সেই শিশুর শেষকৃত্যও সম্পন্ন হয়েছে।
পুলিশ জানতে পেরেছে শিশুর আত্মীয়া অঙ্কিতা ও তাঁর মা রিনা এক তান্ত্রিকের নির্দেশে দুই শিশুকে খুন করেছে। পুলিশ অঙ্কিতা ও রিনাকে গ্রেফতার করেছে এবং তান্ত্রিকের খোঁজ চালাচ্ছে।
অঙ্কিতা জেরায় পুলিশকে জানিয়েছেন, তাঁর শরীর খারাপ থাকত প্রায়শই। এ কথা তার মা রিনাকে জানালে তিনি তাঁকে তান্ত্রিক রাম গোপালের কাছে নিয়ে যান। তান্ত্রিক রামগোপালের পরামর্শে, প্রথমে এক ভাগ্নেকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়, পরে আর এক ভাগ্নেকেও হত্যা করা হয়।
