Republic Day 2026: প্রজাতন্ত্র দিবসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে ১২৭০ কেজি বোনলেস চিকেন! কীভাবে জানেন?
Republic Day 2026 Update: প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে দিল্লি পুলিশের ৫০ হাজার বাহিনী উপস্থিত থাকবে। পাশাপাশি থাকবে ৬৫ কোম্পানি আধা-সামরিক বাহিনীও। এছাড়া গোয়েন্দাদের কড়া নজরদারি তো থাকবেই। তবে জানেন কি, দিল্লিতে প্রজাতন্ত্র দিবসে সুরক্ষা দেবে মুরগিও? আরও স্পষ্টভাবে বলতে গেলে মুরগির মাংস।

নয়া দিল্লি: আর কয়েকদিন বাদেই প্রজাতন্ত্র দিবস। রাজধানী দিল্লিতে হবে কুচকাওয়াজ। ভারতীয় সেনার বিভিন্ন বাহিনী, বায়ুসেনা ও নৌসেনা অংশ নেবে প্যারেডে। প্রজাতন্ত্র দিবসের নিরাপত্তার জন্য ইতিমধ্য়েই দিল্লিকে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে। প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে দিল্লি পুলিশের ৫০ হাজার বাহিনী উপস্থিত থাকবে। পাশাপাশি থাকবে ৬৫ কোম্পানি আধা-সামরিক বাহিনীও। এছাড়া গোয়েন্দাদের কড়া নজরদারি তো থাকবেই। তবে জানেন কি, দিল্লিতে প্রজাতন্ত্র দিবসে সুরক্ষা দেবে মুরগিও? আরও স্পষ্টভাবে বলতে গেলে মুরগির মাংস। তাও আবার দুই-চার কেজি নয়, ১২৭০ কেজি কেজি মুরগির মাংস। কেন ব্যবহার করা হবে এই মাংস?
প্রজাতন্ত্র দিবসে যাতে নিরাপত্তায় কোনও ত্রুটি যাতে না থাকে, তা নিশ্চিত করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। সেনা ভবন, উদ্যোগ ভবন, নির্মাণ ভবন, বায়ু সেনা ভবন, কাশ্মীর হাউস, জাতীয় জাদুঘর সহ ৭০টিরও বেশি ভবনে নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, যেকোনও সন্দেহজনক ব্যক্তি বা বস্তু দেখতে পেলেই তা যেন অবিলম্বে ১১২ বা ১০৯০ নম্বরে হেল্পলাইনে ফোন করে জানানো হয়।
২৬ জানুয়ারি, প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রতি বছরের মতো এই বছরও বায়ুসেনা অংশগ্রহণ করবে। বিমান প্রদর্শনীর সময় যাতে কোনও দুর্ঘটনা বা বিপত্তি না ঘটে, তার জন্যই মুরগির মাংস ব্যবহার করা হবে। দিল্লির আকাশে প্রচুর চিল ও অন্যান্য পাখি ওড়ে। বায়ুসেনার রাফাল, সুখোই মহড়ার সময় যাতে কোনও বিমানের সঙ্গে পাখির ধাক্কা না লাগে, তার জন্য শহরজুড়ে ১২৭০ কেজি মুরগির মাংস ছড়ানো হবে। যাতে চিলগুলি ওই সময়ে খাবার খেতে চলে আসে এবং নীচ দিয়ে ওড়া বায়ুসেনার বিমানের সঙ্গে ধাক্কা না লাগে।
জানা গিয়েছে, বায়ুসেনার বিমানের করিডোর থেকে অনেকটা দূরে ২০টি নির্দিষ্ট স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে, সেখানে মুরগির মাংস ছড়ানো হবে। ১৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে মহড়া। সেই সময় পাখিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য ২০ থেকে ৩০ গ্রাম ওজনের ছোট ছোট মুরগির টুকরো ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
যদিও পাখিদের এই মাংস দেওয়ার নীতি অনেকদিনের, তবে এই বছর প্রোটোকলে বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রথমবারের মতো, মহিষের মাংসের বদলে হাড় বিহীন মুরগির মাংস দেওয়া হবে। ২২ জানুয়ারি থেকে পিক ফিডিং শুরু হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উড়ানের সময় সর্বাধিক পাখির ডাইভারশন নিশ্চিত করতে প্রায় ২৫৫ কেজি মাংস ছড়ানো হবে।
পাখির চলাচলের তথ্যের উপর ভিত্তি করে স্থানগুলি চিহ্নিত করা হয়েছে। লালকেল্লা, জামা মসজিদ, মান্ডি হাউস এবং দিল্লি গেটের কাছে চিহ্নিত অন্যান্য হটস্পটের মতো অঞ্চলগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
