AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

High Court News: ‘রাস্তার কোনও ধর্ম নেই’, বড় রায় হাইকোর্টের

Madras High Court: প্রার্থনাস্থলটির প্রতিষ্ঠাতা আর ড্যানিয়েলকে সাত দিনের মধ্য়ে জমি ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। এরপরেই ড্যানিয়েল দ্বারস্থ হন আদালতে। এজলাসে তিনি জানান, ওই প্রার্থনাস্থলটি ১৯৯৫ সালে তৈরি করা হয়েছিল। সেই থেকেই তা ওখানে রয়েছে। ফলত মানুষের মনেও ওই প্রার্থনা স্থল নিয়ে একটি বিশ্বাস ও আস্থার জায়গা তৈরি হয়েছে। এমন সময় মাদার মেরির মূর্তি-সহ প্রার্থনা স্থলটি সরিয়ে দেওয়া হলে তা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে বিঘ্নিত করবে।

High Court News: 'রাস্তার কোনও ধর্ম নেই', বড় রায় হাইকোর্টের
প্রতীকী ছবিImage Credit: Getty Image
| Updated on: Jan 27, 2026 | 5:54 AM
Share

চেন্নাই: রাস্তার কোনও ধর্ম হয় না! একটি জনস্বার্থ মামলায় বড় রায় মাদ্রাজ হাইকোর্টের। রাস্তা সাধারণের জন্য় তৈরি, ধর্মের দোহাই তাতে খাটে না বলেই পর্যবেক্ষণ বিচারপতি। কিন্তু রাস্তা নিয়ে বিবাদ কেন? ধর্মের কল সেখানেও বা নড়ল কীভাবে?

ঘটনা চেন্নাইয়ের থিরু ভি কা নগর নামে এক অভিজাত এলাকার। বছর কতক আগেই ওই এলাকায় একটি বাড়ি কেনেন এ শরথ নামে এক ব্যক্তি। তখন তাঁকে জানানো হয়েছিল, তাঁর বাড়ির প্রবেশপথের পাশে একটি অস্থায়ী কাঠামো রয়েছে। কিন্তু এই কাঠামো কীসের তা তিনি জানতেন না। এমনকি কী কাজেই বা তৈরি হয়েছে, সেই নিয়েও তাঁর কোনও ধারণা ছিল না।

বার অ্যান্ড বেঞ্চের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ওই সম্পত্তিটি কিনেছিলেন শরথ। তারপরেই ওই কাঠামোটিতে মাদার মেরির একটি মূর্তি স্থাপন করা হয়। পাশের একটি বাড়ি থেকে বিদ্য়ুৎ টেনে বসানো হয় সাউন্ড বক্সও। এরপরেই গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ওই মূর্তি ও গোটা প্রার্থনাস্থলটি হটানোর জন্য গ্রেটার চেন্নাই কর্পোরেশনে দ্বারস্থ হন শরথ। কাঠামোটি তাঁর বাড়ির প্রবেশপথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলেই অভিযোগ করেন তিনি। কিন্তু এই অভিযোগের পরেও কোনও পদক্ষেপ করেনি পুরসভা। ফলত, বিরক্ত হয়ে শরথ চলে যান মাদ্রাজ হাইকোর্টে। দায়ের করেন মামলা।

সম্প্রতি বিচারপতি ভি লক্ষ্মীনারায়ণের সিঙ্গল বেঞ্চে শুরু হয় ওই জমি দখল মামলার শুনানি। পুরসভাকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনের নির্দেশ দেয় আদালত। তার ভিত্তিতে মাদার মেরির প্রার্থনাস্থলটি সরিয়ে দেওয়ার জন্য চেন্নাই কর্পোরেশনের ডেপুটি কমিশনার একটি নোটিস জারি করেন। প্রার্থনাস্থলটির প্রতিষ্ঠাতা আর ড্যানিয়েলকে সাত দিনের মধ্য়ে জমি ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। এরপরেই ড্যানিয়েল দ্বারস্থ হন আদালতে। এজলাসে তিনি জানান, ওই প্রার্থনাস্থলটি ১৯৯৫ সালে তৈরি করা হয়েছিল। সেই থেকেই তা ওখানে রয়েছে। ফলত মানুষের মনেও ওই প্রার্থনা স্থল নিয়ে একটি বিশ্বাস ও আস্থার জায়গা তৈরি হয়েছে। এমন সময় মাদার মেরির মূর্তি-সহ প্রার্থনা স্থলটি সরিয়ে দেওয়া হলে তা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে বিঘ্নিত করবে।

কিন্তু এই সকল যুক্তি মানতে নারাজ আদালত। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, ‘রাস্তার কোনও ধর্ম হয় না। ধর্মের দোহাই দিয়ে কোনও মতেই দশকের পর দশক একটি জায়গা দখল করে রাখা যেতে পারে না।’ এরপরেই প্রার্থনাস্থলটি অপসারণের নির্দেশ দেয় আদালত। বেঁধে দেয় তিন সপ্তাহের ডেডলাইন।